ব্রেকিং:
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের চার দশক পূর্তিতে তথ্যচিত্র ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘টাউকটে’ তিন ওয়ানডে খেলতে ঢাকায় শ্রীলংকা ক্রিকেট দল ইসরায়েলকে সমর্থন জানিয়ে বাইডেনের ফোন ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৯ ফের বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঈদ উপলক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার আরো সাতদিন বাড়ছে লকডাউন, রোববার প্রজ্ঞাপন করোনায় ভাই হারালেন মমতা ব্যাংক-বিমা ও শেয়ারবাজার খুলছে কাল গাজায় ৪০ মিনিটে ৪৫০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইসরায়েল স্বাস্থ্যবিধি পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান কাদেরের দেশেই টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী উপকূলের ঘরে ঘরে ডিজিটাল ব্যাংক ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরার ব্যবস্থা ঈদের পর বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড লকডাউনে বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ খালেদার ভুয়া জন্মদিন পালনের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ভালোবাসায় বড় হচ্ছে যে মসজিদ মেঘ দেখলেই পালায় বিদ্যুৎ
  • রোববার   ১৬ মে ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৮

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

ভার্চুয়াল আদালতে ১৬১ আসামীর জামিন

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ৪ মে ২০২১  

ফেনীর আদালতে চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল শুনানীতে ১৬১ আসামী জামিন লাভ করেছেন। ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৩১৮ জন আসামীর জামিন আবেদন শুনানী শেষে ২২০ জনের আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত। ফেনী জেলা জজ আদালত, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ভার্চুয়াল আদালতে এসব জামিন শুনানী সম্পন্ন হয়েছে।
তবে আইনজীবীদের দাবী, যতদ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্যবিধির বাধ্যবাধকতা আরোপ করে আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক না করা হলে একদিকে মামলার জট বাঁধবে অন্যদিকে মানুষ ন্যায় বিচার বঞ্চিত হবে।

আদালতের সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রে জানা যায়, লকডাউন পরিস্থিতিতে ১৩ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। শুধুমাত্র কারাগারে থাকা আসামীদের জরুরী জামিন শুনানী ছাড়া বাকী সব কার্যক্রম স্থগিত করে নির্দেশনা জারি করা হয়। সেই থেকে ফেনীতে অদ্যবধি ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা ও দায়রা জর্জ ড. বেগম জেবুননেছার ভার্চুয়াল আদালতে এ সময়ের মধ্যে ১২৫ জন আসামীর জামিন শুনানী নিষ্পত্তি করা হয়। এদের মধ্যে ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করে বাকী ৭২ আসামীর আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত।

জেলা নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার ১৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৪০ জন আসামীর জামিন শুনানী করে ১৪ জনের আবেদন মঞ্জুর ও ২৬ জনের নামঞ্জুর করেন। একইভাবে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটদের কয়েকটি আদালতে উল্লেখিত সময়ে ২১৬ জনের জামিন শুনানী করা হয়। এদের মধ্যে ৯৪ জনের জামিন মঞ্জুর করে বাকী ১২২ জনের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

মো. শাহ আলম নামের সোনাগাজী উপজেলার এক ব্যক্তি জানান, তিনি একটি হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী। লকডাউন শেষ হলেই তিনি প্রবাসে চলে যাবেন। হত্যা মামলাটিতে তার সাক্ষ্য না হলে বিচারপ্রার্থীরা ন্যায় বিচার বঞ্চিত হবেন। এপ্রিল মাসে সাক্ষ্যগ্রহনের তারিখ থাকায় সবাই আশা করেছিলো তার সাক্ষ্যটা প্রবাসে যাওয়ার আগেই হয়ে যাবে। কিন্তুু লকডাউনে ভার্চুয়াল আদালতে সাক্ষ্য গ্রহন বন্ধ রয়েছে। এমতাবস্থায় তিনি প্রবাসে চলে গেলে এ মামলার বিচারপ্রক্রিয়া আটকে যাবে। বিচারপ্রার্থীরা অন্তত ২ থেকে ৩ বছর ঘুরতে হবে। তার সাক্ষ্যছাড়া মামলার বাদী ন্যায় বিচার পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নুর হোসেন জানান, লকডাউনের পর থেকে আদালতে শুধুমাত্র কারাগারে থাকা আসামীদের জামিন শুনানী চলছে। অন্য সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে করে একদিকে বিচারপ্রার্থীদের বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা তৈরী হচ্ছে অন্যদিকে মামলার জটও বাড়ছে। যদিও আদালতের সেবাগ্রহিতা থেকে শুরু করে সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সীমিত পরিসরে ভার্চুয়াল চালু হয়েছে। কিন্তু এর দীর্ঘসূত্রিতায় বিচারপ্রার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নানাভাবে ভোগান্তিতে ফেলবে। তাই যতদ্রুত সম্ভব ভার্চুয়াল আদালত বন্ধ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিয়মিত আদালত চালুর দাবী জানান আইনজীবী সমিতির শীর্ষ এ নেতা।