ব্রেকিং:
শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে: কাদের পঙ্গু-বয়স্কদের জন্য ইউএনওর ‘কলিং বেল’ সেবা বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী তিনি পাখি রক্ষায় গোপালগঞ্জের ডিসির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পিঁয়াজের কারণে কফি হাউসে বন্ধ হল জনপ্রিয় খাবার বিয়ের পাঁচদিন পরই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে তালাক পাঁচ নারী পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক ৩৯তম বিসিএসে আরো ১৬৮ জন চিকিৎসক নিয়োগ দুই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনে মেয়েদের একা ভ্রমণে পুলিশের পরামর্শ শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস তিন মাসে ২৯ হাজার বিচারপ্রার্থীকে সরকারি খরচায় আইনি সেবা কারাদন্ডপ্রাপ্ত আদম বেপারী গ্রেপ্তার ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তায় হেলথ ক্যাম্প উদ্বোধন বাঁচতে চায় ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের শিক্ষক ভিক্টোরিয়া কলেজে বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি মেধাবী হওয়াটাই বড় নয়, মানুষ হওয়াটাই বড় জেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক লবিং ছাদ থেকে পড়ে নারীর মৃত্যু শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
২৯৩

‘এখন ওরা কী খাচ্ছে, জানি না’

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৯  

সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় ভারত। তারপর থেকেই সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দু'দিন আগে কাশ্মীর থেকে দিল্লিতে আসা জম্মু-কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের এক নেতা বলেন, আমার চার বছরের মেয়েটা এখন কাশ্মীরে আছে। 

গত ৪৮ ঘণ্টা ওর গলা শুনিনি। জানি না কেমন আছে? তিনি আরো বলেন, এই মানসিক অবস্থা শুধু আমার একার নয়, প্রত্যেক কাশ্মীরবাসীর।

গত রোববার মধ্যরাত থেকে সেখানে ফোন, টেলিভিশন, ইন্টারনেটসহ সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। সে সময় কাশ্মীরেই ছিলেন তিনি।

এই নেতা বলেন, মনে হচ্ছিল, বিচ্ছিন্ন কোন দ্বীপে রয়েছি। এই দেশের নাগরিক হয়ে অন্য প্রান্তের খবর জানার অধিকার নেই। সর্বত্র কারফিউ জারি রয়েছে। রাস্তায় সেনারা টহল দিচ্ছে।

তিনি বলেন, খাবারের দোকান, ওষুধের দোকান, বাজার-ঘাট সব বন্ধ। মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ধরপাকড় চলছে। আমার দল জম্মু-কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের অনেককেই আটক করা হয়েছে। অথচ, ভারতীয় মূল ধারার সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে, কাশ্মীরে নাকি সব স্বাভাবিক!

তিনি বলেন, আমি গত পরশু দিল্লি এসেছি। পরিবারের সবাই নিষেধ করছিল। আমার পরিবার এখন কেমন আছে জানি না। জানতাম, এমনই ঘটবে। কিন্তু আমার মনে হয়েছিল, কাশ্মীর থেকে বাইরে আসা জরুরি। যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন একটা শহরে বসে থাকলে ওখানকার কথা কেউ জানতে পারবেন না। তাই ঈদেও বাড়িও যাব না। ঈদ পালনও করব না।

তিনি আরো বলেন, আমার বাড়িটা বিমানবন্দরের কাছেই। সেটুকু দূরত্ব পেরোতেই নাজেহাল হতে হয়েছে। বারবার চেক পোস্টে গাড়ি দাঁড় করানো হচ্ছিল। বিমানবন্দরে পৌঁছে দেখলাম, যারা দেশের অন্য প্রান্ত থেকে কাশ্মীরের বাড়িতে ফিরছেন, তারা দাঁড়িয়ে আছেন। 

কীভাবে ঘরে পৌঁছাবেন কারো জানা নেই। কোনও গাড়িই চলছিল না। বাড়িতে জানিয়ে যে, আগাম গাড়ি আনিয়ে রাখবেন তারো কোন উপায় নেই। ফোন বন্ধ। তবে আজ থেকে নাকি ট্যাক্সি চলছে।

বাড়িতে রেশন ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে। এখন ওরা কী খাচ্ছে, জানি না। যাদের বাড়িতে কেউ অসুস্থ, তাদের হাসপাতাল পর্যন্ত যাওয়ার উপায় নেই। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের নিয়ে ভয়ে ভয়ে রয়েছেন তাদের পরিবার। 

অনেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কারণ, প্রসববেদনা যখন উঠবে, তখন হাসপাতালে ঠিকঠাক পৌঁছানো যাবে কি না, তার নিশ্চয়তা নেই।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর