ব্রেকিং:
তিতাসে সিয়াম হত্যারয় দুই জনের স্বীকারোক্তি পুরো দেশকে উচ্চগতির ইন্টারনেটের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এইচএসসি পাসে ডিএসসিসিতে চাকরি, আবেদন করুন দ্রুত দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে বিমানবন্দরে সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের লাগেজ ভেঙে ডলার-টাকা চুরি সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ তাকরিম তৃতীয় কুমিল্লায় ইয়াবা বিক্রির সময় ভারতীয় নাগরিকসহ ২ জন আটক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের জোরালো ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী সাবিনাদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ছাদখোলা বাস প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর: সোহাগ আলীর ১০ বছরের কারাদণ্ড শেখ হাসিনাকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ শেহবাজ শরিফের সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ৪ শর্তে শিথিল জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় চার হাসপাতাল সিলগালা, ৩ লাখ টাকা জরিমানা মিয়ানমারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সংযম দেখাচ্ছে বাংলাদেশ:প্রধানমন্ত্রী সিপিডিতে ভালো পদে চাকরির সুযোগ, শুরুতেই পাবেন ৩৫০০০ ঘুমধুম সীমান্তের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দুটি বাস দিল পুলিশ লক্ষ্মীপুরে ১৫ জুয়াড়ি আটক লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী যেখানে সন্ধ্যার পরই জেলার সঙ্গে উপজেলার যোগাযোগ বন্ধ
  • রোববার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১০ ১৪২৯

  • || ২৭ সফর ১৪৪৪

জনপ্রিয় হচ্ছে ট্রেতে চারা রোপণ

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২২  

কুমিল্লায় ট্রেতে চারা রোপণ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। এতে কমছে খরচ। বাড়ছে ফসল উৎপাদন। তিন ফসলি জমিতে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে সরিষাকে যুক্ত করতে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চারা রোপণ করা হচ্ছে। এজন্য সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরির জন্য বীজ রোপণ করা হচ্ছে। তাছাড়া পাকা ধানের জমি কাটা হচ্ছে কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে। বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের কৃষকদের এমন উৎসবে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। 

স্থানীয় কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, প্রতি বিঘা জমি রোপণ করতে শ্রমিক খরচ হয় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরি করে রাইসট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে রোপণ করলে বিঘা প্রতি পাঁচ শত থেকে এক হাজার টাকা খরচ হয়। এছাড়া প্রয়োজনের সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। অনেক সময় বিভিন্ন কারণে শ্রমিক মজুরি দ্বিগুণ পর্যন্ত হয়ে যায়। এখন সব দুশ্চিন্তা থেকে আমরা মুক্ত।

বুড়িচং উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার রামপুর ও পাহাড়পুর গ্রামে ২০ বিঘা জমিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চারা রোপণ ও কম্বাইন হারভেস্টারের সাহায্যে ধান কাটার উদ্যোগে গ্রহণ করা হয়েছে। এখন সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরির জন্য বীজ রোপণ করছেন কৃষকরা। এতে তাদের সময় ও খরচ বাঁচে। 

বুড়িচং উপজেলায় কার্যক্রমটির সমন্বয়কারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার বানিন রায় বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অর্থায়নে এ কাজটি হচ্ছে। দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। প্রথমত কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ বিশেষ করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের ব্যবহারকে জনপ্রিয় করা, দ্বিতীয়ত যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ১০-১৫ দিন বাঁচিয়ে শস্য বিন্যাসে নতুন ফসল সরিষার অন্তর্ভুক্তি। তাছাড়া স্বল্প খরচে চারা রোপণ ও কর্তনের মাধ্যমে কৃষকের বিঘা প্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা অর্থ সাশ্রয় হবে ও শ্রমিক সংকটের দুশ্চিন্তা কিছুটা লাঘব হবে। এরই মধ্যে আউশ ধান কাম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে কাটা হচ্ছে। পরবর্তীতে রোপা আমনও কাটা হবে।