ব্রেকিং:
‘মুজিব বর্ষ ভিক্টোরিয়ান্স টি-২০’র ফাইনাল আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারী কালেক্টরেট কর্মচারীদের ২য় দফায় কর্মবিরতি শুরু সরকারি খাল দখল করে সড়ক নির্মাণে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমান কলাগাছের ঝোঁপ থেকে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার ইপিজেডের নারী শ্রমিককে পালাক্রমে ধর্ষণ মাত্র ৩শ’ টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে খুন হয় জনি সমঝোতা করেও ফারজানাকে বাঁচাতে পারলো না পরিবার! কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ৫ দফা দাবিতে কুবি’র প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ করাতকলের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান শুরু বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের জায়গা আত্মসাতের অভিযোগ দুই বছরেও নির্মাণ হয়নি ২০ হাত দৈর্ঘ্যের ব্রিজ! মেরিন ড্রাইভে চালু হচ্ছে দেশের প্রথম টুরিস্ট ক্যারাভ্যান গর্ভবতী মায়েদের যেসব টিকা ভুলেও নেয়া যাবে না সালমান শাহ’র মৃত্যুর প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই প্রাথমিকে বৃত্তি পেল ৮২ হাজার ৪২২ জন ঘরে বসেই পুলিশের যেসব সেবা পাবেন বিবাহিত নারীদের পরকীয়ায় জড়ানোর পাঁচ কারণ অতীত জীবনের গোনাহ মাফের আমল জিম্বাবুয়ে সিরিজের পরেও অধিনায়ক থাকছেন মাশরাফী!
  • বুধবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪২৬

  • || ০২ রজব ১৪৪১

১৩০

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসুন: রাষ্ট্রপতি

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর : প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন।’

জনসংখ্যা উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান নিয়ামক। এ জনসংখ্যাকে কাম্য জনসংখ্যায় পরিণত করতে পরিকল্পিত পরিবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘পরিকল্পিত জনসংখ্যা, খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের আয়তন, অবস্থান, জনসংখ্যা, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত পরিবার গঠনের বিকল্প নেই।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোতে উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের সন্নিবেশ ঘটাতে হবে। তাহলে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এবং ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পৌঁছে যাবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে জনমিতিক লভ্যাংশের ‘ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট’ সুযোগ বিদ্যমান। আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। সঠিক উন্নয়ন কৌশল, কর্ম-পরিকল্পনার মাধ্যমে এ বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারলে জনমিতিক এই সুযোগ আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।’

আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৯৯৪ সালে বিশ্বের নিম্ন অগ্রগতিসম্পন্ন দেশগুলোতে মোট প্রজনন হার ছিল ৬, এখন তা ৪। আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারের হার ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৭ শতাংশ হয়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে আছে। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট প্রজনন হার ২.০৫ এবং পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৬২.৪। একটি দেশের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত।’

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর