ব্রেকিং:
দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের নতুন রেকর্ড, মৃত্যু ৩৭ নিজেরা আক্রান্ত হয়েও সেবায় পিছিয়ে নেই চিকিৎসাকর্মীরা করোনা সঙ্কটেও মে মাসে দেড় বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনে আরও কঠোর হবে সরকার সংক্রমণ বিবেচনায় তিনটি জোনে ভাগ হবে দেশের বিভিন্ন এলাকা বাংলাদেশী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের প্রতিশ্রুতি লিবিয়ার চলমান ক্ষুদ্র ও বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ছে ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরী তহবিল এটিএম বুথ এখন গ্রামেও করোনা-উত্তর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার মূল লক্ষ্য গণপরিবহনে উঠার সময় এখন যেসব বিষয় না মানলেই বিপদ! বেলা বাড়তেই সামাজিক দূরত্ব উধাও পুকুর গিলে খাচ্ছে সড়ক, জনমনে আতঙ্ক গলা টিপে হত্যার পর শিশুকে গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখলেন সৎ মা চাঁদপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে, মৃত্যু বেড়ে ১৮ ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিলো পাঁচ পুলিশ! কুমিল্লায় করোনায় আক্রান্ত ১ হাজার ছাড়াল মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হলে ৬ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করোনা প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ ২০৭ কোটি টাকা এসএসসির সব সূচকেই ভাল ফল
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

১০৬৮

কাজ ছাড়াই টাকা বাগিয়ে নিল ঠিকাদার

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কমপ্লেক্সটির তৃতীয় শ্রেণির একটি আবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। কিন্তু কাজ না করেই টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এমনি অভিযোগ উঠেছে খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে।

হাসপাতালের তথ্যমতে, তৃতীয় শ্রেণির আবাসিক ভবনটির সংস্কারের জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পাঁচ লাখের অধিক টাকা বরাদ্দ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজ। পরবর্তীতে ঠিকাদারের লোকজন ভবনের ভেতর ও বাইরের দেয়ালে কোনো রকম রঙ-তুলির আঁচড় দিয়ে পানি-বিদ্যুৎসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো না করেই চলে যায়। বিষয়টি ওই ভবনের স্বাস্থ্য সহকারী ডাক্তার মো. আসলাম হোসেন জমাদ্দার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে জানান।

এ সময় তারা বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই, নিয়মানুযায়ী ভবনের সব কাজ করে দেয়া হবে। কিন্তু মিথ্যা আশ্বাসে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে পুরো বিল তুলে নেয় ঠিকাদার।

ডাক্তার আসলাম হোসেন বলেন, ভবনটির কাজ না করায় পরিবার-পরিজনকে বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে ব্যক্তিগত ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। এছাড়া থাকার কোনো পরিবেশ ছিল না।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মো. জামাল হোসেন শোভন বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে দেয়নি। এছাড়া তারা হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

প্রকৌশলী মো. এনামুল হক তালুকদার বলেন, ভবনটির কাজ সঠিকভাবে করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারের কোনো গাফিলতি নেই। ভবনটিতে যারা থাকেন তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।

সিভিল সার্জন জিকে শামসুজ্জামান বলেন, অনেক ঠিকাদার কাজে নানা অনিয়ম করে থাকেন। এমনকি কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ কাগজপত্রে সাক্ষর পর্যন্ত নেয় না। তবে বিষয়টির খোঁজখবর নেয়া হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি