ব্রেকিং:
জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও পুরুষের দায়িত্ব বিষয়ক সভা শীতকালীন প্রতিযোগিতা উপলক্ষে শিক্ষা বোর্ডের প্রস্তুতি বিজয় দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচী উদ্বোধন দুদিন পর গোমতী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার রিয়েলিটি শো উদ্ভাবকের খোঁজে- সিজন ২পুরস্কার বাহরাইনে কুমিল্লার যুবককে ৭ তলার ছাদ থেকে ফেলে হত্যা মধ্যরাতে শীতার্তদের পাশে জেলা প্রশাসক ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা ব্যাংকের ভল্টের তালা ভেঙ্গে টাকা লুট ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে আগ্রহ নেই পথচারিদের নিমসার বাজার উচ্ছেদে হাইকোর্টের নির্দেশ ছয়টি নিয়ম মানলেই সিজার এড়ানো সম্ভব! স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালককে হাইকোর্টে তলব ঢাবিতে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন জটিল প্রশ্নের জবাব দিতে সহায়তা করবে ফেসবুক বাংলাদেশ ব্যাংককে সহযোগিতা করবে ফিলিপাইন শীতে ক্ষুদে সদস্যদের আরামদায়ক পোশাক নির্বাচন ঘুষ না খেলে চাকরি চলে যাবে, করণীয় কী? আইপিএল খেলতে আগ্রহী যে ছয় বাংলাদেশি

বৃহস্পতিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৬   ০৭ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
১১৮৬

ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ব্যাংকে গত ২০ বছরের ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের তালিকা প্রস্তুত করে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

একইসঙ্গে বিগত বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে কী পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে, তা নির্ণয়ে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনের জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মনজিল মোরসেদ। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেন। একটি কমিশন গঠনের মাধ্যমে ঋণখেলাপি ও অর্থ আত্মসাৎকারীদের তালিকা করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সেই তালিকা দাখিলের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ আদালত এখনো জানাননি।

রিটের শুনানির সময় আদালত বলেন, বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংকিং খাতে এরইমধ্যে অর্থনৈতিকভাবে একটি নাজুক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খুব দ্রুত বন্ধ করতে হবে। অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করে একটি শক্তিশালী জায়গায় নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষা যেমন জাতির মেরুদণ্ড, অর্থ তেমনই একটি দেশের মেরুদণ্ড, যার ওপর দেশ দাঁড়িয়ে থাকে।

আদালত আরো বলেন, সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংকে নিয়ম-নীতি মেনে ঋণ দেয়ার কথা ছিল। যদি তা না-মানা হয়, যারা যারা ঋণ গ্রহণ ও অর্থপাচার করেছেন, তাদের তালিকা এবং তাদের আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার করে একটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে হবে। এছাড়া, ওই আত্মসাতের অর্থ দেশ কিংবা বিদেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তা ফিরিয়ে আনতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ব্যাংকিং খাতে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, প্রাইভেট ও পাবলিক ব্যাংকগুলোতে ব্যাংকঋণের ওপর সুদ মওকুফের বিষয়ে তদন্ত এবং তা বন্ধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিশন গঠন করার অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছাড়াও নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন— মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইআরপিবি) পক্ষে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে ব্যাংকিং খাতে অনিয়মের বিষয় তদন্ত ও প্রতিরোধে সুপারিশ প্রনয়নের জন্য ১৯৫৩ সালের ইনকোয়ারি কমিশন অ্যাক্টের অধীনে একটি কমিশন গঠনের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিশের কোনো সদুত্তর না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর