ব্রেকিং:
দেশে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৪২৩, মৃত্যু ৩৫ বিজিবিতে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক জলযান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাঠানো খাদ্যসামগ্রী টাওয়ার হেমলেটসের ফুড ব্যাংক ৮ জুন ঢাকায় আসবে চীনের করোনা বিশেষজ্ঞ দল বসুন্ধরার ২০০০ শয্যার করোনা হাসপাতালে সেবা প্রদান শুরু বাস–মিনিবাসে বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পছন্দের শিক্ষকের পাঠদান এখন মোবাইলে অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে সর্বোচ্চ রিজার্ভ করোনা ভাইরাসের মধ্যেও থেমে নেই মেগা প্রকল্প ঘরে বসে দুই মিনিটেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ৭ উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর তিন দফা প্রস্তাব পেশ জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ নির্দেশনা বাংলাদেশ থেকে শিখতে পারে বিশ্ব চাঁদপুরে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু নবীনগরে এবার হতদরিদ্রদের ৪০ দিনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! কুমিল্লায় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অধিকাংশ পরিবহন চাঁদপুরে নতুন করে ১৭ জনের করোনা শনাক্ত জন্মদিনে জমকালো আয়োজন, এসআই প্রত্যাহার কুমিল্লায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১৬৩
  • শুক্রবার   ০৫ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪১

৪৫৪

কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘর

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০১৯  

শিক্ষা, শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতির পীঠস্থান হিসেবে কুমিল্লার অতীত ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। খাদি কাপড় এবং রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত এই জেলাটি এক সময় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিলো। অতীত কাল হতেই একে ঘিরে গড়ে ওঠে সমৃদ্ধ এক জনপদ। এই অঞ্চলের এই সমৃদ্ধির সাক্ষ্য পাওয়া যায় এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা প্রাচীন পুরাকীর্তির। এইসব পুরাকীর্তির খননকালে মাটির নিচ হতে উদ্ধার করা হয় মূল্যবান পুরাতত্ত্ব সামগ্রীর। এইসব পুরাকীর্তির সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য এখানে গড়ে তোলা হয় ময়নামতি জাদুঘর।
১৯৬৫ সালে কুমিল্লা কোটবাড়ির শালবন বিহারের দক্ষিণ পাশে শালবনকে সামনে রেখে পশ্চিমমুখী এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়। এই জাদুঘরে ভবদের মহাবিহার, কোটিলা মুড়া, চারপত্র মুড়া, রূপবানমুড়া, ইটাখোলা মুড়া, আনন্দ বিহার, রানীর বাংলা ও ভোজ রাজার বাড়ি বিহারের খননকালে প্রাপ্ত নানা মূল্যবান পুরাতত্ত্ব এখানে জায়গা করে নেয়।
পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে জাদুঘরটিকে বর্ধিত করা হয় এবং এটি এখন ইংরেজি T আকৃতি ধারণ করে। এখানে মোট ৪২ টি আঁধার রয়েছে যেগুলোয় পুরাকীর্তি গুলো প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান খনন হতে প্রাপ্ত বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষের ভূমি নকশা, ধাতু লিপি ফলক, প্রাচীন মুদ্রা, মৃন্ময় মুদ্রক-মুদ্রিকা, পোড়া মাটির ফলক, ব্রোঞ্জ মূর্তি, পাথরের মূর্তি, লোহার পেরেক, পাথরের গুটিকা, অলংকারের অংশ এবং ঘরে ব্যবহৃত মাটির হাড়ি পাতিল এখানে প্রদর্শিত রয়েছে। এছাড়া আছে কিছু পাথর ও ছোট বড় ব্রোঞ্জ মূর্তি। জাদুঘরে প্রদর্শনের উল্লেখযোগ্য পাথর ও ব্রোঞ্জ মূর্তি গুলোর মধ্যে রয়েছে- বিভিন্ন ধরনের পাথরের দণ্ডায়মান লোকোত্তর বুদ্ধ মূর্তি, ত্রি বিক্রম বিষ্ণুমূর্তি, তারা মূর্তি, মরীচি মূর্তি, মঞ্জুরের মূর্তি, পার্বতী মূর্তি, হরগৌরী মূর্তি, নন্দী মূর্তি, মহিষমর্দিনী মূর্তি, মনসা মূর্তি, গণেশ মূর্তি, সূর্য মূর্তি, হেরুক মূর্তি এবং ব্রোঞ্জের বজ্রসত্ত্ব মূর্তি।
এছাড়াও এই পুরাকীর্তির জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে বিভিন্ন স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক, কাঠের কাজের নিদর্শন, মৃৎপাত্র ও প্রাচীন হস্ত লিপির নানা পাণ্ডুলিপি। এতো সব মূল্যবান এবং ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির পাশাপাশি এখানে সংরক্ষিত আছে প্রায় ৩৭০ কেজি ওজনের ব্রোঞ্জের তৈরি বিশাল এক ঘণ্টা।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর