ব্রেকিং:
স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হচ্ছে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট আগামী বছরের শুরুতেই বন্ধ হচ্ছে সুন্দরবন খুলছে নভেম্বরেই, এক জাহাজে যাবেন ৫০ জন ইলিশ প্রজনন মৌসুমে জেলেরাও হয়ে উঠছে বেপরোয়া বছরে বিক্রি হবে ১২ কোটি টাকার মাল্টা, যাবে বিদেশেও কুমিল্লায় পাঁচশ’ বছরের পুরনো পূজা মন্ডপে জীবন্ত সাপ ঘিরে চাঞ্চল্য আরো ৪৩ পণ‌্যের মান সনদ বাধ্যতামূলক করলো বিএসটিআই গরু-মহিষের নাড়ি ভুঁড়ি রপ্তানি করে ৩০০ কোটি টাকা আয় সেনাবাহিনী প্রধানের নামে কোনো ফেসবুক আইডি নেই জাতি বিভ্রান্ত হয় এমন সংবাদ পরিবেশন করবেন না: প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছরেও হয়নি মনোহরগঞ্জের নিজস্ব পোস্টাল কোড ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ ডাকাত আটক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন মেঘনায় জেলেদের হামলায় ১০ নৌ-পুলিশ আহত বিরল দৃষ্টান্ত, পুলিশের হাতে সন্তানকে তুলে দিলেন মা দেশে একদিনে আক্রান্ত এক হাজারের বেশি, মৃত্যু বেড়েছে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার নারীদের একাকিত্বকে টার্গেট করেই চলে কামালের ধর্ষণ আর প্রতারণা ৭ বছরের চাচাতো বোনকে ধর্ষণ করল ১৪ বছরের কিশোর! বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত ৪ লাখের বেশি, মৃত্যু ৫৫৯৯
  • সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১১ ১৪২৭

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

৫৬

ভাঙনে বিলিনের পথে পানিশ্বর গ্রাম

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২০  

চলতি বর্ষা মৌসুমের পানি কমতে শুরু করেছে। কিন্তু মেঘনার নদীর ভাঙনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর গ্রাম। প্রবল স্রোতের কারণে ভাঙনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় কয়েক দিনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে অন্তত বেশ কয়েকটি বাড়ি ও চাতালকল। আর এ ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো এখন ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করছেন। 

সরেজমিনে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউপিতে পানিশ্বর গ্রাম ও বাজার। মেঘনার তীর ঘেষে গড়ে উঠা প্রায় অর্ধশত বছরের পুরোনো এ বাজারে রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ৩০টি চাতালকল ও  শতাধিক বাড়িঘর। গ্রামটির লোক সংখ্যা প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি। এ গ্রামের পাশ দিয়ে মেঘনা নদী প্রবাহিত হওয়ায় প্রতি বছরই ঘর-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে ছোট হয়ে আসছে গ্রামের পরিধি। অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ঘর-বাড়িসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলিন হয়ে নিস্ব হচ্ছে শতশত অসহায় পরিবার। 

চলতি সপ্তাহে অব্যাহত ভাঙনের মুখে পড়েছে নিস্ব হয়েছে বেশ কয়েকটি পরিবার। ভাঙনরোধে পরিকল্পিত কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় কমছে না ভাঙনের মাত্রা। এক রাতেই মেঘনায় বিলিন হয়েছে প্রায় ১৫০ ফুট যায়গা। সেচ্ছাশ্রম আর নিজ উদ্যোগে ভাঙনরোধে বাঁশ দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনি নির্মাণ করছেন স্থানীয়রা। তাই ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সরকারের সহযোগিতা ও ভাঙনরোধে গ্রামটির চার পাশে বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে। 

পানিস্বর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোস্তফা মিয়া জানান, প্রায় তিন বছর ধরে এই এলাকাটিতে ভাঙন চলছে। কিছু সংখ্যক জিও ব্যাগ ফেলা হলেও রোধ হচ্ছে না ভাঙন। তাই ভাঙনরোধে দ্রুত একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার দাবি এখন সবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সরাইলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী গৌতম বিশ্বাস বলেন, ভাঙনরোধে এরইমধ্যে জিও ব্যাগ ফেলার জন্য অর্থ চাওয়া হয়েছে। অর্থ পেলেই জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হবে। এছাড়া বেড়িবাঁধ দেয়ার জন্য ৮৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চাওয়া হয়েছে। এটি একনেকের বৈঠকে অনুমতি পেলেই কাজ শুরু হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর