ব্রেকিং:
আরো ৩ দিন শৈত্যপ্রবাহ থাকবে হোমনা টু কুমিল্লা একতা ডিজিটাল বাস সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন দেশে থাকবে না কোন অবৈধ রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং আন্দোলন নামতে অনীহা বিএনপির, চটেছেন তারেক রহমান বাইডেনের শপথ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ অঙ্গরাজ্যে সতর্কতা প্রধানমন্ত্রী নিয়ে শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোর লেন প্রকল্প নিয়ে চাঁদাবাজি দুজনকে গ্রেফতার মতলবে ডিশ ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ৫ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় বিজয়ী কাউন্সিলর নিহত ৪৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের জয় প্রার্থীদের নিয়ে আচরনবিধি সংক্রান্ত প্রশাসনের মত-বিনিময় মাদ্রাসা ছাত্রীকে এক বছর ধরে ফুসলিয়ে ধর্ষণ মাদক ও ইভটিজিং বিরোধী ফ্রিজকাপ মিনি ফুটবল টূর্ণামেন্ট কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর ফ্রি ভেটেরিনারী ক্যাম্পেইন বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীরা জেনে নিন দেশে একদিনের ব্যবধানে মৃত্যু বেড়েছে নতুন ঠিকানায় যাওয়ার অপেক্ষায় খানসামার ৪১০ গৃহহীন পরিবার নরওয়েতে ফাইজারের টিকা নেয়ার পর ২৩ জনের মৃত্যু ফখরুলকে হঠাতে গোপন কার্যক্রমে লিপ্ত রিজভী বাড়তি চমক দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন জ্যাকলিন
  • রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৪ ১৪২৭

  • || ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

১১০

কুমিল্লার কৃষি জমিতে ভাইরাস রোগ!

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০২০  

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এবার কৃষি জমি ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে। কয়েক হেক্টর জমির আমন ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে কৃষক ও কৃষাণিদের মাথায় হাত পড়েছে।

কৃষকদের সমস্যা সমাধান ও পরামর্শ দেয়ার জন্য প্রত্যেকটি ইউনিয়নে উপ-সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কৃষি কর্মকর্তা থাকলেও কৃষকরা কখনো ওই কর্মকর্তাকে দেখেন নাই বলে তারা দাবী করছেন। ১৩ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মাঝে ৫০ হেক্টর জমির ধানে টুনডো ভাইরাস ও অপুষ্টি জনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ফসলের সমস্যা দেখা দেওয়ার পর থেকেই কৃষক জমিতে নিয়মিত ওষুধ প্রয়োগ করলেও ধানের কোনো উন্নতি চোখে পড়ছে না। একই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অন্য জমির ধান গাছ গুলোও। ধান গাছের এ রোগের নাম ‘টুনডো’ ভাইরাস বা অপুষ্টি জনিত রোগ।

সরেজমিনে হেসাখাল ইউনিয়ন, মোকরা ইউনিয়ন, রায়কোট দক্ষিণ, পেরিয়া ইউনিয়ন গিয়ে দেখা যায়, ধান গাছের বাস্তব চিত্র। খেতের পর খেত ধান গাছের শীষ লালচে বর্ণ ধারণ করেছে। শীষ শক্ত হয়ে হেলে পড়ছে। ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, ওষুধ দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। অনেক কৃষক এই রোগটির হাত থেকে ধানকে বাঁচাতে সতর্কতা হিসেবে ওষুধ প্রয়োগ করছেন। কিন্তু কোন ভাবেই খেতের ফসল ভালো করতে পারছেন না তারা।

হেসাখাল ইউপির পাটোয়ার গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, তার ৪৮ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। ৪৬ জাতের ২৪ শতক ও ২২ জাতের ১২ শতক ধান নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষি অফিস থেকে তাকে কখনো সহযোগিতা করা হয়নি। মৌকরা ইউপির তফৈইয়া গ্রামের কৃষানি রাসিদা বেগম বলেন, তার ৫২ জাতের ৬০ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষি অফিসার আছে এমন কথা শুনেছি, কিন্তু কখনো চোখে দেখিনি। রায়কোট দক্ষিণ ইউপির মগুয়া গ্রামের কৃষক শাহজাহান জানান, ২৮ জাতের ৪৮ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে । কৃষি অফিসারকে কখনো তিনি দেখেননি বলে দাবি করেন।

নাঙ্গলকোট উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জাহিদুল ইসলাম বলেন, এবার নাঙ্গলকোটে ১৩ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মাঝে ৫০ হেক্টর জমির ধানে টুনডো ভাইরাস ও অপুষ্টি জনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে লক্ষ মাত্রার কোন ব্যঘাত হবেনা।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর