ব্রেকিং:
এপ্রিলেই মিলবে ক্ষতিপূরণের ১২০ কোটি টাকা জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি হলো বাংলাদেশ রোজা উপলক্ষে ভারত থেকে ৩৮০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি বাংলাদেশ-ভারত অকৃত্রিম বন্ধু: প্রণয় ভার্মা গণতন্ত্র সূচকে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ রাজস্ব ভাণ্ডার গড়ে তোলার ওপর প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার সামাজিক সংগঠন চাঁদমুখ এর কমিটি গঠন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কোয়াটার উদ্বোধন মতলব দক্ষিনে পৌর শ্রমিক লীগের পরিচিতি সভা স্মার্ট রাজনীতিতে দেশের স্বার্থ সবচাইতে আগে প্রাধান্য পাবে ফরিদগঞ্জে বৃদ্ধকে কুপিয়ে জখম : আটক ১ মনোনয়ন প্রত্যাশী রেদওয়ান খান বোরহানের গণসংযোগ ১০ দফা দাবিতে বিএনপি কুমিল্লা বিভাগীয় সমাবেশ আজ জনগণের মাঝে দীপু আপার উন্নয়নের কথা পৌঁছাতে হবে -আলী এরশ্বাদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মায়া চৌধুরীর জন্মদিন পালিত কচুয়ায় আমিনুল ইসলামকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান শেখ হাসিনা সরকার আমলে কেউ কষ্টে নেই: এমপি রুহুল শেখ হাসিনা দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য কাজ করছে কচুয়ায় ৫১ বছর পর অবশেষে কাঠালিয়া গ্রামবাসীর স্বপ্ন পূরন বুড়িচংয়ে ১৬৮ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
  • রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩  

দীর্ঘদিন ধরে নানান অভিযোগ দুর্নীতি, টিকেটের উচ্চ মূল্য, সরকারি ঔষধ অন্যত্রে বিক্রি করা, নানা ধরনের পরীক্ষা নিরিক্ষা হাসপাতালে না করে দালালদের মাধ্যমে পাশ্ববর্তী প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে করানো এবং রোগীদের হয়রানীর স্বিকারের অভিযোগের ভিত্তিতে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান পরিচালিত হয়।

সোমবার দুপুরে চাঁদপুর অঞ্চলের দুদকের সহকারী পরিচালক আজগর হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা হাসপাতারে উপস্থিত হয়ে এ সকল বিষয়ে খোঁজখবর নিতে সরোজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন। এ সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এ কে এম মাহাবুবুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে চাঁদপুর অঞ্চলের দুদকের সহকারী পরিচালক আজগর হোসেন এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, এ হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে আমাদের দুদকের প্রধান কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে আজকের এ অভিযান।

এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এ কে এম মাহাবুবুর রহমান জানান, আমাদের এ হাসপাতালে যে সকল পরীক্ষা নিরিক্ষা করার ব্যবস্থা নেই, সেই সমস্ত পরীক্ষাগুলো অন্যত্রে করানো হয়। আর যে পরীক্ষাগুলো এ হাসপাতালে করার ব্যবস্থা রয়েছে, তা আমরা নিয়মিত করে থাকি।

অনেক সময় রোগীর লোকেরাই তাদের নিজের ইচ্ছায় এখানে না করিয়ে বাহিরে নিয়ে যায়। আর ৫ টাকার টিকেট ১০ টাকা মূল্যে বিক্রি করার বিষয়ে একটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। আমি এ বিষয়ে এখন থেকে কঠোর নজরধারী রাখবো। যাতে নিয়মের বাহিরে কাহারো কাছ থেকে বেশি টাকা না নেয়া হয়।