ব্রেকিং:
রামগঞ্জে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যা, ছেলের বউ আটক পিকআপের ধাক্কায় পল্লী বিদ্যুতের নারী কর্মী নিহত ছেলেদের ঘরের মেঝেতে রক্তের দাগ, মিলল অস্ত্র-রক্তমাখা কাপড় আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা সুরক্ষা সরঞ্জাম প্রদান সাবেক ভিপি নূরের বিরুদ্ধে দেবিদ্বারেও মামলা করোনা রোধে পোশাক কারখানার নতুন কৌশল বাড়ির কাছে পৌঁছে যাচ্ছে করোনার নমুনা সংগ্রহের গাড়ি করোনার মধ্যেই বাংলাদেশে উন্নতির লক্ষণ দেখছে বিশ্বব্যাংক লকডাউনেও মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় বিকাশে টাকা পাবে সাড়ে ১০ লাখ পরিবার করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়েছে অন্ধকারে সুবর্ণচর উপজেলা,বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি ৮ শতাধিক শতাধিক গরীব ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মোবাইলে অন্যজনের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী কথা, অতঃপর... ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিট উদ্বোধন কন্যা শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার লালমাই স্ত্রী নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল স্ত্রী-কন্যার সামনে স্কুল শিক্ষককে লাঞ্ছনা দরিদ্রদের ইফতার সামগ্রী উপহার দিলেন এএসপি সোনাগাজীতে মানববন্ধনে সন্ত্রাসী হামলা
  • শুক্রবার   ২৩ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪২৮

  • || ১০ রমজান ১৪৪২

বি-বাড়িয়ায় বাচ্ছা নষ্ট করার ঔষধ খেয়ে অন্ত:সত্ত্বা নারীর মৃত্যু

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২১  

২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন সোহেদা আখতার(৩৫)। স্বল্প শিক্ষিত হওয়ায় গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি নিজেও আঁচ করতে পারেননি। শরীর খারাপ লাগায় শরণাপন্ন হন গ্রাম্য এক মহিলা চিকিৎসকের।সেই মহিলা চিকিৎসকের দেয়া গর্ভপাতের ওষুধ কাউকে কিছু না জানিয়ে খেয়েছিলেন সোহেদা। এরপর থেকে পেটে প্রবল ব্যথা শুরু হয় তার। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।পরে অবস্থা বেগতিক দেখে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাত ৯টায় দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে তার স্বামী। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাইজুর রহমান ফয়েজ সোহেদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সোহেদা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ধরন্তি গ্রামের আনোয়ার মিয়ার স্ত্রী ও ৬ সন্তানের জননী।

হাসপাতালে স্বামী আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সোমবার পাশের বাড়ির এক মহিলার কাছে থেকে এমএম কিট নামের ট্যাবলেট এনে খায় তার স্ত্রী সোহেদা। রাত থেকে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। মঙ্গলবার বিকেলে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সোহেদা মারা যায়।

এ বিষয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফাইজুর রহমান ফয়েজ জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি মারা গেছে। এসব গর্ভপাতের ওষুধের জন্য এখন আর গাইনী ডাক্তারের কাছে যাওয়া প্রয়োজন মনে করেন না রোগীরা। যার কারণে তারা সহজেই ফার্মেসির দোকানদারের কাছে গর্ভপাতের ওষুধ চাইলেই এটা দিয়ে দিচ্ছেন। ফলে গর্ভপাত করতে গিয়ে অকালে ঝরে যাচ্ছে অনেক প্রসূতি মায়ের জীবন।