ব্রেকিং:
মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হলে ৬ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করোনা প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ ২০৭ কোটি টাকা এসএসসির সব সূচকেই ভাল ফল দেশে আজও দুই হাজারের অধিক আক্রান্ত, মৃত্যু ২২ করোনা আক্রান্তদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন সেবা নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথা তুলে ধরলেন রাবাব ফাতিমা করোনা শনাক্ত করতে রাজধানীতে আরো দুটি ল্যাব চালু ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ বাড়ছে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা মানব পাচারকারীদের গ্রেফতারে তদন্তে নেমেছে সিআইডি সিএএমএসের মাধ্যমে হচ্ছে গরিবদের ডাটাবেস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনই খোলা হবে না : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের ২০০০ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দুই মাস পর পুরোনো রূপে চাঁদপুর, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে লঞ্চ বৃদ্ধকে প্লাজমা দিলেন করোনাজয়ী চিকিৎসক বরুড়ার সেই চা বিক্রেতার স্কুলে শতভাগ পাশ চাঁদপুরে আরো ১১ জনের করোনা শনাক্ত ছেলের মরদেহ নিয়ে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সড়কে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবা-মা কুমিল্লায় চিকিৎসকসহ নতুন আক্রান্ত ১০৩ করোনার অবনতি হলে এবার কঠোর লকডাউন: প্রধানমন্ত্রী এস.এস.সি-২০২০ এর ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অভাবনীয় সাফল্য
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

১৮৪৬

বাংলাদেশের মানুষের হৃদরোগ হওয়ার প্রধান কারণ জিনগত: ডা. দেবী শেঠি

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯  

ভারতের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী প্রসাদ শেঠি। গত ১৫ জুন চট্টগ্রামে ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল উদ্বোধনে অংশ নেন তিনি। এতে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যও দেন। সেই বক্তব্য বাংলাদেশের তরুণদের হৃদরোগের কারণ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মানুষের মধ্যে হৃদরোগ হওয়ার প্রধান কারণ জিনগত। ইউরোপে মানুষের বয়স ষাট অতিক্রম করলে অবসরকালীন সময়ে হৃদরোগ হয়। এ সময় তারা কাজ করেন না আর ভোজনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু ভারত ও বাংলাদেশে মানুষদের তরুণ বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ জিনগত। এখানকার মানুষের জীবনধারা, খাদ্যাভাস, ধূমপান, ডায়াবেটিস হৃদরোগের জন্য দায়ী।

ভারত ও বাংলাদেশে হৃদরোগীর পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে দেবী শেঠি বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসকের কাছে যায়। এর আগে যায় না। শরীরের চেকআপ করায় না। তাদের মতে, সুস্থ থাকার সময় কেন ডাক্তারের কাছে যাবেন!

কিন্তু এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয় জানিয়ে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, সুস্থ থাকার সময়ও চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সবকিছু পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখতে হবে কে কতটা সুস্থ আছেন।

ব্যাঙ্গালুরুর নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের এ প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশে হৃদরোগের চিকিৎসা ধরণ অনেকটা একইরকম।

দুই দেশের সংস্কৃতি, পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাস একই রকম বলেই চিকিৎসা পদ্ধতি একইরকম বলে মনে করেন তিনি।

চিকিৎসা ব্যবস্থা এক হলেও বাংলাদেশ থেকে কিছু হৃদরোগী ভারতে কেন যান সে প্রসঙ্গে দেবী শেঠি মনে করেন, হৃদরোগের চিকিৎসায় ভারতে অনেকগুলো একই মানের হাসপাতাল রয়েছে। তাই মানুষ বিকল্প বেছে নিতে পারছে। বাংলাদেশে হয়তো এখনও সেভাবে বেশি বিকল্প তৈরি হয়নি।

সেই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ইমপেরিয়াল হসপিটাল সঠিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবার নতুন সংযোজন বলে মন্তব্য করেন ডা. দেবী শেঠি।

তিনি বলেন, ভালো চিকিৎসার জন্য ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাওয়া বাংলাদেশি মানুষের সংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে। এ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

তিনি আরো যোগ করেন, ইমপেরিয়াল হাসপাতালে নারায়ণ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করবে। মাঝেমধ্যে আমিও আসব। আশা করি, এখানকার মানুষ আধুনিক চিকিৎসা পাবে। বিদেশমুখী কমবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর