ব্রেকিং:
চামড়াশিল্প রক্ষায় আসছে একগুচ্ছ প্রণোদনা সবাই মাস্ক পরলে ৯০ ভাগ করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব জমির রেজিস্ট্রেশন ফি কমল ত্রাণ পেয়েছে ৭ কোটি ৩৫ লাখ মানুষ কোভিড-১৯ চিকিৎসা শুরু করছে বিএসএমএমইউ দেশে একদিনে আরো ২৯ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩২৮৮ প্রতিবন্ধকতা না এলে ডিসেম্বরেই মিলবে দেশের করোনা ভ্যাকসিন চলতি মাসেই জুনের বেতন পাবেন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা অন্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি ভালো করোনাকালে অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে আইসিটি খাত পাটকল নিয়ে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, লক্ষ্য আধুনিকায়ন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডেল্টা কাউন্সিল গঠন যুক্তরাজ্যে বর্ষসেরা চিকিৎসক হলেন বাংলাদেশের ফারজানা হোসেইন করোনাকে আলিঙ্গন করেই চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জিলাপি বিতরণ নিয়ে খুন! কুমেক হাসপাতালে আটজনের মৃত্যু, ভর্তি ১১৫ চাঁদপুরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ২৭ জনের করোনা পজিটিভ কুমিল্লায় নতুন করে আক্রান্ত ৭৯ দেশে একদিনে আরো ৪২ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩১১৪
  • শনিবার   ০৪ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২১ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

৭২৫

তিতাসে নদী ভাঙনে নিঃস্ব অসংখ্য পরিবার

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ও মজিদপুর ইউনিয়নের গোমতী ও কাঁঠালিয়া নদী ভাঙনের ফলে ক্রমশ বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গাছগাছালি। নিঃস্ব হয়ে অনেক পরিবার এলাকা ছেড়ে স্থান নিয়েছে অন্য জায়গায়।
সরজমিন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার দক্ষিণ নারান্দিয়ার পশ্চিমপাড়, আফজালকান্দি, খানেবাড়ী গৌবিন্দপুর, উত্তর ও দক্ষিণ মানিকনগর, ঘোষকান্দি, দাসকান্দি, হরিপুর বাজার, দুলারামপুর, দড়িকান্দি, নারায়ণপুর, হাইধরকান্দি, আসমানিয়া, নারান্দিয়া পূর্বপাড়, রসূলপুর, জিয়ারকান্দি, শোলাকান্দি ও লালপুর গ্রামের সংলগ্ন অংশেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বিলীন হওয়া বসতবাড়ির লোকজন অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। অপরদিকে মেঘনার নদীর মোহনাখ্যাত কাঁঠালিয়া নদীর পাড়ের চরকুমারিয়া, ১ম সরস্বতীরচর, রায়পুর, মোহনপুর, দড়িগাঁও, নন্দিরচর, ভাটেরার গ্রামগুলোতেও ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়িসহ ফসলি জমি। এ সময় এলাকায় স্থানীয়ভাবে লোকজনও বাঁশের বেড়া ও নানা কিছু ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোকবুল মাহমুদ প্রধান জানান, কাঁঠালিয়া নদীর কারণে মজিদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম এখন নদী ভাঙনের কবলে। চরকুমারীয়া গ্রামের মৌসুমী বেগম জানান, নদীতে বসতবাড়ি বিলীন হওয়ায় আমি গত ৩ বছর যাবৎ স্বামী, ছেলেমেয়ে নিয়ে আমার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর তীরবর্তী এলাকায় নজরদারি রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অবহিত করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক সহযোগিতার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর