ব্রেকিং:
বিয়ের দিন বাড়িতে হাজির প্রথম স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ৫০ থেকে একশ শয্যায় উন্নীত হবে সব হাসপাতাল সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ২ রাজমিস্ত্রির মজুতদারি করে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা ইঞ্জিনে ওভার হিট, মহাখালীতে প্রাইভেটকারে আগুন ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ফিরে পেলেন ট্রাম্প অবশেষে ঝুঁকিপূর্ণ তিন রাস্তার সংযোগস্থলে গতিরোধক স্থাপন বাঙালি বিশ্ব মোড়লদের ধার ধারে না: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী যেসব কারণে ব্যাপক চাপ থাকবে সড়কে সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সরকারের কোটা সংক্রান্ত পরিপত্র বলবৎ হয়েছে পানি নিষ্কাশনে ডিএনসিসির ৫ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী কাজ করছে সময় টিভির সাংবাদিকদের উপর কোটা বিরোধীদের হামলা প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গাজায় ‘যুদ্ধাবসানের সময় এসেছে’: বাইডেন ন্যাটো-রাশিয়াকে সংঘাতের ব্যাপারে সতর্ক করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রাজধানীসহ সারাদেশে ভারী বৃষ্টি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুতে ইতিবাচক মিয়ানমার চীনা গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর
  • রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

নবীনগরে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন ইউএনও

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৪  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে স্পিড বোট যোগে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের মেঘনা ও তিতাসের তীরবর্তী এলাকা চরলাপাং, দড়িলাপাং, চিত্রী পরিদর্শন করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের মেঘনা ও তিতাসের মধ্যবর্তী এলাকার কয়েকটি গ্রামের বসতভিটা, ফসলি জমি ও মসজিদ মাদ্রাসা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে করে ভিটে বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন প্রায় শতাধিক পরিবার।

নদী ভাঙনে বসত বাড়ি হারানো রোকেয়া বেগম জানান, গত সোমবার (১ জুলাই) আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ ভোর বেলায় নদী ভাঙনে আমাদের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এসময় আমরা কিছুই নিয়ে আসতে পারিনি। এখন আমরা বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

এসময় নদী ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ৫ থেকে ৭ বার আমাদের বাড়িঘর নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে যায়। স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ না করলে একসময় মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে যাবে এই এলাকা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মেহেদী হাসান, পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম কবির, মুজিবুর মেম্বার, জীবন মেম্বার প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের তালিকা তৈরি করে তাদেরকে সহযোগিতা করা হবে। এছাড়াও আগামী দুই একদিনের মধ্যেই পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে জিও ব্যাগ ফেলে সুরক্ষা বাঁধ তৈরি করা হবে যাতে পরবর্তীতে আর নদী ভাঙন না হয়। এখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের টেন্ডার হয়েছে প্রক্রিয়া দিন আছে। অচিরেই এখানে স্থায়ী বাঁধের কাজ শুরু হবে।