ব্রেকিং:
পানিতে ডুবে চাচাতো জেঠাতো ভাইয়ের করুণ মৃত্যু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ৮ বিভাগে কেন্দ্র করে স্ব-শরীরে নেয়া হবে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা পুনর্নির্ধারণ হচ্ছে আলুর দাম: কৃষিমন্ত্রী ধর্ষণ প্রতিরোধে বিশিষ্ট নাগরিকদের সাত প্রস্তাব দেশে করোনায় একদিনে আক্রান্ত-মৃত্যু কমেছে ‘ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার’ তরুণরাই উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার হাতিয়ার: পলক একনেকে ১৬৬৮ কোটি টাকার ৪ প্রকল্পের অনুমোদন প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দশ বছরের শিশুকে ২৫ বছর দেখিয়ে ধর্ষণ মামলা যেভাবে গ্রেফতার হল শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রে জড়িত তিন ছাত্র বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ সাগরের বুকে জেগে ওঠা এক টুকরো শহর মেঘনায় ইলিশ শিকারী ৫৫ জেলের জেল-জরিমানা আখাউড়া স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ জাতীয় সংগীত বিকৃত করায় মাদরাসার কার্যক্রম বন্ধ সারাদেশে শুরু হলো কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান রায়হানকে নির্যাতনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা অ্যাপের মাধ্যামে জানা যাবে মামলার সর্বশেষ তথ্য কিশোরীরাই টার্গেট, নগ্ন ভিডিও যায় ‘ডার্ক সাইটে’
  • বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

১৮

তরুণীকে তুলে নিয়ে ইউপির কক্ষেই ধর্ষণ করলেন চেয়ারম্যান!

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০  

সাভারের আশুলিয়ায় ইউপিতে তুলে নিয়ে একটি কক্ষে তরুণীকে আটকে রেখে শ্যালক ও সহকারীকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় তরুণী বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ তিনজনের নামে গত রোববার আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

শাহাবুদ্দিন মাতবর আশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এবং টঙ্গাবাড়ি এলাকার ওহাব মাদবরের ছেলে। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন, চেয়ারম্যানের শ্যালক মো. আলমগীরও ব্যক্তিগত সহকারী সবুজ শিকদার।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, দেনা-পাওনা নিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দেয়ার জন্য ওই তরুণী এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ইউপিতে যান। সেখানে চেয়ারম্যানকে না পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে বিচার দেন। চেয়ারম্যান তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে তরুণী নিজ বাড়ির দিকে রওনা হন। 

তরুণীর অভিযোগ মিথ্যা এমন কথা বলে রাস্তা থেকে চেয়ারম্যানের শ্যালক আলমগীর ও ব্যক্তিগত সহকারী সবুজ শিকদার তাকে জোরপূর্বক ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় ওই তরুণীর আত্মীয়কে আলাদা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। আরেকটি কক্ষে আটকে রেখে চেয়ারম্যান ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। চেয়ারম্যান কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তার শ্যালক ও ব্যক্তিগত সহকারীও ওই তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনার পর বিভিন্ন হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখার শর্তে তরুণী ও তার আত্মীয়কে ছেড়ে দেয়া হয়।

থানায় মামলা না নেয়ার কারণ জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

আশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মাদবরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লার ধ্বনি
অপরাধ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর