ব্রেকিং:
পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি বাংলাদেশে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে রয়েছে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী হুজুর সেজে ধর্ষককে ধরলেন পুলিশ কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা জরুরি বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩ ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের রমণীদের পছন্দ বাংলাদেশি ছেলে রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় মিয়ানমারের তদন্ত দল টাইগারদের হেড কোচ হলেন রাসেল ডমিঙ্গো ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’ ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কুমিল্লায় র‌্যাবের অভিযানসাড়ে ৫০০ ইয়াবাসহমাদক ব্যবসায়ী আটক স্মার্টকার্ড পাবে ছয় বছরের শিশুও! ডেঙ্গু আক্রান্তদের ৮৪ শতাংশ সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ল্যান্ড ফোনের মাসিক লাইন রেন্ট বাতিল প্রসব বেদনা নিয়েই ছয় কিলোমিটার হাঁটলেন কাশ্মীরি মা যুদ্ধ শুরু! ভারতের ৫ পাকিস্তানের ৩ সেনা নিহত ঈদের আগে ৯ দিনে সর্বোচ্চ রেমিটেন্সের রেকর্ড সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিচ্ছে মিয়ানমার

সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

কুমিল্লার ধ্বনি
২৪১

‘এখন ওরা কী খাচ্ছে, জানি না’

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৯  

সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় ভারত। তারপর থেকেই সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দু'দিন আগে কাশ্মীর থেকে দিল্লিতে আসা জম্মু-কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের এক নেতা বলেন, আমার চার বছরের মেয়েটা এখন কাশ্মীরে আছে। 

গত ৪৮ ঘণ্টা ওর গলা শুনিনি। জানি না কেমন আছে? তিনি আরো বলেন, এই মানসিক অবস্থা শুধু আমার একার নয়, প্রত্যেক কাশ্মীরবাসীর।

গত রোববার মধ্যরাত থেকে সেখানে ফোন, টেলিভিশন, ইন্টারনেটসহ সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। সে সময় কাশ্মীরেই ছিলেন তিনি।

এই নেতা বলেন, মনে হচ্ছিল, বিচ্ছিন্ন কোন দ্বীপে রয়েছি। এই দেশের নাগরিক হয়ে অন্য প্রান্তের খবর জানার অধিকার নেই। সর্বত্র কারফিউ জারি রয়েছে। রাস্তায় সেনারা টহল দিচ্ছে।

তিনি বলেন, খাবারের দোকান, ওষুধের দোকান, বাজার-ঘাট সব বন্ধ। মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ধরপাকড় চলছে। আমার দল জম্মু-কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের অনেককেই আটক করা হয়েছে। অথচ, ভারতীয় মূল ধারার সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে, কাশ্মীরে নাকি সব স্বাভাবিক!

তিনি বলেন, আমি গত পরশু দিল্লি এসেছি। পরিবারের সবাই নিষেধ করছিল। আমার পরিবার এখন কেমন আছে জানি না। জানতাম, এমনই ঘটবে। কিন্তু আমার মনে হয়েছিল, কাশ্মীর থেকে বাইরে আসা জরুরি। যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন একটা শহরে বসে থাকলে ওখানকার কথা কেউ জানতে পারবেন না। তাই ঈদেও বাড়িও যাব না। ঈদ পালনও করব না।

তিনি আরো বলেন, আমার বাড়িটা বিমানবন্দরের কাছেই। সেটুকু দূরত্ব পেরোতেই নাজেহাল হতে হয়েছে। বারবার চেক পোস্টে গাড়ি দাঁড় করানো হচ্ছিল। বিমানবন্দরে পৌঁছে দেখলাম, যারা দেশের অন্য প্রান্ত থেকে কাশ্মীরের বাড়িতে ফিরছেন, তারা দাঁড়িয়ে আছেন। 

কীভাবে ঘরে পৌঁছাবেন কারো জানা নেই। কোনও গাড়িই চলছিল না। বাড়িতে জানিয়ে যে, আগাম গাড়ি আনিয়ে রাখবেন তারো কোন উপায় নেই। ফোন বন্ধ। তবে আজ থেকে নাকি ট্যাক্সি চলছে।

বাড়িতে রেশন ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে। এখন ওরা কী খাচ্ছে, জানি না। যাদের বাড়িতে কেউ অসুস্থ, তাদের হাসপাতাল পর্যন্ত যাওয়ার উপায় নেই। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের নিয়ে ভয়ে ভয়ে রয়েছেন তাদের পরিবার। 

অনেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কারণ, প্রসববেদনা যখন উঠবে, তখন হাসপাতালে ঠিকঠাক পৌঁছানো যাবে কি না, তার নিশ্চয়তা নেই।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর