ব্রেকিং:
নবীনগরে মোবাইল রিচার্জের তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষে আহত ৮ সন্ত্রাসী হামলা, তিন বাড়িসহ ১১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর বাড়ির পাশে ঘাস কাটতে গিয়ে ফিরে আসেনি মেয়েটি এখনো বিপদসীমার উপরে তিতাসের পানি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই ভাইসহ ৩ শিশুর মৃত্যু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশ আত্মনির্ভরশীল হবে সীমার মাঝে অসীম তুমি অস্ট্রিয়ায় `বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০` উদ্বোধন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার আধুনিক রূপ হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ: পলক জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার ॥ প্রধানমন্ত্রী মানুষ যেন উন্নত জীবন পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী অসহায়দের মুখে খাবার তুলে দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে দেশে হিন্দু বৌদ্ধ মুসলমান খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই: তথ্যমন্ত্রী ঈদে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চেক সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিলেন মাশরাফি মতলবিরা সফলতার দুর্গে ফাটল ধরানোর অপচেষ্টা করছে: কাদের খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ২০২ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক নাটোরে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ভাত-মাংস পাঠালেন পলক অসহায় ও দুস্থদের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পশু কোরবানী মহামারির সময় সরকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৩৮১

কুমিল্লা শহরে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, নেই সতর্কতা

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২০  

কুমিল্লা শহরে (সিটি কর্পোরেশন এলাকায়) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ; ঘটছে প্রাণহানীও। কিন্তু তবুও সতর্ক হচ্ছে না মানুষজন; মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। ভিড় জমাচ্ছে সড়কে-শপিংমলে; জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছে দোকানপাটে।

কুমিল্লা শহর এলাকায় দিন দিন বাড়তে থাকা সংক্রমণ ছাপিয়ে গেছে ‘করোনার হটস্পট’ খ্যাত জেলার দুই উপজেলা দেবীদ্বার (১৭৩ জন) ও মুরাদনগরকেও (১৫৯ জন)। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, শুক্রবার (বেলা ১২টা) পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২১৬।

আর জেলাজুড়ে আক্রান্তের এ সংখ্যা ১২শ ৭১। এর মধ্যে করোনাভাইরাসে জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪১ জন। এছাড়া প্রতিদিনই উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে কুমিল্লায়। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতেই কুমিল্লা শহরে উপসর্গ নিয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। তার আগের দিন বুধবার শহরে করোনায় মারা গেছেন দু’জন। এদিন উপসর্গ নিয়ে মারা যান আরো তিনজন।

এদিকে কুমিল্লা শহরে কোভিড-১৯ রোগী বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা বলছেন, শহরের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন, হাটবাজার ও জনাকীর্ণ এলাকা খোলা থাকার কারণে ৩১ মে থেকে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছে। বিপণিবিতান ও শপিং মলগুলোয় নারীদের উপচেপড়া ভিড়। এই কারণে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

গেলো ক’দিন কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরেও দেখা গেছে একই চিত্র। নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় ছাড়াও শাসনগাছা, টমসমব্রিজ, চকবাজার, রাজগঞ্জসহ প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের ভিড়। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। হাটবাজার-শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়, রাস্তা-ঘাটে মানুষের জটলা।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত ৩১ মে থেকেই কুমিল্লা শহরে কোভিড সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে। ৩১ মে কুমিল্লায় শহরে সর্বোচ্চ ৩৬ জন করোনায় আক্রান্ত হন। কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকার ‘ধারাবাহিকতায়’ সর্বোচ্চ এ আক্রান্তের সংখ্যাকে ছাপিয়ে যায় ৩ জুন (বুধবার )। এদিন কুমিল্লা শহর এলাকায় ৪৮জনের করোনা শনাক্ত হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নগরীতে আক্রান্ত হন ১৭ জন। এর আগে ২ জুন ১৪ জন, ১ জুন ২১ জন, ৩০ ও ২৯ মে ৭ জন করে কুমিল্লা শহরে করোনায় আক্রান্ত হন।

এদিকে কুমিল্লা শহরে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘কুমিল্লায় করোনা সংক্রমণ বাড়ছেই। আগে উপজেলা পর্যায়ে আক্রান্ত বেশি ছিলো। কিন্তু ইদানিং শহর এলাকায় রোগী বাড়ছে। তাই শহরবাসীকে সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। তা না হলে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়তেই থাকবে।’

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর