ব্রেকিং:
দুধে ভেজাল আছে কি-না পরীক্ষা করুন এই উপায়ে অবৈধ ডিটিএইচ সংযোগ ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সরানোর নির্দেশ বরখাস্ত হলেন কাউন্সিলর সাঈদ শাহ আমানতে সাড়ে ছয় কোটি টাকার সোনার বার উদ্ধার যুবলীগের বয়স নিয়ে সিদ্ধান্ত গণভবনে: কাদের আওয়ামীলীগ নেতার উপর বর্বরোচিত হামলা সবার আগে দৃষ্টি দুই নারী ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৫ চালকদের ডোপ টেস্ট করেছে হাইওয়ে পুলিশ অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলনে জরিমানা বেতন ভাতা উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন শাসনগাছার খাজা হোটেলকে জরিমানা এ সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরী গোপন অভিযানে চোরাইচক্রের মূল হোতা আটক পাঠক শূন্য কুমিল্লার পাঠাগার বাবাকে বাঁচাতে কুবি শিক্ষার্থীর আকুতি অবৈধ ড্রেজার মেশিনে হুমকীর মুখে সরকারি খাল নবাগত ওসি’র চমক, এক রাতেই ৯ পলাতক আসামি আটক স্কাউটিংই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে থানার পাশেই অবৈধ অস্ত্র

শনিবার   ১৯ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৩ ১৪২৬   ১৯ সফর ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
৩৮

বিএনপির সমাবেশে হট্টগোলে খেই হারিয়ে ফেললেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

‘চুপ, চুপ আপনারা থামেন। আপনাদের হট্টগোলে আমি বক্তব্যের খেই হারিয়ে ফেলেছি। থামেন।’ রবিবার রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের থামাতে এভাবেই বলতে শোনা যায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। কিন্তু তিনি বারবার বলেও নেতাদের থামাতে ব্যর্থ হন।

সমাবেশে উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম মঞ্চে উঠার সঙ্গে সঙ্গেই হট্টগোল শুরু করেন সমাবেশে আসা স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ফখরুলের বক্তব্য না শুনে নেতারা হট্টগোল শুরু করেন এবং নানা রকম স্লোগান দেন। ফখরুল একাধিকবার তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেন কিন্তু তিনি থামাতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে ফখরুল উত্তেজিত হয়ে নেতাকর্মীদের হট্টগোলে বক্তব্যের খেই হারিয়ে ফেলেছেন বলতেও শোনা যায়। তারপরও নেতাকর্মীরা থামেননি। এমনকি এসময় বেশ কয়েকজন হাতাহাতি ও মারামারিতে লিপ্ত হন। মঞ্চের সামনে থাকা মহিলা দলের নেতারা সামনে বসার চেয়ারে না বসে দাড়িয়ে দাড়িয়ে গল্প করতে দেখা গেছে। এতে পেছনে বসে থাকা নেতারা মঞ্চ দেখতে পাননি।

এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেওয়ার সময়ও স্থানীয় নেতাদের এমন আচরণের জন্য দলীয় কোন্দলকে দায়ী করছেন দলের সিনিয়র নেতারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সিনিয়র এক বিএনপি নেতা বলেন, এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির মধ্যে নানা কোন্দল রয়েছে। মহানগর বিএনপির সভাপতির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর চরম বিরোধ রয়েছে। আবার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের সঙ্গে আহ্বায়ক জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফার রয়েছে চরম বিরোধ। ফলে এক পক্ষের লোকজন অপরপক্ষকে সহ্য করতে পারছিলেন না। সে জন্য এমন হট্টগোল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর