ব্রেকিং:
পানিতে ডুবে চাচাতো জেঠাতো ভাইয়ের করুণ মৃত্যু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ৮ বিভাগে কেন্দ্র করে স্ব-শরীরে নেয়া হবে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা পুনর্নির্ধারণ হচ্ছে আলুর দাম: কৃষিমন্ত্রী ধর্ষণ প্রতিরোধে বিশিষ্ট নাগরিকদের সাত প্রস্তাব দেশে করোনায় একদিনে আক্রান্ত-মৃত্যু কমেছে ‘ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার’ তরুণরাই উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার হাতিয়ার: পলক একনেকে ১৬৬৮ কোটি টাকার ৪ প্রকল্পের অনুমোদন প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দশ বছরের শিশুকে ২৫ বছর দেখিয়ে ধর্ষণ মামলা যেভাবে গ্রেফতার হল শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রে জড়িত তিন ছাত্র বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ সাগরের বুকে জেগে ওঠা এক টুকরো শহর মেঘনায় ইলিশ শিকারী ৫৫ জেলের জেল-জরিমানা আখাউড়া স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ জাতীয় সংগীত বিকৃত করায় মাদরাসার কার্যক্রম বন্ধ সারাদেশে শুরু হলো কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান রায়হানকে নির্যাতনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা অ্যাপের মাধ্যামে জানা যাবে মামলার সর্বশেষ তথ্য কিশোরীরাই টার্গেট, নগ্ন ভিডিও যায় ‘ডার্ক সাইটে’
  • বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

৬৮

গ্রাহকের ২০ লাখ টাকা নিয়ে এনজিও লাপাত্তা

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২০  

কুমিল্লার হোমনায় ঋণ দেয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে গ্রামীণ সেবা ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও সংস্থা। এখন তাদের অফিসের দরজায় ঝুলছে তালা। ৫০ হাজার টাকা ঋণ পেতে পাঁচ হাজার ও এক লাখ টাকা ঋণ পেতে ১০ হাজার টাকা জামানত রাখার কথা বলে এলাকার প্রায় ২০০ গ্রাহকের কাছ থেকে এ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে তারা।

এ ব্যাপারে মিশু আক্তার নামে এক ভুক্তভোগী নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করার পর বিষয়টি প্রশাসন জানতে পারে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা সমবায় অফিসারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা সদরের প্রবাসী আলাউদ্দিনের বাড়ির দোতলা ভাড়া নিয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সদস্য সংগ্রহ ও লোন কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি। এতে লোন দেয়ার নাম করে জামানতের ২০ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে তারা। অফিস বন্ধ পেয়ে গ্রাহকরা অফিসের সামনে ভিড় করছেন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, বাড়ির মালিক জামানতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এসএম আনোয়ারুল ইসলাম ও সুপারভাইজার সানজিদা আক্তার ও সালমা আক্তার গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) লোন দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার সকাল থেকেই অফিসে তালা দিয়ে তারা সবাই লাপাত্তা। বাড়ির মালিক এখন এর দায়িত্ব নিতে নারাজ। তিনি বলছেন- এদের কোনো ঠিকানা তার জানা নেই।

অভিযোগকারী মিশু আক্তার বলেন, আমাকে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৬০ হাজার টাকা জামানত রাখতে বলে। আমি বাড়ির মালিক উম্মেহানি ও তার বোন ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে কথা বলে ম্যানেজার এসএম আনোয়ারুল ইসলামের কাছে ৬০ হাজার টাকা জমা দেই। পরে আমাকে দুলালপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের দায়িত্ব দেয়। আমি তাদের কথা অনুযায়ী ১৭ লাখ টাকা লোন দেয়ার জন্য ১৭ জনের কাছ থেকে জামানত হিসেবে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে অফিসে জমা দেই। শনিবার লোন দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল থেকে কেউ অফিসে আসেননি, তাদের মোবাইলও বন্ধ রয়েছে। গ্রাহকরা আমাকে টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এদিকে বাড়ির মালিক এখন বলছেন তাদের নাকি তিনি চিনেন না। তাদের কোনো ঠিকানাও দিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে বাড়ির মালিক উম্মেহানি বলেন, এই এনজিওটি আমার বাড়ির দোতলা ভাড়া নেয়ার কথা বলে সাইনবোর্ড লাগিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। আগামী মাসে বাড়ি ভাড়ার চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। তবে কোনো গ্রাহক টাকা-পয়সা জমা দেয়ার ব্যাপারে আমার সঙ্গে আলোচনা করেননি।

হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমন দে জানান, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর