ব্রেকিং:
আওয়ামী লীগই জনগণের পাশে থাকে, এটাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য - ওবায়দুল পাশে উঁচু জায়গা রেখে পরিকল্পিতভাবে পানিতে ঈদের নামাজ ৯ জুন পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর লোহাগড়ায় ঈদ উপহার পাঠালেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া নতুন ১৫২ সদস্যসহ পুলিশে করোনা আক্রান্ত চার হাজার ছাড়াল প্লাজমা দিতে চান এই চিকিৎসক দম্পতি হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের বিরিয়ানি খাওয়ালেন আ’লীগ নেতা অনির্দিষ্টকাল জনগণের আয়ের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী নজরুলের গান আবৃত্তি করে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল দুই শতাধিক পথশিশু ‘করোনার শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা’ মোবাইল অ্যাপ ও হটলাইনে সাংসদ আসলামুল হকের অভিনব খাদ্য সহায়তা জাতীয় কবির ১২১তম জন্মদিন আজ বাঙ্গালির ঈদ উৎসবে ‘রমজানের ওই রোজার শেষে’র আগমন কিভাবে? দেশবাসীকে আওয়ামী লীগের ঈদ শুভেচ্ছা করোনাকালের ৫৬ দিনে ৩ লাখ ১৯ হাজার কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ২৮০ ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়াকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছে বন্ধু দুর্দিনে বারো হাজার মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দিলো এসএসসি ২০০০ ব্যাচ আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ৬হাজার পরিবারকে ৩কোটি টাকা সহায়তাদেবে ব্র্যাক
  • বুধবার   ২৭ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪১

৩৩৭

ডিসেম্বরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মার্শা বার্নিকাট

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ওয়াশিংটনের দুই প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে কী পরিবর্তন এসেছে কিংবা অন্যভাবে বললে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পালাবদল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

মার্শা বার্নিকাট: শুরুতেই  আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এখানে আসাটা আমার কাছে সব সময়ই আনন্দের। বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে আপনারা যে কাজটি করেন, আমি এটির বড় ভক্ত। আসলে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদলে তুলনামূলকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। আমাদের যে মূল্যবোধ, সেটা তো আমাদেরই। কাজেই মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো—এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিবর্তন কোনো প্রভাব ফেলে না। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, নতুন মার্কিন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে নানা দিক থেকে এই কৌশলের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্য অংশের সেতুবন্ধ রচনা করেছে। আর মুক্তবাণিজ্য, একটি স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরির সুযোগের যে মূলনীতি এই কৌশলে রয়েছে, তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষেই রয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান কী?

মার্শা বার্নিকাট: ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একধরনের পদক্ষেপমুখী উদ্যোগ। এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য স্বার্থ সুরক্ষার পদক্ষেপ। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের কথা বলেছেন। এই বিনিয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ। তবে আমাদের বেসরকারি খাত সরকারের অপেক্ষায় বসে নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে আমাদের জেনারেল ইলেকট্রিকের 
একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই উদ্যোগে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যুক্ত হবে জাপানের মিতসুবিশি। এটি হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির একটি উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত, যেখানে একটি নয়, যেখানে তিন দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে।

কুমিল্লার ধ্বনি
স্বাক্ষাৎকার বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর