ব্রেকিং:
পঙ্গু-বয়স্কদের জন্য ইউএনওর ‘কলিং বেল’ সেবা বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী তিনি পাখি রক্ষায় গোপালগঞ্জের ডিসির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পিঁয়াজের কারণে কফি হাউসে বন্ধ হল জনপ্রিয় খাবার বিয়ের পাঁচদিন পরই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে তালাক পাঁচ নারী পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক ৩৯তম বিসিএসে আরো ১৬৮ জন চিকিৎসক নিয়োগ দুই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনে মেয়েদের একা ভ্রমণে পুলিশের পরামর্শ শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস তিন মাসে ২৯ হাজার বিচারপ্রার্থীকে সরকারি খরচায় আইনি সেবা কারাদন্ডপ্রাপ্ত আদম বেপারী গ্রেপ্তার ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তায় হেলথ ক্যাম্প উদ্বোধন বাঁচতে চায় ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের শিক্ষক ভিক্টোরিয়া কলেজে বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি মেধাবী হওয়াটাই বড় নয়, মানুষ হওয়াটাই বড় জেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক লবিং ছাদ থেকে পড়ে নারীর মৃত্যু শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ বিট পুলিশিং কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
৫৪

আজ চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মদিন

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৯  

আমাদের শিল্প সাহিত্য জগতের এক অনন্য নাম এস এম সুলতান। পুরো নাম শেখ মোহম্মদ সুলতান। যদিও শৈশবে তার বাবা নাম রেখেছিলেন লাল মিয়া। বিশ্ববরেণ্য এই গুণী চিত্রশিল্পীর জন্মদিন আজ। ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমানে জেলা) মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

চিত্রা নদীর তীরে বেড়ে ওঠা বরেণ্য এই চিত্রকরের ছবি আঁকার নেশা ছিল ছোটবেলা থেকেই। শৈশবে স্কুলের অবসরে রাজমিস্ত্রি বাবাকে কাজে সহযোগিতা করতেন এবং মাঝে মাঝে ছবি আঁকতেন। এরপর পাড়ি জমান কলকাতায়। ১৯৩৮ সালে চিত্রসমালোচক শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে কলকাতায় তার পরিচয় হয়। একাডেমিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সোহরাওয়ার্দীর সুপারিশে ১৯৪১ সালে ভর্তি হন কলকাতা আর্ট স্কুলে।

আর্ট স্কুলে ভালো করলেও ফাইনাল পরীক্ষার আগে আর্ট স্কুল ছেড়ে তিনি দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াতে থাকেন। কাশ্মীরে আদিবাসীদের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। আঁকতে শুরু করেন তাদের জীবনযাত্রা। বোহেমিয়ান ছিল তার জীবনধারা। প্রচারবিমুখ এ মানুষটি তার কাজের প্রতিও ছিলেন বেখেয়ালী। জীবনে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। যে জায়গায় কাজ করেছেন সেখানেই তা ফেলে এসেছেন। এভাবে চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে সুলতানের অনেক কাজ।

এস এসম সুলতান ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক’ অর্জন করেন। এছাড়া ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যান অব দ্য ইয়ার, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ম্যান অব এশিয়া পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পরে নড়াইলে প্রিয় জন্মভূমিতে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর