ব্রেকিং:
তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা: রেলমন্ত্রী টুটুলের আবিষ্কার: পলিথিন থেকে জ্বালানি বাংলাদেশের ফুটবলে চমক উপহার দিতে চায় ব্রাজিল জঙ্গিবাদের রূপ দিতে আবির্ভাব হয় সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান রাজধানীতে ৫০ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার ভারতের দূর্বল জায়গায় আঘাত করবে বাংলাদেশের স্পিন অস্ত্র! মাদকাসক্ত হলেই সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রিকশা চালক শিশু স্বপ্না ডাক্তার হতে চায় ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান বৃদ্ধা মাকে সড়কে ফেলে গেলো সন্তান, ওসি দিলেন বুকে ঠাঁই জেনারেল আজিজ- একজন নিবেদিতপ্রাণ গলফার সেনাপ্রধান ‘প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত সব দুধই মানহীন’ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে লিভার প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক ২৮ জুন বসবে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান

বৃহস্পতিবার   ২৭ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১৪ ১৪২৬   ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কুমিল্লার ধ্বনি
১৫২

ঈদের আগে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০১৯  

এবারের ঈদের আগে যে পরিমাণ অর্থ প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন, তা আগে কখনো আসেনি। যার মাধ্যমে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। 

সদ্য সমাপ্ত মে মাসে প্রবাসীদের পাঠানো ১৭৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার দেশে এসেছে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১৪ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। প্রবাসী আয় আনায় এরপরই রয়েছে ডাচ বাংলা, অগ্রণী ও সোনালী ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকগুলোতে ডলারের সংকট চলছে। এ জন্য সব ব্যাংকই প্রবাসী আয় আনার দিকে বাড়তি নজর দিয়েছে। কেউ কেউ ডলারের বেশি দামে দিয়েও আয় এনেছে। ফলে আয় অনেক বেড়েছে। 

তথ্য মতে, মে মাসে এসেছে ১৭৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। এপ্রিলে এসেছিল ১৪৩ কোটি ডলার, মার্চে ১৪৫ কোটি ডলার। আর চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল যথাক্রমে ১৫৯ কোটি ও ১৩১ কোটি ডলার। ফলে চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৫০৬ কোটি ডলার।

গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ১৭ লাখ (১৪.৯৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। ওই অঙ্ক ২০১৬-১৭ অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি ছিল।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হল বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স।

বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। জিডিপিতে তাদের পাঠানো অর্থের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর