ব্রেকিং:
রামগঞ্জে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যা, ছেলের বউ আটক পিকআপের ধাক্কায় পল্লী বিদ্যুতের নারী কর্মী নিহত ছেলেদের ঘরের মেঝেতে রক্তের দাগ, মিলল অস্ত্র-রক্তমাখা কাপড় আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা সুরক্ষা সরঞ্জাম প্রদান সাবেক ভিপি নূরের বিরুদ্ধে দেবিদ্বারেও মামলা করোনা রোধে পোশাক কারখানার নতুন কৌশল বাড়ির কাছে পৌঁছে যাচ্ছে করোনার নমুনা সংগ্রহের গাড়ি করোনার মধ্যেই বাংলাদেশে উন্নতির লক্ষণ দেখছে বিশ্বব্যাংক লকডাউনেও মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় বিকাশে টাকা পাবে সাড়ে ১০ লাখ পরিবার করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়েছে অন্ধকারে সুবর্ণচর উপজেলা,বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি ৮ শতাধিক শতাধিক গরীব ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মোবাইলে অন্যজনের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী কথা, অতঃপর... ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিট উদ্বোধন কন্যা শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার লালমাই স্ত্রী নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল স্ত্রী-কন্যার সামনে স্কুল শিক্ষককে লাঞ্ছনা দরিদ্রদের ইফতার সামগ্রী উপহার দিলেন এএসপি সোনাগাজীতে মানববন্ধনে সন্ত্রাসী হামলা
  • শুক্রবার   ২৩ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪২৮

  • || ১০ রমজান ১৪৪২

মেরুদণ্ডের হাড়ক্ষয়ের কারণ ও করণীয়

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

অনেকেই হাড়ক্ষয়ের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যা বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি পরিলক্ষিত হয়। শরীরের হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়াকে অস্টিওপরোসিস বা হাড়ক্ষয় বলে। অস্টিওপরোটিক হাড় অনেকটা মৌচাকের মতো হয়ে যায়। এতে হাড় ঝাঁজরা বা ফুলকো হয়ে যায়। ফলে অতিদ্রুত ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

হাড়ক্ষয় বেশি হয়ে গেলে হাঁচি বা কাশি দিলেও তা ভেঙে যেতে পারে। বয়স ৫০ পেরোনোর পর থেকে শরীরের হাড়ক্ষয় বা এর লক্ষণগুলো দেখা দিতে শুরু করে।

হাড়ক্ষয় কেন হয়?

এটি নির্ভর করে আপনার ১৫ থেকে২৫ বছরের মধ্যে হাড়ের ঘনত্বের সঙ্গে ক্যালসিয়াম, ফসফেট, কোলাজেন ফাইবারের উপস্থিতি কেমন তার ওপর। এছাড়া বিভিন্ন কারণে হাড়ক্ষয় হতে পারে।

মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি। যারা নিয়মিত ব্যায়াম না করেন, অতিরিক্ত ওজন, নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ না করেন, ধূমপায়ী ও মদ্যপানকারী, ইস্ট্রোজেন, টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কম, যাদের থাইরয়েড ও প্যারাথাইরয়েড হরমোনের মাত্রা বেশি এবং এই রোগের পারিবারিক ইতিহাসের থাকলে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি।

আর বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও ডায়াবেটিস, লিভার, কিডনি রোগে হাড়ক্ষয় রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

উপসর্গ

প্রথমত কোনো শারীরিক লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে কোমরে, পিঠে বা অন্য কোথাও ব্যথা, বিশেষ করে যা ব্যথানাশকে কমে না এমন চরিত্রের ব্যথা হলে বুঝবেন হাড়ক্ষয় হয়ে গেছে।

কারো কারো দৈহিক উচ্চতা কমে যাওয়া, কুঁজো হয়ে যাওয়া বা সামনে ঝুঁকে থাকা। তবে গোপনে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হলো- মেরুদণ্ডে ফাটল বা চিড় ধরা এবং ঠুনকো আঘাতেই হাড় ভাঙা।

বুঝবেন কীভাবে?

অনেক রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার দরকার হতে পারে-কিছু ঘনত্ব পরিমাপের জন্য, কিছু আবার ঝুঁকি চিহ্নিত করার জন্য। হাড়ক্ষয় শনাক্ত করতে বিএমডি পরীক্ষা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো।

চিকিৎসা

প্রধান ও প্রথম পদক্ষেপ হবে ঝুঁকি শনাক্তকরণ, সম্ভব হলে তা রহিত করা। এর পর যেসব ওষুধ পাওয়া যায় সেগুলোর কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।

যেহেতু হাড়ক্ষয় একবার হলে আর ক্ষয়পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, তাই একে আগেভাগেই রোধ করার জাতীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি নিতে হবে।

এর অংশ হিসেবে কারা কতটুকু ঝুঁকিতে আছেন বা কারা ইতিমধ্যে হাড়ক্ষয়ে ভুগছেন, তা নির্ধারণ করতে হবে এবং উপযোগী চিকিৎসা নির্বাচন ও প্রয়োগ করতে হবে।

হাড়ক্ষয় রোধে কিছু পদক্ষেপ বিবেচনা করা যেতে পারে- নিয়মিত ব্যায়াম, স্টেরয়েডসহ ক্ষতিকারক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, ধূমপান ত্যাগ, প্রয়োজনে পরিমিত ক্যালসিয়াম সেবন।