ব্রেকিং:
যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের ৩ শিশুকে যৌন নিপীড়ন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর ঘটনা খাল ভরাট করে সড়ক চায় না কুসিক, মানছে না সওজ চাঁদপুর পালবাজার থেকে ‘প্লাস্টিকের চাল’ উদ্ধার নিয়ে ধুম্রজাল করোনায় কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যানের মৃত্যু ভরাট হয়ে যাচ্ছে ৩০০ বছরের জংলিবিবি পুকুর কমিটি বিহীন চলছে আখাউড়া পৌর যুবদলের কার্যক্রম দেশে একদিনে কমেছে মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়েছে ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ ৬৬ বছরে বাংলা একাডেমি বিজয়ের মাসেই পদ্মা জয়ের স্বপ্নপূরণ বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’রেজুলেশন জাতিসংঘে গৃহীত নকল টিকা নিয়ে ইন্টারপোলের সতর্কতা, বিশ্বব্যাপী শঙ্কা ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম মুক্ত হবে দেশ তৈরি হচ্ছে ৩ লাখ ৭০ হাজার স্লিপার রেমিট্যান্সের প্রণোদনায় শর্ত শিথিল আগামী ডিসেম্বরে রামপালের বিদ্যুৎ করোনা বিপর্যয়ের মধ্যেও দেশে জাপানি বিনিয়োগ পাওনাদী পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ জুট মিলের শ্রমিকরা
  • শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

২১০

বিনা চিকিৎসায় ছেলের মৃত্যু, খবর শুনে মারা গেলেন বাবাও

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৮ জুন ২০২০  

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে শাহ আলম নামে এক ব্যক্তি শনিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে নানা অজুহাতে কোনো হাসপাতাল তাকে ভর্তি নেয়নি। এক পর্যায়ে নগরীর মুন হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক শাহ আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই মৃত্যু হয়েছে শাহ আলমের।

এদিকে বিনা চিকিৎসায় ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেছেন শাহ আলমের বাবা আব্দুল বারেক। রোববার ভোরে ওই উপজেলার মোকাম ইউপির কোরপাই গ্রামে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

শাহ আলমের ছেলে শরীফ জানান, তার বাবার ডায়াবেটিসের সমস্যা ছিল। শনিবার রাতে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে স্থানীয় ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে তাকে শুধু স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়। এক ঘণ্টা পর চিকিৎসক এসে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে বলেন। পরে কুমেক কর্তৃপক্ষ জানায় তারা করোনা ছাড়া অন্য কোনো রোগী রাখে না।

শরীফ আরো জানান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ থেকে তার বাবাকে নগরীর বাগিচাগাঁওয়ের কুমিল্লা ডায়াবেটিস হাসপাতালে পাঠায়। সেখান থেকে বলা হয় তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। কিন্তু তাদের আইসিইউ না থাকায় ভোর ছয়টায় পাশ্ববর্তী মুন হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহ আলমের ভগ্নিপতি মো. রফিক বলেন, রাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত আমরা এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটেছি। কোথাও চিকিৎসা পাইনি। এদিকে শাহ আলম ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে আমার শ্বশুরও মারা যান।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুজিবুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে এভাবে কেউ ফিরে যাওয়ার কথা নয়। আইসিইউতে নেয়ার মতো রোগী হলে অন্য হাসপাতালে পাঠাতে বলা হতে পারে। কারণ, এ হাসপাতালের সবগুলো আইসিইউ শুধুমাত্র করোনা রোগীদের জন্য বরাদ্দ।

বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মীর হোসেন মিঠু জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন আইসোলেশনের ব্যবস্থা আছে। শাহ আলম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তাকে চিকিৎসা দেয়ার কথা ছিল। করোনার উপসর্গ না থাকলে অন্য হাসপাতালগুলোও চিকিৎসা দিতে পারতো।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর