ব্রেকিং:
বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন ঘেরাও-অগ্নিসংযোগ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আনুষ্ঠানিক সমর্থন কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে বিএনপির সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা কমপ্লিট শাটডাউনেও চলবে মেট্রোরেল বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের প্রতি বেআইনি শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি আজ বাংলা ব্লকেড বা শাটডাউন হল ছাড়ছেন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেত্রীর পদত্যাগ তিস্তায় ভেসে আসা সেই মরদেহ ভারতের সাবেক মন্ত্রীর ঢাবির হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা সারা দেশে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশনা বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদের দাফন সম্পন্ন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন ফাঁস: বড় হচ্ছে চক্রের তালিকা ছাগলের ভ্যাকসিন ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মতিঝিলে ২০০ কোটি টাকার দেবোত্তর জমি উদ্ধার ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ বেড়েছে আগামী বছর প্রাথমিকে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন শুরু
  • সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৭ ১৪৩১

  • || ১৪ মুহররম ১৪৪৬

দীর্ঘ নীরবতার পর ভারতের প্রকাশ্য অবস্থানে হতাশ বিএনপি

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৩  

টানা ১৭ বছরে ক্ষমতার বাইরে মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। সরকার হঠাতে রাজপথে ব্যর্থ দলটি আশার আলো সন্ধান করে কূটনীতির রাজনীতিতে। ঠিক এমন সময় প্রতিবেশি দেশ ভারতের ‘প্রকাশ্য’ অবস্থানে হতাশ হয়েছে দলটি। সম্প্রতি দেশটি আমেরিকার কাছে পাঠানো এক 'কূটনৈতিক নোট' -এ রাজনীতিতে 'জামায়াতে ইসলামী’কে হুমকি হিসেবে দেখানোর পাশাপাশি মৌলবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে। তবে বাংলাদেশে জামায়াতের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বিএনপিকেই দায়ী করে ভারত। এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সরকার পতন আন্দোলন করতে গতি হারিয়ে ফেলতে পারে বা ঝিমিয়ে পরতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

গত ১৮ আগষ্ট ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আনন্দবাজারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকাকে ভারত জানিয়েছে, বিএনপি ও জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক হবে না। আর জামায়াতকে ‘রাজনৈতিক ছাড়’ দেওয়া হলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা মৌলবাদের দখলে চলে যাবে, তাতে ভারতের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বাড়তে পারে, তেমনই চীনের প্রভাবও  বেড়ে যাবে।  

সূত্রমতে, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার হঠাতে একদফা আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিএনপি। এমতাবস্থায় ভারতের আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়ায় বিএনপির নেতা ও তৃণমূলের কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তারা বলছেন, এতোদিন ভারত কোন সরকারের পক্ষে থাকবে তা প্রকাশ্যে বলেনি। এখন তারা সেটি পরিষ্কার করেছে। ফলে নেতা-কর্মীরা সরকার পতনের আন্দোলন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। কেননা প্রতিবেশি দেশের কূটনৈতিক সমর্থন না পেলে সরকার হঠানোর আন্দোলন সফল করা সম্ভব নয়- বলেও মনে করেন বিএনপির অধিকাংশ নেতা-কর্মী।

সমালোচকরা বলছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যে ভারতের উপরে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়,কেননা তারা বিষয়টি বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন।আর এসব কেন্দ্রীয় নেতার কথায় তৃণমূল নেতাকর্মীরাও বুঝতে পেরেছেন যে ভারত বিএনপিকে আদৌ চাইছেনা। ফলে তাদের মাঝে হতাশা ভর করতে শুরু করেছে  যা বিএনপির প্রতিশ্রুত আন্দোলনকে ঝিমিয়ে ফেলতে পারে।