ব্রেকিং:
আবারও রাখাইন ছেড়েছে ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা আরাকান আর্মির গুলিতে বাংলাদেশি নিহত তারেক জিয়াকে কি দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে? দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ নির্দেশনা মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল ও এয়ারপোর্ট উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি তারেককে ফেরাতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী বেনজীর আহমেদ কি গ্রেপ্তার হতে পারেন? বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল: রাজধানীতে উর্ধ্বমুখী কাঁচা বাজার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না: সৌদি স্ত্রীর নামে প্রতিদিন গড়ে ১৫.১৬ শতাংশ জমি কিনেছে বেনজীর তারেককে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করব: প্রধানমন্ত্রী ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়: প্রধানমন্ত্রী কেন সাধারণ বমরা বর্জন করেছে কেএনএফকে? কলাপাড়ায় প্রস্তুত ১৫৫ আশ্রয়কেন্দ্র ও ২০ মুজিব কিল্লা ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নজরুলের লেখনীতে ফুটে ওঠে আর্ত-পীড়িত মানব মনের কথা বন্ধুরাষ্ট্রের কাছে কথিত এমপিরাও নিরাপদ নয়: ফখরুল বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি বানাতে দিচ্ছি না বলেই কিছু সমস্যা হচ্ছে
  • বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩১

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

ফেনীতে জুমার পর সাঈদীর জন্য দোয়া চাওয়ায় খতিবকে মারধর, অব্যাহতি

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৩  

ফেনী সদর উপজেলার ফকিরহাট মাদ্রাসা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. সলিমুল্লাহ আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জন্য দোয়া চান। পরে কয়েকজন যুবক তাঁকে থামিয়ে দিয়ে মারধর করেন এবং তাঁকে মসজিদের খতিব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। 

ফকিরহাট বাজার জামে মসজিদের মুসল্লি আবদুল ওহাব জানান, জুমার নামাজ শেষে ইমাম সাহেব মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে ইসলামে বিশেষ অবদানের কারণে সাঈদীসহ অন্যান্য আলেম-ওলামার জন্য দোয়া করতে বলেন। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর শুক্কুর মানিকের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক ইমামকে থামিয়ে মেহরাব থেকে ঘাড় ধরে বাইরে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর মাথায় থাকা পাগড়ি ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। 

মসজিদ কমিটির সভাপতি শেখ ফরিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে বিস্তারিত পরে জানাবেন বলে জানান। 

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, ইমাম সাহেব একজন দেশদ্রোহীর জন্য দোয়া করায় উপস্থিত মুসল্লিরা উত্তেজিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি সকলের কাছে মাফ চাইলে তাঁকে রেহাই দেওয়া হয়। তবে তাঁকে মসজিদের খতিব পদ থেকে সম্মানের সঙ্গে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর শুক্কুর মানিক বলেন, ‘বিতর্কিত একজন ব্যক্তির জন্য দোয়া চাইলে মুসল্লিরা ক্ষেপে যান। তখন আমি তাঁকে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করেছি।’ তবে মারধরের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। 

মাওলানা মো. সলিমুল্লাহ বলেন, ‘আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি, তিনি ন্যায় বিচার করবেন।’ সাঈদীসহ অন্যান্য আলেমদের জন্য দোয়া চাওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। 

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।