ব্রেকিং:
তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা: রেলমন্ত্রী টুটুলের আবিষ্কার: পলিথিন থেকে জ্বালানি বাংলাদেশের ফুটবলে চমক উপহার দিতে চায় ব্রাজিল জঙ্গিবাদের রূপ দিতে আবির্ভাব হয় সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান রাজধানীতে ৫০ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার ভারতের দূর্বল জায়গায় আঘাত করবে বাংলাদেশের স্পিন অস্ত্র! মাদকাসক্ত হলেই সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রিকশা চালক শিশু স্বপ্না ডাক্তার হতে চায় ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান বৃদ্ধা মাকে সড়কে ফেলে গেলো সন্তান, ওসি দিলেন বুকে ঠাঁই জেনারেল আজিজ- একজন নিবেদিতপ্রাণ গলফার সেনাপ্রধান ‘প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত সব দুধই মানহীন’ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে লিভার প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক ২৮ জুন বসবে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান

বৃহস্পতিবার   ২৭ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১৪ ১৪২৬   ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কুমিল্লার ধ্বনি
৩৯

মাছ চাষ প্রকল্পে ধান, লাভবান কৃষক

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০১৯  

কুমিল্লার দাউদকান্দির অধিকাংশ গ্রামে মাছ চাষ প্রকল্পের প্লাবন ভূমিতে বিষমুক্ত ধান চাষ করে লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। এতে মাছ চাষ লাভের পাশাপাশি নিজের শ্রম ও কম খরচে ধান চাষের সাফল্যে খুশি তারা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর দাউদকান্দি উপজেলা কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, উপজেলায় চলতি বছর সাত হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ও ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউপির প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষ প্রকল্পগুলোতে কম খরচে ধানের চাষ হয়েছে। ফলনও হয়েছে বেশি।

উপজেলার সিংগুলা গ্রামের কৃষক ওবায়দুল হক বলেন, ১৯৯৫ সালের আগে প্লাবন ভূমির মাঠগুলোতে বাঙ্গি, তরমুজ, ক্ষীরা, শসা, আমন ধান, পাট, গম, তিল, ঢ্যাঁড়স, টমেটো, পুঁইশাক ও মিষ্টিকুমড়ার চাষ করতাম। পরে কৃষকরা বছরের খোরাক নিশ্চিত করতে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি বোরো ধানের চাষে ঝুঁকে পড়েন। তবে পরিবারের সদস্যরা অন্য কাজের পাশাপাশি ধান চাষে সহযোগিতা করলে নিশ্চিত লাভবান হওয়া যায়। বছরে ছয় মাস মাছ চাষ ও ছয়মাস ফসল উৎপাদন হচ্ছে।

দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের কৃষক মো. আলম বলেন, উপজেলার মৎস্য চাষ প্রকল্পে ৪০ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। খরচ হয়েছে প্রায় এক হাজার টাকা। ২২ মণ ধান পেয়েছি। প্রতি মণ ধান ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করলে ১১ হাজার টাকা পাব। তবে এই ধান বিক্রি করব না।

তিনি বলেন, বিষমুক্ত ধানের আবাদ করে খুশি। তিন সদস্যের পরিবারের সারা বছরের ভাতের জন্য ভাবতে হবে না। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পরিশ্রম করে ধান চাষ করে লাভবান হয়েছি। এবার ফলন খুব ভালো হয়েছে।

বেকিনগর গ্রামের কৃষক শাহজাহান বলেন, ৯০ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। প্রতি ৩০ শতাংশে ফলন হয়েছে ১৮ থেকে ২০ মণ। খরচ হয়েছে চার হাজার টাকা। প্রতি মণ ধান ৫০০ টাকা হিসেবে ধরলে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বিষমুক্ত ধান পেয়েছি। এতে পরিবারের ভাতের জোগান নিয়ে ভাবতে হবে না।

উপজেলার আদমপুর গ্রামের কৃষক আলী হোসেন বলেন, তিন একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। পরিবারের সদস্যদের শ্রমে প্রতি ৩০ শতাংশে খরচ হয়েছে এক হাজার টাকা। প্রতি ৩০ শতাংশে ফলন হয়েছে ১৮ মণ। চলতি বছর শিলাবৃষ্টি ও পোকার আক্রমণের পরও ধানের ভালো ফলন হয়েছে। এতে অনেক খুশি আমি।

বঙ্গবন্ধু কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক বন্ধু খ্যাত অধ্যাপক মতিন সৈকত বলেন, দাউদকান্দিতে বিষমুক্ত ধান উৎপাদন করেছি। বুদ্ধি খাটিয়ে কষ্ট করে মুনাফা অর্জন করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সারোয়ার জামান বলেন, বোরো ধান চাষে কৃষক সচেতন হলে কম খরচে বিষমুক্ত অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরও এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর