ব্রেকিং:
উত্তর জেলা বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগের পরিচিত সভা কুবিতে সব ধরনের সন্ধ্যা কোর্স বন্ধ ঘোষণা দেবিদ্বারে জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন পারিবারিক কলহের জেরে প্রাণ দিল স্কুলছাত্রী কুমিল্লায় চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন! আদালতে ধর্ষকের আত্মসমর্পণ বৌদ্ধ ট্যুরিজম সার্কিট গঠনে কুমিল্লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে শিশুদের মসজিদে প্রবেশে বাধা নয়, উৎসাহ দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে কম্বল দিচ্ছেন ডিসি মাদকবিরোধী জনসচেতনতায় ‘ফানুস’ ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন বৈষম্যমূলক: জাতিসংঘ খুলনার পাটকল শ্রমিকদের অনশন স্থগিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, কমবে আরো তাপমাত্রা দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা: ফোর্বস শিশু মৃত্যু ৬৩ শতাংশ কমিয়েছে বাংলাদেশ শনিবার সকাল পর্যন্ত ৩১ ব্যাংকের বুথ বন্ধ এবার পরীমনির রগরগে ছবি ভাইরাল কুমিল্লা ময়নামতি’র ইতিহাস, শাসনামল, সৌন্দর্য ও রহস্য বরুড়ায় এক বৃদ্ধের অাত্মহত্যা

রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
১৭৬৪

বাংলাদেশের মানুষের হৃদরোগ হওয়ার প্রধান কারণ জিনগত: ডা. দেবী শেঠি

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯  

ভারতের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী প্রসাদ শেঠি। গত ১৫ জুন চট্টগ্রামে ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল উদ্বোধনে অংশ নেন তিনি। এতে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যও দেন। সেই বক্তব্য বাংলাদেশের তরুণদের হৃদরোগের কারণ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মানুষের মধ্যে হৃদরোগ হওয়ার প্রধান কারণ জিনগত। ইউরোপে মানুষের বয়স ষাট অতিক্রম করলে অবসরকালীন সময়ে হৃদরোগ হয়। এ সময় তারা কাজ করেন না আর ভোজনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু ভারত ও বাংলাদেশে মানুষদের তরুণ বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ জিনগত। এখানকার মানুষের জীবনধারা, খাদ্যাভাস, ধূমপান, ডায়াবেটিস হৃদরোগের জন্য দায়ী।

ভারত ও বাংলাদেশে হৃদরোগীর পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে দেবী শেঠি বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসকের কাছে যায়। এর আগে যায় না। শরীরের চেকআপ করায় না। তাদের মতে, সুস্থ থাকার সময় কেন ডাক্তারের কাছে যাবেন!

কিন্তু এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয় জানিয়ে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, সুস্থ থাকার সময়ও চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সবকিছু পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখতে হবে কে কতটা সুস্থ আছেন।

ব্যাঙ্গালুরুর নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের এ প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশে হৃদরোগের চিকিৎসা ধরণ অনেকটা একইরকম।

দুই দেশের সংস্কৃতি, পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাস একই রকম বলেই চিকিৎসা পদ্ধতি একইরকম বলে মনে করেন তিনি।

চিকিৎসা ব্যবস্থা এক হলেও বাংলাদেশ থেকে কিছু হৃদরোগী ভারতে কেন যান সে প্রসঙ্গে দেবী শেঠি মনে করেন, হৃদরোগের চিকিৎসায় ভারতে অনেকগুলো একই মানের হাসপাতাল রয়েছে। তাই মানুষ বিকল্প বেছে নিতে পারছে। বাংলাদেশে হয়তো এখনও সেভাবে বেশি বিকল্প তৈরি হয়নি।

সেই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ইমপেরিয়াল হসপিটাল সঠিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবার নতুন সংযোজন বলে মন্তব্য করেন ডা. দেবী শেঠি।

তিনি বলেন, ভালো চিকিৎসার জন্য ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাওয়া বাংলাদেশি মানুষের সংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে। এ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

তিনি আরো যোগ করেন, ইমপেরিয়াল হাসপাতালে নারায়ণ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করবে। মাঝেমধ্যে আমিও আসব। আশা করি, এখানকার মানুষ আধুনিক চিকিৎসা পাবে। বিদেশমুখী কমবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর