ব্রেকিং:
পেঁয়াজের মাধ্যমে ছড়াচ্ছে ব্যাকটেরিয়া, আক্রান্ত ৪২ দেশ বন্যায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৪৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ হাওরে ট্রলারডুবি, ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার মৎস্য খাতে কোনো দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না : শ ম রেজাউল `পাট খাতে যুগোপযোগী সংস্কার করা হচ্ছে` জুলাইয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩.৩৯ শতাংশ সব কাজ ডিজিটালি করার পথ খুলছে দেশে একদিনে আরো ৩৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৬৫৪ বৈধ পথে বাড়ছে রেমিট্যান্স হুন্ডির দিন শেষ ঈদ ঘিরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড মেজর সিনহার মাকে ফোন, বিচারের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন রোববার থেকে শুরু করোনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আবাসনে ছয় প্রতিষ্ঠান লেবাননে বিস্ফোরণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৯ সদস্য আহত ঝড়বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ জানালো আবহাওয়া অফিস লেবাননের বৈরুতে যে কারণে ঘটল বিস্ফোরণ গোপালগঞ্জে স্কুলে ও রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে ৫ শতাধিক বানভাসি চীনা ভ্যাকসিনের ফলাফল সন্তোষজনক হলে বাংলাদেশে ট্রায়াল শনিবার থেকে চামড়া কিনবেন ট্যানারি মালিকরা আন্তর্জাতিক বাজারে ২ শতাংশ বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম
  • বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যদের উপার্জিত সম্পদের খোঁজ নিচ্ছে সিআইডি

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২০  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্র চিহ্নিত করেছে সাইবার পুলিশ সিআইডি। সে মামলায় মূল হোতাসহ গ্রেফতার হয় ৪৭ জন। সর্বমোট ১২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়, যার মধ্যে ৮৭ জন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

শুক্রবার দুপুরে সিআইডির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।

পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে আরো একটি সক্রিয় চক্রের সন্ধান পায় সাইবার পুলিশ; যারা সরকারি মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। 

মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে মাঠে নামে সাইবার পুলিশ। 

 

প্রশ্নফাঁস চক্রের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত বিভিন্ন ব্যাংকের চেক- ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নফাঁস চক্রের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত বিভিন্ন ব্যাংকের চেক- ছবি: সংগৃহীত

গত ১৯ জুলাই এস এম সানোয়ার হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য দেয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় সারাদেশে মেডিকেলের প্রশ্নফাঁস চক্রের মাস্টারমাইন্ড জসিম উদ্দিন, জাকির হোসেন এবং পারভেজ খানকে। পরবর্তীতে নাটোর থেকে গ্রেফতার করা হয় মেডিকেল প্রশ্নফাঁস করা চক্রের আরেকজন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মোহাইমিনুল বাঁধনকে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে সাইবার পুলিশ সিআইডি।

গ্রেফতারের সময় জসিমের কাছ থেকে দুই কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক এবং পারভেজের কাছ থেকে ৮৪ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়। যেগুলো তারা মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে।

সিআইডির অনুসন্ধান বলছে, এদের অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করেছে সাইবার পুলিশ। অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদের খোঁজ পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করে তাদের সব অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার ব্যবস্থা করবে সাইবার পুলিশ।

সিআইডি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। সেই মেরুদণ্ড শক্তিশালী রাখতে প্রশ্নফাঁস বন্ধের কোনো বিকল্প নেই। গত কয়েক বছরে সাইবার পুলিশের টানা অভিযান এবং আসামি গ্রেফতারের ফলে প্রশ্নফাঁসের সংবাদ পাওয়া যায়নি। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলার মতো এবারও সাইবার পুলিশ যারা প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে তাদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এসব আসামিদের ধরতে সাইবার পুলিশ বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল আহসান, এএসপি সুমন কুমার দাস, এএসপি জুয়েল চাকমা, এএসপি কাজী আবু সাঈদ এবং এএসপি ফাতেমা-তুজ-জোহরা।

কুমিল্লার ধ্বনি
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর