ব্রেকিং:
কুমিল্লা সমাবেশে রুমিনের মোবাইল ছিনতাই করল যুবদল কর্মী হাইমচরে নৌকার পক্ষে প্রচারণায় মাঠে ডা:টিপু ও মেয়র জুয়েল চাঁদপুর শহরের গ্রীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আজ বিশেষ মুনাজাতের মধ্যে শেষ হচ্ছে চাঁদপুর জেলা ইজতেমা মতলব উত্তর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রামপুরে বিষ প্রয়োগে অসহার কৃষকের মাছ নিধন ‘গুসি শান্তি পুরস্কার’ পেলেন শিক্ষামন্ত্রী মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরিপানা জটে নৌ চলাচল বন্ধ মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরিপানা জটে নৌ চলাচল বন্ধ ৩৫ বছরে শৈশবের স্বাদ, হতে চান উচ্চশিক্ষিত লক্ষ্মীপুরে ছাত্রদলের ১৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ২ তরুণের মুরাদনগরের সিদল যাচ্ছে বিদেশে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীসহ ২ জনের মৃত্যু যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত বঙ্গবন্ধু টানেলে গাড়ি চলবে জানুয়ারিতে বিদেশিদের মন্তব্যে বিরক্ত সরকার আমনের বাম্পার ফলন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু
  • রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

তিতাস নদীর পাড়ে গোসলের ঘাটে ময়লার স্তূপ

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২২  

কুমিল্লার হোমনায় পুরোনো বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন হোমনা-বাঞ্ছারামপুর সেতুর নিচে জনসাধারণের গোসলের ঘাটে ফেলা হচ্ছে বাজার ও বাসাবাড়ির ময়লা। এসব ময়লা-আবর্জনা গড়িয়ে নদীতে পড়ায় একদিকে যেমন দূষিত হচ্ছে পানি, অন্যদিকে নদীতে গোসল করতে আসা লোকজন আবর্জনার গন্ধে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

আজ রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর ঘাটের দুই পাশেই রয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। এর মধ্যেই নদীতে নেমে গোসল করাসহ কাপড়চোপড় ধোয়ার কাজ করছেন অনেকে। পাশাপাশি রান্নার জন্য কলসি, বালতিতে করে এই পানি বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।

নদীতে গোসল করতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোকবুল হোসেন জানান, বাজারের হোটেল ব্যবসায়ীরাসহ অন্য ব্যবসায়ীরা এখানে এনে ময়লা ফেলছেন। এ ছাড়া অনেকে বাসাবাড়ির ময়লাও এখানে ফেলে যায়। আর এতে করে দুর্গন্ধে ঘাটে গোসল করা অনেক কষ্টকর হচ্ছে। তার পরও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব ময়লা-আবর্জনার মধ্যেই গোসল সারতে হচ্ছে।

নদীতে গোসল করতে আসা ব্যবসায়ী হাসান মিয়া জানান, বাজারের অনেক ব্যবসায়ী এখানে এনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে যান। নদীর পাড়ে ময়লা ফেলার কারণে এর দুর্গন্ধে নদীর পাশ দিয়ে হাঁটাচলা করা যাচ্ছে না। নাকমুখ চেপে ধরে হাঁটতে হচ্ছে নদীর পাড়ে।

নদীর ঘাট এলাকার বাসিন্দা মণিকার রানী সরকার (২৫) ও কাজল রানী ঘোষ (৫০) বলেন, ‘সবাই এখানে এসে ময়লা ফেলে যায়। আমরা নিষেধ করলেও শোনে না। এ ছাড়া অনেক লোকজন এসে দিনের বেলায় এখানে দাঁড়িয়ে প্রস্রাবও করে, আমরা মানা করলেও শুনছে না। আবার রাতের অন্ধকারে অনেকে এসে এখানে পায়খানাও করে যায়। সব মিলিয়ে নদীর ঘাটের এই ময়লা-আবর্জনায় আমরা আশপাশের লোকজন চরম দুর্ভোগে আছি।’ নদীর ঘাটে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোমনা পৌর মেয়র মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারের ও বাসাবাড়ির ময়লা ফেলার জন্য কাচারিকান্দিতে আমাদের নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিনই বাজার ও বাসাবাড়ির ময়লা সংগ্রহ করে ময়লার স্তূপে ফেলছে।’