ব্রেকিং:
যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের ৩ শিশুকে যৌন নিপীড়ন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর ঘটনা খাল ভরাট করে সড়ক চায় না কুসিক, মানছে না সওজ চাঁদপুর পালবাজার থেকে ‘প্লাস্টিকের চাল’ উদ্ধার নিয়ে ধুম্রজাল করোনায় কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যানের মৃত্যু ভরাট হয়ে যাচ্ছে ৩০০ বছরের জংলিবিবি পুকুর কমিটি বিহীন চলছে আখাউড়া পৌর যুবদলের কার্যক্রম দেশে একদিনে কমেছে মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়েছে ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ ৬৬ বছরে বাংলা একাডেমি বিজয়ের মাসেই পদ্মা জয়ের স্বপ্নপূরণ বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’রেজুলেশন জাতিসংঘে গৃহীত নকল টিকা নিয়ে ইন্টারপোলের সতর্কতা, বিশ্বব্যাপী শঙ্কা ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম মুক্ত হবে দেশ তৈরি হচ্ছে ৩ লাখ ৭০ হাজার স্লিপার রেমিট্যান্সের প্রণোদনায় শর্ত শিথিল আগামী ডিসেম্বরে রামপালের বিদ্যুৎ করোনা বিপর্যয়ের মধ্যেও দেশে জাপানি বিনিয়োগ পাওনাদী পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ জুট মিলের শ্রমিকরা
  • শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

১০১

ব্রাহ্মণপাড়ায় সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত কৃষক

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২০  

পাট কাটা, জাগ দেওয়া, পাট কাঠি থেকে পাট ছাড়ানো ও শুকানোর কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পাটচাষিরা। নতুন পাট বাজারে বিক্রি করে পরিশ্রমের ফল ঘরে তোলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। গত বছরের তুলনায় এই উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় দ্বিগুনেরও বেশি হেক্টর জমিতে সোনালী আঁশ পাটের চাষ হয়েছে। এবার উৎপাদনও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ঘুরো কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত অর্থ বছরে ঘোষিত বাজেটে সরকারিভাবে পাটের দাম বৃদ্ধি করায় এ অঞ্চলের কৃষকরা আবারো পাট চাষের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলার দুলালপুর গ্রামের কৃষক জানু মিয়া বলেন, গত বছর তিনি ১৫ শতক জমিতে পাটচাষ করে ভাল দাম পেয়েছেন। এ কারণে এ বছর তিনি ৩০ সতক জমিতে পাটচাষ করেছেন। একই গ্রামের কৃষক শানু মিয়া ও ফজলুর রহমান জানান, এক সময় তারা পাট চাষের উপরই নির্ভরশীল ছিলেন। ব্রাহ্মণপাড়ায় সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত কৃষককিন্তু বিগত কয়েক বছর পূর্বে হঠাৎ করে পাটের দাম কমে যাওয়ায় তারা পাট চাষের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু গত বছর পাটের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবছর তাদের অধিকাংশ জমিতে পাটচাষ করেছেন বলে তারা এ এই প্রতিনিধিকে জানান।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহাবুবুল হাসান জানান, অন্যান্য ফসলের তুলনায় পাটচাষে আর্থিক খরচ ও শ্রম দু’টোই কম লাগে। তাছাড়া পাট অধিক লাভজনক একটি ফসল হওয়ায় এবং গত বছর চাষীরা পাটের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকেরা এবার পাটচাষের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন। তিনি আরো জানান, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া পাট চাষের অনুকূলে থাকায় কৃষকেরা সঠিক সময়ে জমিতে বীজ বপন করার সুযোগ পেয়েছে। এ বছর এই উপজেলায় গতবছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি জমিতে পাটচাষ হয়েছে। কৃষকদের উৎপাদিত পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে হলে সরকারিভাবে পাটের দাম নির্ধারণ করতে হবে। তাহলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাবে এবং আগামীতেও পাট চাষে তাদের আগ্রহ আরও বারবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর