ব্রেকিং:
সভা-সমাবেশে উপেক্ষিত খালেদা জিয়া আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পরকীয়া প্রেমিককে ডাকাত অপবাদে হত্যা ১৩০০ বছরের ৩টি পুরাকীর্তি পাওয়া গেল গোমতীর পাড়ে কুমিল্লা শিল্পীদের জন্য উর্বর ভূমি কুমিল্লায় ক্যারাম প্রতিযোগিতা সন্ত্রাসী মহিউদ্দিন গ্রেফতার কমনওয়েলথের অনুপ্রেরণাদায়ী নারী শেখ হাসিনা সাপ্তাহিক টিকাদানে চীন-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ১০ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ হচ্ছে সুনীল অর্থনীতিতে অপার সম্ভাবনা বিষমুক্ত সবজি বিপ্লবের হাতছানি পূর্বমুখী বাণিজ্যে ‘রেশমী’ সম্ভাবনা অস্ত্র পাচ্ছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৬৬০ থানায় একযোগে ৭ই মার্চ উদ্যাপন করবে পুলিশ -আইজিপি বিশ্বের দ্বিতীয় নিউজিয়াম গড়ে তুলেছেন বাংলার এক কৃষক আল-জাজিরার বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে হাকিকা টিভির রিপোর্ট জাহাজে আসছে মেট্রোরেলের প্রথম ট্রেন অবৈধভাবে দখল হওয়া খালের দুই পাশ দখলমুক্ত করা হবে
  • রোববার   ০৭ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২৩ ১৪২৭

  • || ২২ রজব ১৪৪২

তিন পেগ মদ খেয়ে আমার মুখ দিয়ে রক্ত-বমি হয়: নেহা

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার ফারজানা জামান নেহা ঘটনার দিন সম্পর্কে আদালতকে অবগত করেছেন।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির হয়ে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সম্পর্কে জানান নেহা। 

আদালতে নেহা বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি আমার বন্ধু আরাফাত আমাকে উত্তরার ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যাওয়ার আমন্ত্রণ করে। তার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখি আরো কয়েকজন উপস্থিত। আমি তখন আরাফাত ছাড়া কাউকে চিনতে পারিনি। সেখানে সবার সঙ্গে আমিও মদপান করি। তিন পেগ মদ পানের পর আমার মুখ দিয়ে রক্ত ও বমি বের হয়। তখন সেখান থেকে আমি বাসায় চলে যাই। বাসায় যাওয়ার পরও আমার কয়েক দফা বমি হয়। এমন পরিস্থিতিতে আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

এদিকে ইউল্যাবের ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনার মামলায় নেহার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর আজিমপুর এলাকার একটি বাসা থেকে নেহাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাণ হারানো ছাত্রীর বাবার করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।

ওই ছাত্রীর বাবার মামলায় উল্লেখ করেন যে, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী এবং রায়হান একসঙ্গে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান।

মদপানের একপর্যায়ে ওই তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে ওই তরুণীর বান্ধবী নুহাত আলম তাফসীরের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ওই তরুণীর সঙ্গে রায়হানের একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন হয়।

এক পর্যায়ে রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ২ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ওই ছাত্রীর মৃত্যু হয়। 

কুমিল্লার ধ্বনি