ব্রেকিং:
শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলা পুলিশের বিলম্বে ৪ কিলোমিটার জ্যাম! এলাকাবাসীর হাতে ইয়াবা সম্রাট আটক পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে বিশেষ অভিযান সংস্কারহীন সড়কের ভোগান্তিতে যাত্রীরা কোটি টাকা নিয়ে উধাও এনজিও! ইসলামের বিরুদ্ধে কটুক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ২০ হাজার মানুষ পুলিশের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা? ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রচারে গ্রেপ্তার ২ ওটিটি প্লাটফর্ম ব্লেসবিট তৈরির স্বীকৃতি পেল টিকন বাঘের দেশের সমুদ্র সৈকত শিশুদের কৃমি হবার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয় এক মিনিটেই খোলা যাবে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট কেটে গেছে? জেনে নিন রক্তপাত বন্ধের সহজ উপায় মানসিক অসুস্থ আব্দুল্লাহ মুখস্ত করলেন পুরো কোরআন! (ভিডিও) মুখোমুখি ক্রিকেটার-বিসিবি, লাভ কার? সুস্মিতা সেন আজ ঢাকায় আসছেন

বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
৬০০

তিতাসে নদী ভাঙনে নিঃস্ব অসংখ্য পরিবার

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ও মজিদপুর ইউনিয়নের গোমতী ও কাঁঠালিয়া নদী ভাঙনের ফলে ক্রমশ বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গাছগাছালি। নিঃস্ব হয়ে অনেক পরিবার এলাকা ছেড়ে স্থান নিয়েছে অন্য জায়গায়।
সরজমিন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার দক্ষিণ নারান্দিয়ার পশ্চিমপাড়, আফজালকান্দি, খানেবাড়ী গৌবিন্দপুর, উত্তর ও দক্ষিণ মানিকনগর, ঘোষকান্দি, দাসকান্দি, হরিপুর বাজার, দুলারামপুর, দড়িকান্দি, নারায়ণপুর, হাইধরকান্দি, আসমানিয়া, নারান্দিয়া পূর্বপাড়, রসূলপুর, জিয়ারকান্দি, শোলাকান্দি ও লালপুর গ্রামের সংলগ্ন অংশেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বিলীন হওয়া বসতবাড়ির লোকজন অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। অপরদিকে মেঘনার নদীর মোহনাখ্যাত কাঁঠালিয়া নদীর পাড়ের চরকুমারিয়া, ১ম সরস্বতীরচর, রায়পুর, মোহনপুর, দড়িগাঁও, নন্দিরচর, ভাটেরার গ্রামগুলোতেও ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়িসহ ফসলি জমি। এ সময় এলাকায় স্থানীয়ভাবে লোকজনও বাঁশের বেড়া ও নানা কিছু ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোকবুল মাহমুদ প্রধান জানান, কাঁঠালিয়া নদীর কারণে মজিদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম এখন নদী ভাঙনের কবলে। চরকুমারীয়া গ্রামের মৌসুমী বেগম জানান, নদীতে বসতবাড়ি বিলীন হওয়ায় আমি গত ৩ বছর যাবৎ স্বামী, ছেলেমেয়ে নিয়ে আমার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর তীরবর্তী এলাকায় নজরদারি রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অবহিত করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক সহযোগিতার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর