ব্রেকিং:
নানান রোগের ঝুঁকি কমায় আকর্ষণীয় এই ফলটি এসব কারণে বিয়ে করলে পস্তাতে হতে পারে! গুগল ম্যাপে যোগ হচ্ছে নতুন ফিচার স্ত্রী’র রাগ-অভিমানে করণীয় এবার স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি কাওসারকে অব্যাহতি ১ম বর্ষের খাতা দেখছেন প্রভাষকের ৩য় বর্ষের শ্যালিকা কেরামতি দেখাতে কবরে নেমে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরলেন পীর (ভিডিও) আবরার হত্যায় রুমমেট মিজান পাঁচ দিনের রিমান্ডে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর ১ নভেম্বর থেকে ধরা খেয়ে ৫১ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ হলেন শিরিন আক্তার শিলা বিকাশের দোকানে ক্যাসিনো ব্যবসা, আটক ৫ সরকারি জমিতে বস্তি, নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি বিসিবির আশ্বাসে ক্রিকেটারদের আন্দোলন স্থগিত ক্যাসিনোকাণ্ড: দুই এমপিসহ ২২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা রেমিট্যান্স আয়ে এগিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা বিমান উড্ডয়নে যত্নবান হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণপাড়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলা ৪ কি. মি. জ্যামের নেপথ্যে.. এলাকাবাসীর হাতে ইয়াবা সম্রাট আটক

বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
১৮০

জনগণই ছিল বঙ্গবন্ধুর ‘দুর্বলতা’

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০১৯  

বঙ্গবন্ধুর এক ঘোষণার পর লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, আত্মত্যাগ করেছিলেন, প্রিয়জনকে হারিয়েছিলেন, নিঃস্ব হয়েছিলেন, এত ত্যাগের পর একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছিল বাঙালি জাতি। সেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন দেশে দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ ছুটে এসেছিল ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে। পাকিস্তানের কারাগারে ২৯০ দিন থাকার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বেলা ১টা ৪১ মিনিটে মহানয়ক ‘ব্রিটিশ কমেটে’ করে অবতরণ করেন। এরপর তিনি প্রায় আড়াই ঘণ্টা সময় নিয়ে রেসকোর্সে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পৌঁছান। সেখানে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।

ওই ভাষণে ‘আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে’, বঙ্গবন্ধু এ কথা বলছিলেন আর কাঁদছিলেন। একজন নেতা দেশের মানুষকে কতটা আপন করে নিতে পারেন, সেটা তখনই তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘ভাই হিসেবে নেতা হিসেবে নয়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, আমি তোমাদের ভাই, তোমরা আমার ভাই। এই স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনরা কাপড় না পায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এ দেশের যুবক শ্রেণি যারা আছে তারা যদি চাকরি না পায়, কাজ না পায়।’ 

বঙ্গবন্ধু কতটা শান্তিপ্রিয় ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নেতা ছিলেন তা ওইদিনের ভাষণে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। উপস্থিত সকলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমরা বাংলায় যারা কথা বলো না, তারা এখন থেকে বাংলার মানুষ হও। ভাইয়েরা, তাদের গায়ে হাত দিও না, তারাও আমাদের ভাই। বিশ্ববাসীকে আমরা দেখাতে চাই, বাঙালীরা কেবল স্বাধীনতার জন্যই আত্মত্যাগ করতে পারে, তাই না, তারা শান্তিকেও বাস করতে পারে।’

বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে ছাড়া পান ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি। ওই দিন ভোর রাতে তাকে বিমানে তুলে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছান। ১০টার পর তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড হিথ, তাজউদ্দীন আহমদ ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ অনেকের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে তিনি দিল্লি হয়ে দেশে ফেরেন। 

স্বাধীন দেশে ফেরার প্রায় একমাস পর বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য বিবিসির সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট লন্ডন থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি ওই সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি কী?’  উত্তর ছিল, ‘আমার জনগণ’। ফ্রস্ট আরেকটি প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনার দুর্বলতা কী?’ প্রশ্নের উত্তর এভাবে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধ, ‘আমার জনগণের জন্য ভালোবাসা’।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি