ব্রেকিং:
ফসলের ফলন বাড়ছে তরল সার উদ্ভাবনে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে, জমজমাট হোটেল ব্যবসা দুর্গম চরে আশার আলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৯১ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার অক্সিজেনের ন্যূনতম মূল্য ১০০-১২০ টাকা টিকা দেওয়ার ছক প্রস্তুত উন্নয়ন দেখতে বাংলাদেশে আসতে চান বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ মহাকাশ চর্চার যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের বাসায় রাখা নিশ্চিত করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নতুন ৬ মেডিকেল কলেজের মাস্টারপ্ল্যান শরীয়তপুরে ধর্ষণ মামলার মীমাংসা করতে ডেকে নিয়ে ফের গণধর্ষণ সরকারি স্কুলে ২০ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তির নির্দেশ বিএসএফের আমন্ত্রণে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে বিজিবি ৭০০০ অ্যাম্বুল্যান্স মালিক যুক্ত হয়েছেন ৯৯৯ জরুরি সেবায় হোয়াইট হাউজের শীর্ষ পদে বাংলাদেশের জায়ান স্বাভাবিক জীবনে ৯ জঙ্গি আবিদা বলল, ভুল পথে ছিলাম বিশ্বজুড়ে করোনায় ২০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু রাজনীতি ছেড়ে দেব এমপি বাহার,কিন্তু কেন ?? রিকশা বিক্রির টাকায় কুরআন বিতরণ করলেন তারা মিয়া কুমিল্লায় কীটনাশক পানে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা
  • শনিবার   ১৬ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৩ ১৪২৭

  • || ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

৫৫

বিয়ের কাজী হতে পারবেন না নারীরা: হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২১  

বাংলাদেশের সামাজিক ও বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে নারীরা নিকাহ রেজিস্ট্রার (বিয়ের কাজী) হতে পারবে না মর্মে ৬ বছর আগে আইন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

দিনাজপুরের এক নারী রেজিস্ট্রার প্রার্থীর রিট খারিজ করে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করেন।

রোববার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছেন, নারীরা মাসের একটি নির্দিষ্ট সময় ফিজিক্যাল ডিসকোয়ালিফেশন থাকেন। মুসলিম বিবাহ হচ্ছে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং আমাদের দেশে বেশির ভাগ বিয়ের অনুষ্ঠান হয় মসজিদে। ওই সময় নারীরা মসজিদে প্রবেশ করতে পারেন না এবং তারা নামাজও পড়তে পারেন না। বিয়ে যেহেতু একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এ বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে নারীদের দিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়। এ পর্যবেক্ষণে আদালত রুল খারিজ করে দিয়েছেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস কে সাইফুজ্জামান বলেন, আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন- মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্ট্রারদের কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে নারীদের প্রত্যেক মাসে একটি বিশেষ সময় আসে যে সময়টাতে ধর্মীয়ভাবেই নারীরা মসজিদে যেতে পারেন না। আবার নামাজও পড়তে পারেন না। এ রকম সময় যদি কারো বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। সেখানে তো কোনো নারী যেতে পারবেন না। অন্যান্য পাবলিক অফিসে নারীরা যে কাজ করেন, আর ম্যারেজ রেজিস্ট্রার হিসেবে কার্যক্রমটা আলাদা। বিয়ে শুধু সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, এটা ধর্মীয় অনুষ্ঠানও বলে মন্তব্য করেছেন আদালত।

২০১৪ সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়িয়ার পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের  নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে তিনজন নারীর নাম প্রস্তাব করে উপদেষ্টা কমিটি। তিন সদস্যের এ প্যানেল আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের ১৬ জুন ‘বাংলাদেশের বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে নারীদের দ্বারা নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়’ মর্মে চিঠি দিয়ে ওই প্যানেল বাতিল করে আইন মন্ত্রণালয়।

কুমিল্লার ধ্বনি
আদালত বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর