ব্রেকিং:
কুমিল্লায় ঘরে ঘরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ কুমিল্লায় প্রাইভেটকার খালে, স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩ রোগ-ব্যাধি ও বিপদ-আপদ থেকে মুক্তির দোয়া নজরদারিতে গুজব সৃষ্টিকারীরা করোনায় অর্ধশত বাংলাদেশির মৃত্যু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছেয়ে গেছে সাগরলতায় ত্রাণ নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী করোনা নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে জেকে ব্রেকিং নিউজসহ বেনামি নিউজ পোর্টাল! কুমিল্লায় হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা কমছে: আছে ১ হাজার ৬০ জন পাঁচ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নগরীর সংরাইশে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা ঘরে থাকা অসহায়-কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ সদরের নিশ্চিন্তপুরে যুবকের ঝুঁলন্ত লাশ উদ্ধার বরুড়ায় করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ ও জীবাণুনাশক স্প্রে প্রদান কর্মহীন পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন কানাডা প্রবাসী ১৫ হাজার অসহায় পরিবারকে দেয়া হবে খাদ্য সহায়তা কুমিল্লায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধ নিহত কুমিল্লায় গৃহপরিচারিকা ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার ৮ হাজার পরিবারকে খাবার দিল কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ৫০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন হিরো আলম
  • মঙ্গলবার   ৩১ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৭ ১৪২৬

  • || ০৬ শা'বান ১৪৪১

করোনা মোকাবিলায় সিঙ্গাপুরের যে পদক্ষেপগুলো অনুসরণীয়

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২০  

লাগামহীন করোনার লাগাম টেনে ধরেছে সিঙ্গাপুর। যেখানে করোনা আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব এমনকি পুরো এশিয়া যেখানে করোনায় ছোবল থেকে মুক্তি পায়নি সেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে সিঙ্গাপুরবাসী। 

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান,গীর্জা, স্কুল, রেঁস্তোরা সবকিছুই চলছে আগের নিয়মে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়েছে, মারা গেছে ২ জন।

এর আগে ২০০২-২০০৩ সালে সার্সের মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সিঙ্গাপুর। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার করোনাকে মোকাবেলায় সব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

প্রথমেই আইসোলেশন হাসপাতাল বানানো হয়েছে, রোগীদের জন্য বিশেষ রুমেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চীনের উহানে করোনা উদ্ভবের পরে থেকেই এর ভয়াবহতা সম্পর্কে অনুমান করেছিল সিঙ্গাপুর। সেই থেকেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। 

যে বা যার করোনা পজেটিভ এসেছে তাকে প্রথম থেকেই আলাদা রাখা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টা অনেক সচেতনভাবে তদারকি করেছে তারা। কোয়ারেন্টাইনের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা, আলাদা বাথরুম ব্যবহার, বাসায় কোনো অতিথি গ্রহণ না করা ইত্যাদি বিষয়। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত রোগীর সেবা করা হয়েছে। যাদের ঝুঁকির পরিমাণ মোটামুটি তাদেরকে হাসপাতালে রাখা হয়েছিল।

যারা সেল্ফ আইসোলেশনে ছিল তাদের সবার ফোন ট্র্যাকিং করে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে আক্রান্তদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করে। সামান্য লক্ষণে দেখা দিলেই তাদেরকে টেস্ট করানো হয়। শতকরা এক ভাগেরও কম মানুষের টেস্ট পজেটিভ আসে। যাদের মধ্যে কোন লক্ষণ দেখা দেয় না তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এক্ষেত্রেও কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। দিনে কয়েকবার, আপনি একটি এসএমএস পাবেন এবং আপনাকে একটি লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে যা আপনার ফোনটি কোথায় তা দেখিয়ে দেবে।

আপনি যদি  প্রতারণা করেন এবং আপনার ফোনটি অন্য কারও কাছে ঘরে রেখে যান, তবে সরকারের  লোকেরা যখন তখন দরজায় নক করবে। অমান্য করলে জরিমানা হবে বেশ কঠোর। তবে একান্তই বাইরে যাওয়ার দরকার হলে জনাসমাগম এড়াতে হবে, মাস্ক পরতে হবে। রেঁস্তোরা ও বারগুলোতে তাদের ব্যবসায়কে সংকুচিত করতে বলা হয়েছে, কারণ লকডাউন করা কোনো সমাধান না। এতে মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পরবে বলে ধারণা সিঙ্গাপুরবাসীর।

মোট কথা অন্যান্য দেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কি করা উচিত সে বিষয়ে প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গাপুর। কিছুদিন পরপরই  সচেতন করে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী। আর এসব সচেতনতাই  দেশটিকে প্রাণঘাতী করোনায় মোকাবেলায় সাহায্য করছে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
করোনাভাইরাস বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর