ব্রেকিং:
জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও পুরুষের দায়িত্ব বিষয়ক সভা শীতকালীন প্রতিযোগিতা উপলক্ষে শিক্ষা বোর্ডের প্রস্তুতি বিজয় দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচী উদ্বোধন দুদিন পর গোমতী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার রিয়েলিটি শো উদ্ভাবকের খোঁজে- সিজন ২পুরস্কার বাহরাইনে কুমিল্লার যুবককে ৭ তলার ছাদ থেকে ফেলে হত্যা মধ্যরাতে শীতার্তদের পাশে জেলা প্রশাসক ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা ব্যাংকের ভল্টের তালা ভেঙ্গে টাকা লুট ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে আগ্রহ নেই পথচারিদের নিমসার বাজার উচ্ছেদে হাইকোর্টের নির্দেশ ছয়টি নিয়ম মানলেই সিজার এড়ানো সম্ভব! স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালককে হাইকোর্টে তলব ঢাবিতে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন জটিল প্রশ্নের জবাব দিতে সহায়তা করবে ফেসবুক বাংলাদেশ ব্যাংককে সহযোগিতা করবে ফিলিপাইন শীতে ক্ষুদে সদস্যদের আরামদায়ক পোশাক নির্বাচন ঘুষ না খেলে চাকরি চলে যাবে, করণীয় কী? আইপিএল খেলতে আগ্রহী যে ছয় বাংলাদেশি

বৃহস্পতিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৬   ০৭ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
৮৮

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসুন: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর : প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন।’

জনসংখ্যা উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান নিয়ামক। এ জনসংখ্যাকে কাম্য জনসংখ্যায় পরিণত করতে পরিকল্পিত পরিবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘পরিকল্পিত জনসংখ্যা, খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের আয়তন, অবস্থান, জনসংখ্যা, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত পরিবার গঠনের বিকল্প নেই।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোতে উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের সন্নিবেশ ঘটাতে হবে। তাহলে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এবং ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পৌঁছে যাবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে জনমিতিক লভ্যাংশের ‘ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট’ সুযোগ বিদ্যমান। আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। সঠিক উন্নয়ন কৌশল, কর্ম-পরিকল্পনার মাধ্যমে এ বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারলে জনমিতিক এই সুযোগ আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।’

আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৯৯৪ সালে বিশ্বের নিম্ন অগ্রগতিসম্পন্ন দেশগুলোতে মোট প্রজনন হার ছিল ৬, এখন তা ৪। আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারের হার ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৭ শতাংশ হয়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে আছে। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট প্রজনন হার ২.০৫ এবং পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৬২.৪। একটি দেশের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত।’

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর