ব্রেকিং:
তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা: রেলমন্ত্রী টুটুলের আবিষ্কার: পলিথিন থেকে জ্বালানি বাংলাদেশের ফুটবলে চমক উপহার দিতে চায় ব্রাজিল জঙ্গিবাদের রূপ দিতে আবির্ভাব হয় সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান রাজধানীতে ৫০ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার ভারতের দূর্বল জায়গায় আঘাত করবে বাংলাদেশের স্পিন অস্ত্র! মাদকাসক্ত হলেই সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রিকশা চালক শিশু স্বপ্না ডাক্তার হতে চায় ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান বৃদ্ধা মাকে সড়কে ফেলে গেলো সন্তান, ওসি দিলেন বুকে ঠাঁই জেনারেল আজিজ- একজন নিবেদিতপ্রাণ গলফার সেনাপ্রধান ‘প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত সব দুধই মানহীন’ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে লিভার প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক ২৮ জুন বসবে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান

বৃহস্পতিবার   ২৭ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১৪ ১৪২৬   ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কুমিল্লার ধ্বনি
১৯

‘মাদক ধ্বংসে বিশেষ চশমা দেয়া হবে’

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯  

৪৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ ইউসুফ জামিল বলেছেন, মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান ও ধ্বংস দুটোই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই যারা মাদকদ্রব্য ধ্বংসের কাজ করবে তাদের জন্য বিশেষ চশমা ব্যবস্থা করা হবে। যাতে মাদক নষ্ট করতে বিজিবি সদস্যদের কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়।

বুধবার ব্যাটালিয়নের প্রধান কার্যালয়ের বাস্কেটবল মাঠে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও সেবন রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এককভাবে কাজ করলে হবে না। বিভিন্ন স্তরের নাগরিকদের অংশগ্রহণ থাকলে মাদক থাকবে না। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মিজ সুনন্দা রায়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন পাহলোয়ান, জেলা বিশেষ শাখার এএসপি মো. আনিছুর রহমান খান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিদর্শক মো. হুমায়ন কবির ও পরিবশে অধিদফতরের ইন্সপেক্টর হারুনুর রশিদ পাঠানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা।

এর আগে ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ জুন পর্যন্ত পাঁচ কোটি ছয় লাখ ৬৩ হাজার ২শ টাকা মূল্যের মাদক আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করা হয়। এর মধ্যে ছিল ৩৬ হাজার ৮৭ বোতল বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় মদ, ১ হাজার ৬৫৯ লিটার বাংলা মদ, ১ হাজার ৮১২ বোতল ভারতীয় বিয়ার, ২ হাজার ২৭২ বোতল ফেনসিডিল, ২৫৭টি ইয়াবা, ১০ কেজি গাঁজা, ৩ লাখ ৮৪ হাজার ভারতীয় সিগারেট।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর