ব্রেকিং:
দেবিদ্বারে উ. জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদকের আঙ্গুল কর্তন কমলাপুর চাইল্ড হেভেন স্কুলে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পান বোঝাই পিক-আপ থেকে ৫৪ হাজার পিস ইয়াবা লালমাই পাহাড়ের কাঁঠালের ম–ম ঘ্রাণ তিতাশে মাটির পাতিল থেকে বের হচ্ছিল কান্নার আওয়াজ প্রধানমন্ত্রী দিল্লি যাচ্ছেন ২১ জুন নৌকায় লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিহত ১০, জীবিত ৩০ বাংলাদেশি মাস্কের টুইটে উত্তাল ভারতের রাজনীতি চার মাসে বিদেশে চাকরি কমেছে ২০ শতাংশ রাজধানীর বড় বড় হাসপাতাল যেন ‘বাতির নিচে অন্ধকার’ ঈদের দিন যেসব উন্নত খাবার পেলেন কারাবন্দিরা আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি হাসিল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বাজারে লঙ্কাকাণ্ড টিনের বেড়ায় বিদ্যুতের তার চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন স্বস্তিতে ঘরমুখো মানুষ যেভাবে গড়ে ওঠে শতবর্ষী কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ বেশি ভাড়া রাখায় উপকূল পরিবহনকে জরিমানা মিয়ানমার সীমান্তের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ রাখাইনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা, বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ
  • বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৫ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

আখাউড়ায় কলহ-অভিমানে প্রাণ দিলেন দু’জন

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আলাদা স্থানে অভিমান ও পারিবারিক কলহের জেরে দুই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। একজন রোববার সন্ধ্যায় ও আরেকজন সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মৃতরা হলেন- উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামে মৃত সারু মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও ধরখার ইউনিয়নের ঝিকুটিয়া গ্রামের নান্নু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মিয়া। এর মধ্যে জালাল মিয়া মেয়ের সঙ্গে অভিমান কীটনাশক পান করেন ও ইব্রাহিম পারিবারিক কলহের জেরে কীটনাশক ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ইব্রাহিম রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সবার অগোচরে কীটনাশক ওষুধ খান। একপর্যায়ে ছটফট করতে থাকেন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় জালাল তার মেয়ের জন্য কলা ও রুটি কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। এর মধ্যে একটি কলা পচা হওয়ায় তার মেয়ে ঐ কলা বাবার দিকে ছুড়ে মারেন। এতে তিনি খুব কষ্ট পান। মেয়ের দেওয়া কষ্ট সহ্য করতে না পেরে ঘরে রাখা পোকামাকড় মারার কীটনাশক পান করেন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহগুলো জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।