ব্রেকিং:
উত্তর জেলা বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগের পরিচিত সভা কুবিতে সব ধরনের সন্ধ্যা কোর্স বন্ধ ঘোষণা দেবিদ্বারে জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন পারিবারিক কলহের জেরে প্রাণ দিল স্কুলছাত্রী কুমিল্লায় চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন! আদালতে ধর্ষকের আত্মসমর্পণ বৌদ্ধ ট্যুরিজম সার্কিট গঠনে কুমিল্লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে শিশুদের মসজিদে প্রবেশে বাধা নয়, উৎসাহ দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে কম্বল দিচ্ছেন ডিসি মাদকবিরোধী জনসচেতনতায় ‘ফানুস’ ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন বৈষম্যমূলক: জাতিসংঘ খুলনার পাটকল শ্রমিকদের অনশন স্থগিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, কমবে আরো তাপমাত্রা দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা: ফোর্বস শিশু মৃত্যু ৬৩ শতাংশ কমিয়েছে বাংলাদেশ শনিবার সকাল পর্যন্ত ৩১ ব্যাংকের বুথ বন্ধ এবার পরীমনির রগরগে ছবি ভাইরাল কুমিল্লা ময়নামতি’র ইতিহাস, শাসনামল, সৌন্দর্য ও রহস্য বরুড়ায় এক বৃদ্ধের অাত্মহত্যা

রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
১৩২০

ভারতের নাগরিকত্ব বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধোঁয়াশায় শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে সম্প্রতি পাশ হওয়া সংশোধিত নাগরিকত্ব বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে সম্প্রতি পাস হওয়া সংশোধিত নাগরিকত্ব বিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য ঠিক বুঝতে পারছেন না। 

নয়া দিল্লি জানিয়েছে, এ বিলটির ফলে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে পালিয়ে আসা সংখ্যালঘুরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। 

তিনি বলেন, কেন এ বিল...আমি বুঝতে পারছি না। এটা কি নির্বাচনকে উদ্দেশ্য করে করা? মুচকি হেসে তিনি বলেন।

তিনি বলেন, তিনি কখনোই মনে করেন না যে এ বিলটি বাংলাদেশ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন করে থাকে এমন দোষারোপ করার অর্থ বহন করে। আমি এরকম মনে করি না। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা নেই। কিছু ঘটনা ঘটছে। কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় চরমপন্থা এবং সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটা শুধু বাংলাদেশের একক কোনো সমস্যা নয়। তিনি জানান, তিনি বুঝতে পরছেন যে, ভারতের মানুষও এ বিল নিয়ে খুশি নয়। আমি মনে করি, ভারতের এমন কিছু করা উচিত নয় যা উত্তেজনা তৈরি করে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসাম এবং অন্যান্য এলাকায় (বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে) অপ্রতিরোধ্য বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতো। কিন্তু তার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ায় এ ধরনের ঘটনা আর ঘটছে না।

‘প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তাদেরও এসব কিছু বিবেচনা করা উচিত।’ 

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে এবং দারিদ্র্যের হার প্রচুর। শেখ হাসিনা বলেন, আমি প্রতিবেশীদের বলেছি যে, আমাদের কমন একটা শত্রু আছে- দারিদ্র্য; এর বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।

বুদ্ধিজীবী ও অ্যাক্টিভিস্টদের ওপর নিপীড়নের ঘটনার ব্যাপারে তিনি বলেন, ২০১৬ সালের পর থেকে কোনো বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। শেখ হাসিনা বলেন, ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের হত্যা (আমাদের দেশে) একটি নতুন ঘটনা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। দেশের মানুষ এবং সরকার পরিষ্কারভাবে এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং হোতাদের ধরতে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অস্থিতিশীলতা তৈরি করে এমন কার্যকলাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্যবেক্ষণের জন্য একটি স্পেশাল টাস্ক গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। এছাড়া যারা হুমকি পেয়েছেন তাদেরকে পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৬ সালের পর এখন পর্যন্ত কোনো ব্লগার কিংবা অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হত্যাকাণ্ড ঘটেনি; যা সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কার্যকর প্রতিফলন। 

এছাড়া বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে শূন্য সহণশীলতা নীতি অনুসরণ করা হয়।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কাউকে আমাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশে সমস্যা তৈরি করতে দেবো না। কারণ এটা আমার নিজ দেশের শান্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। আমাদের ঘোষণা হলো, যে কোনো সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের সহনশীলতা শূন্যের কোঠায়। দেশে যদি শান্তি থাকে, তবে খুব দ্রুতই তুমি সেখানে সমৃদ্ধি অর্জণ করতে পারবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর