ব্রেকিং:
বিয়ের দিন বাড়িতে হাজির প্রথম স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ৫০ থেকে একশ শয্যায় উন্নীত হবে সব হাসপাতাল সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ২ রাজমিস্ত্রির মজুতদারি করে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা ইঞ্জিনে ওভার হিট, মহাখালীতে প্রাইভেটকারে আগুন ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ফিরে পেলেন ট্রাম্প অবশেষে ঝুঁকিপূর্ণ তিন রাস্তার সংযোগস্থলে গতিরোধক স্থাপন বাঙালি বিশ্ব মোড়লদের ধার ধারে না: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী যেসব কারণে ব্যাপক চাপ থাকবে সড়কে সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সরকারের কোটা সংক্রান্ত পরিপত্র বলবৎ হয়েছে পানি নিষ্কাশনে ডিএনসিসির ৫ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী কাজ করছে সময় টিভির সাংবাদিকদের উপর কোটা বিরোধীদের হামলা প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গাজায় ‘যুদ্ধাবসানের সময় এসেছে’: বাইডেন ন্যাটো-রাশিয়াকে সংঘাতের ব্যাপারে সতর্ক করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রাজধানীসহ সারাদেশে ভারী বৃষ্টি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার চীনা গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর
  • রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

তৃতীয় কিস্তির ১১৫.২০ কোটি ডলার অনুমোদন পেতে পারে আজ

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৪  

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পর্ষদের সভায় আজ বাংলাদেশের জন্য ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার ছাড়ের প্রস্তাব উঠছে। সবকিছু ঠিক থাকলে পর্ষদে অনুমোদনের পর চলতি মাসের শেষ নাগাদ তৃতীয় কিস্তির অর্থ পাওয়া যাবে।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, ২৪ এপ্রিল ঋণ কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় কিস্তির জন্য গত ডিসেম্বরভিত্তিক শর্ত বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে আসে আইএমএফ মিশন। সংস্থাটির ডেভেলপমেন্ট মাইক্রো ইকোনমিকস ডিভিশনের প্রধান ক্রিস পাপাগেওর্জিউর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে বৈঠক ও পর্যালোচনা কার্যক্রম শেষে গত ৮ মে এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশ সরকার এবং আইএমএফ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এ কারণে আজকের সভায় তৃতীয় কিস্তি অনুমোদনের বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির পরিমাণ হবে ১১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর মধ্যে এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) ও এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি থেকে ৯৩ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় ২২ কোটি ডলার।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকার মধ্যে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। এর তিনদিন পর প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এর পর, ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার ছাড় করা হয়। ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাতটি কিস্তিতে ঋণের পুরো অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির পরবর্তীগুলোতে সমান অর্থ থাকার কথা ছিল। কিন্তু  রিজার্ভ আরো কমে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে বেশি অর্থ চায় বাংলাদেশ। এরই মধ্যে বেশ কিছু কঠিন শর্তের বাস্তাবয়ন ও আগামীতে আরো বড় সংস্কার কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সংস্থাটি তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলারের পরিবর্তে ১১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার দিতে সম্মত হয়েছে। তবে মোট ঋণের পরিমাণ এবং মেয়াদ একই থাকবে।

এ ঋণের একটি অংশ জলবায়ু তহবিলের, যা বাংলাদেশকেই প্রথম দেওয়া হয়েছে। তাই এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকুক, তা চায় আইএমএফ। এ জন্য বাংলাদেশের অনুরোধে চতুর্থ কিস্তির জন্য আগামী জুন শেষে নিট রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে ১৪ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। অনেক শর্ত পূরণ করার পথে থাকলেও ঋণ কর্মসূচি শুরুর পর থেকে রিজার্ভের ত্রৈমাসিক কোনো লক্ষ্যমাত্রাই পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। সরকারের অনুরোধে আইএমএফ পরে সংশোধন করে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দেয়।

২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ সর্বোচ্চ উঠেছিল ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার বা ৪৮ বিলিয়ন। এখন এ রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের নিচে রয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত প্রায় ২৬ কোটি ডলার বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ জুন রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৪৫২ কোটি ডলার। গত বুধবার তা ২৬ কোটি ডলার বেড়ে ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮২ লাখ ডলার। চলতি মাসের শুরুতে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ১ হাজার ৮৭২ কোটি ডলার। গত ১২ জুন  বেড়ে হয় ১ হাজার ৯২০ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। গত বুধবার ১ হাজার ৯৫২ কোটি ৭৯ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে আইএমএফের নিট হিসাবে এ রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের নিচে। ঋণ কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী, তা জুন শেষে ১ হাজার ৪৭৬ কোটি ডলারে উন্নীত করতে হবে। আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তি পাওয়া গেলে রিজার্ভের পরিমাণ আরো কিছুটা বাড়বে।