ব্রেকিং:
নৌকায় লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিহত ১০, জীবিত ৩০ বাংলাদেশি মাস্কের টুইটে উত্তাল ভারতের রাজনীতি চার মাসে বিদেশে চাকরি কমেছে ২০ শতাংশ রাজধানীর বড় বড় হাসপাতাল যেন ‘বাতির নিচে অন্ধকার’ ঈদের দিন যেসব উন্নত খাবার পেলেন কারাবন্দিরা আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি হাসিল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বাজারে লঙ্কাকাণ্ড টিনের বেড়ায় বিদ্যুতের তার চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন স্বস্তিতে ঘরমুখো মানুষ যেভাবে গড়ে ওঠে শতবর্ষী কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ বেশি ভাড়া রাখায় উপকূল পরিবহনকে জরিমানা মিয়ানমার সীমান্তের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ রাখাইনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা, বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ একদিনে পদ্মাসেতুর আয় পৌনে ৫ কোটি টাকা চামড়া সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে র‌্যাবের কঠোর হুঁশিয়ারি ঈদে ট্রেনে মানুষের নির্বিঘ্নে বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে সকল রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ খাদ্যসামগ্রী ও দেড় শতাধিক মানুষ নিয়ে জাহাজ গেল সেন্ট মার্টিন কুমিল্লায় বেতন-বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
  • মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৪ ১৪৩১

  • || ১০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বর্ষা কিংবা ঘূর্ণিঝড় আসলেই ধস নামে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০২৪  

বর্ষা কিংবা ঘূর্ণিঝড় আসলেই ধস নামে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে। এবারও রিমালের আঘাতে একই চিত্র। ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে চাঁদপুরের পুরান বাজার হরিসভা মন্দির এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের প্রায় ২০ মিটার মেঘনা নদীতে দেবে গেছে। দিনভর টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘনার উত্তাল ঢেউয়ে বাঁধে ভাঙন ধরে। তাৎক্ষণিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও খুব একটা লাভ হয় নি।

পুরান বাজার মেঘনা নদীর তীর এলাকায় ঢেউয়ের তীব্রতা বাড়ছেই। বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কয়েক ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। ভাঙন আতঙ্কে নদীর তীরের অনেক লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় খুঁজছেন। স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।

চাঁদপুরের পুরানবাজার ও নতুন বাজার এলাকর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাঁচিয়ে রেখেছে, এই শহর রক্ষা বাঁধ। কিন্তু, বর্ষা বা ঘূর্ণিঝড়- সবসময়ই এই বাঁধ থাকে হুমকির মুখে। ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে বাঁধের বেশকটি স্পটে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পুরানবাজারেরই ৮টি স্থানে ১৬৫ মিটার ব্লক দেবে গেছে। অনেকের বাড়ির মালামালও চলে গেছে নদীগর্ভে।

ভারি বর্ষণ ও উত্তাল জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নদীপাড়ের ঘর-বাড়ি, মন্দির, রাস্তা-ঘাট। স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে গৃহ-পালিত প্রাণীসহ মানুষের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র। স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক বছরেও এমন দূর্যোগ পরিস্থিতি তারা দেখেননি। ভাঙনের সময় রাতে বাড়িতে বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে গিয়েছিলো।  এরইমধ্যে অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। ভাঙন দেখা দিলে কর্মকর্তারা আসেন নদীতে বালুর বস্তা ফেলতে। কিন্তু আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই। 

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, রিমালের কারণে মেঘনার পানি মারাত্নকভাবে ফুলে উঠেছিলো। প্রায় ৫-৭ ফুট দৈর্ঘ্যের ঢেউ শহর প্রতিরক্ষা বাঁধে তাণ্ডব চালিয়েছে যার কারণে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। প্রস্তুতি অনুযায়ী আমরা গতকাল রাত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানগুলোতে আমাদের মজুদ রাখা জিও ব্যাগ ফেলেছি। খুব শিঘ্রই মেরামত কাজ শেষ করতে পারবো। ইতিমধ্যেই ৮২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ পূনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজের শুরু হয়েছে। যেটি ২০২৭ সালের জুন মাসের মেয়াদে শেষ করা হবে। এই প্রকল্পে প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়ার সর্বনাশা ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতিমধ্যেই ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছেন। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।