ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধু ছিলেন কৃষকের আপনজন পাউবোর কাজে ধীর গতি, শত কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ত্রাণের সব তালিকা বাতিল বাজারে হামলা, দুই চেয়ারম্যানের পাল্টা পাল্টি অভিযোগ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ চাঁদপুরে ১২৭ রিপোর্টে পজিটিভ ২০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত কুমিল্লায় নতুন করে ৪৭ জনের করোনা শনাক্ত সীমান্তের শিক্ষাগুরু আব্দুর রহমান চৌধুরী চলে গেলেন ঈদের দিন রাতের মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে কুসিক দেশে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়ালো, একদিনে ২৭ মৃত্যু মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আবুল কালামকে দুদকে তলব মেজর সিনহার হত্যাকারীরা পার পাবে না সোশ্যাল মিডিয়ায় অস্থিরতা ছড়ালে ব্যবস্থা ওসি প্রদীপ গ্রেফতার দেশে একদিনে আরো ৩৯ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৯৭৭ চেয়ারম্যান-মেম্বারদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি গুজব করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ক্রয়ে কমিটি লেবাননে জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসক পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
  • শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১২

অর্থ বিভাগের পরামর্শ ছাড়া নতুন প্রকল্পে বরাদ্দ নয়

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২০  

অর্থ বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া সরকারি অর্থায়নে নতুন কোনো প্রকল্পে বরাদ্দ না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি পরিকল্পনা কমিশনের অনুকূলে বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা খাতে সরকারি অর্থায়ন বা জিওবি বাবদ সংরক্ষিত ৫০০ কোটি টাকা থেকে বরাদ্দ না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। 

সম্প্রতি পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ। চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত অর্থবছরের এপ্রিল মাসে করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরুর দিকে দীর্ঘ ছুটির কারণে অর্থ সাশ্রয়ের এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। 

উল্লেখ্য, উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের গতি আনতে অর্থ ছাড়ের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল প্রকল্প পরিচালকদের (পিডি) হাতে। অর্থ মন্ত্রণালয় বা প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কোনো অনুমোদন বা সম্মতি ছাড়াই সরকারি তহবিলের (জিওবি) অংশের শতভাগ অর্থ ছাড় করতে পারতেন তারা। 

তবে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হলে রাজস্ব আদায়ে বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাছাড়া দীর্ঘমেয়াদে ছুটি এবং করোনা মোকাবিলায় সরকারের অপ্রত্যাশিত অর্থ ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। সার্বিক দিক বিবেচনা করে অর্থ সাশ্রয়ের জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ছাড় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। 

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের মূল এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে নতুন এডিপির আকার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ। করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হলে অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। সেই প্রভাব এডিপির ওপরেও পড়েছে। বাস্তবায়ন কমে গেছে অনেক। এজন্য নতুন অর্থবছরে চলমান প্রকল্প শেষ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লার ধ্বনি
অর্থনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর