ব্রেকিং:
বিয়ের দিন বাড়িতে হাজির প্রথম স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ৫০ থেকে একশ শয্যায় উন্নীত হবে সব হাসপাতাল সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ২ রাজমিস্ত্রির মজুতদারি করে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা ইঞ্জিনে ওভার হিট, মহাখালীতে প্রাইভেটকারে আগুন ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ফিরে পেলেন ট্রাম্প অবশেষে ঝুঁকিপূর্ণ তিন রাস্তার সংযোগস্থলে গতিরোধক স্থাপন বাঙালি বিশ্ব মোড়লদের ধার ধারে না: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী যেসব কারণে ব্যাপক চাপ থাকবে সড়কে সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সরকারের কোটা সংক্রান্ত পরিপত্র বলবৎ হয়েছে পানি নিষ্কাশনে ডিএনসিসির ৫ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী কাজ করছে সময় টিভির সাংবাদিকদের উপর কোটা বিরোধীদের হামলা প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গাজায় ‘যুদ্ধাবসানের সময় এসেছে’: বাইডেন ন্যাটো-রাশিয়াকে সংঘাতের ব্যাপারে সতর্ক করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রাজধানীসহ সারাদেশে ভারী বৃষ্টি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার চীনা গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর
  • রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

কুমিল্লায় শাড়িতে নকশার কাজে ভাগ্য বদল

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৮ জুলাই ২০২৪  

জেলার হোমনা উপজেলার শাড়ি পল্লী খ্যাত আলিপুরে শাড়িতে নকশা তোলা শাড়ি মেশিনের ঝিনঝিন শব্দে সুন্দর সুখের স্বপ্ন বুননে ব্যস্ত কারখানার শ্রমিকরা। উপজেলা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে গেলে শাড়ি মেশিনের ঝিন ঝিন শব্দই বলে দেয় স্বনির্ভর গ্রামটির অবস্থানের কথা। এক অনাগত ভবিষ্যতের সুন্দর স্বপ্ন বুনায় আত্মনিয়োগ করেছেন নকশা পল্লীখ্যাত আলীপুর গ্রামের কয়েকজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।
শাড়িতে নকশা তোলার কাজ করে স্ববলম্বী হয়েছে আলীপুর গ্রামের অনেক পরিবার। এ কাজে স্বচ্ছলতা এবং স্বাচ্ছন্দ দুই-ই এসেছে তাদের। একটি শাড়ি জমকালো ও মোহনীয় করতে প্রথম ধাপে করতে হয় আঁড়ির নকশা। তারপর পুথি, পাথর, চুমকি ছাড়াও করতে হয় আরো অনেক সুঁচিকর্ম। দিন দিন এর চাহিদা বাড়তে থাকায় বর্তমানে ওই গ্রামে ৫০ টিরও বেশি শাড়ি কারখানা গড়ে উঠেছে।
সম্প্রতি সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শাড়ি শিল্পে ভাগ্য বদলেছে উপজেলার দড়িচর, নোয়াগাঁও, ভিটি কালমিনাসহ আরো কয়েকটি গ্রামের খেঁটে খাওয়া মানুষগুলোর জাীবনে। প্রত্যেকের বাড়িতেই টিনশেড বিল্ডিং। প্রত্যেকের মুখেই স্বাচ্ছন্দের হাসি।  জানা যায়, এ গ্রামেরই গাজী আবদুল বারেক নামের এক ব্যক্তি প্রথম এ পেশায় প্রবেশ করেন। তারপর উদ্যমী কিছু লোককে এ পেশায় আত্মনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করেন তিনি। ব্যবসায়ী এবং শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেকার সময় কাটানোর মতো লোক এ গাঁয়ে এখন আর পাওয়া যাবে না।
কারখানা শ্রমিক আলমগীর বলেন, প্রতি সপ্তাহে এক এক জন শ্রমিক ৫-৮ টি শাড়িতে নকশা তুলে দুই/আড়াই হাজার টাকা রোজার করতে পারছে। আলীপুর গ্রামের শাড়ি শিল্পীরা সারা বছরই এ কাজে ব্যস্ত থাকেন।  আলীপুর গ্রামের একটি কারখানার মালিক লিটন বাসসকে বলেন, ঢাকার বড় বড় শপিং কমপ্লেক্সের দোকানের মালিকদের অর্ডার অনুযায়ী কাজ করে থাকেন। তাদের দেওয়া ডিজাইন অনুযায়ী কাজ করে তাদের মাল ডেলিভারী দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, গ্রামের ছেলে মেয়েরা এ কাজ করে সবাই এখন দক্ষ কারিগর হয়ে ওঠেছে। সবাই এখন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকছে।