ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধু ছিলেন কৃষকের আপনজন পাউবোর কাজে ধীর গতি, শত কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ত্রাণের সব তালিকা বাতিল বাজারে হামলা, দুই চেয়ারম্যানের পাল্টা পাল্টি অভিযোগ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ চাঁদপুরে ১২৭ রিপোর্টে পজিটিভ ২০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত কুমিল্লায় নতুন করে ৪৭ জনের করোনা শনাক্ত সীমান্তের শিক্ষাগুরু আব্দুর রহমান চৌধুরী চলে গেলেন ঈদের দিন রাতের মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে কুসিক দেশে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়ালো, একদিনে ২৭ মৃত্যু মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আবুল কালামকে দুদকে তলব মেজর সিনহার হত্যাকারীরা পার পাবে না সোশ্যাল মিডিয়ায় অস্থিরতা ছড়ালে ব্যবস্থা ওসি প্রদীপ গ্রেফতার দেশে একদিনে আরো ৩৯ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৯৭৭ চেয়ারম্যান-মেম্বারদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি গুজব করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ক্রয়ে কমিটি লেবাননে জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসক পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
  • শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১২৫

যে কারণে ফাঁসল ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২০  

করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমোদন রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ প্রকল্পে কর্মরতদের নমুনা পাওয়া ৫০টির ফলাফল দেওয়া হয় ওই মেডিক্যাল কলেজ থেকে। নমুনা সংগ্রহ, ফলাফল বিবরণীর সব তথ্যই মেডিক্যাল কলেজে সংরক্ষিত রয়েছে। তবুও মামলা হয়েছে কলেজটির চেয়ারম্যান ডা. আবু সাঈদের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত ‘মেডিকেয়ার’ নামে যে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মাধ্যমে নমুনা আনা হয় নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারি কোনো অনুমোদন নেই। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই প্রতিষ্ঠানকে নমুনা সংগ্রহের জন্য লিখিত অনুমতি দিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়ার জন্য মৌখিকভাবেও বলে দেয়। 

পরবর্তীতে পাবনার ঈশ্বরদীর ‘মেডিকেয়ার’ নামে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই নমুনা সংগ্রহ করেন। বিষয়টি জানার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫০টির পর আর নমুনা নেয়নি। এ অবস্থায় ‘মেডিকেয়ার’ আরো ১২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে নিজেদের কাছে রাখে, যা মামলাতেও উল্লেখ আছে।    

ওই ডায়াগনিস্টক সেন্টারটির নমুনা সংগ্রহের অনুমোদন না থাকার কারণেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের নাম উঠে এসেছে। মামলায় দুই নম্বর আসামি হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যানকে। সরকারের অনুমোদনহীন ডায়াগনিস্টক সেন্টারের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করার অভিযোগ আনা হয়েছে ওই মামলায়। তবে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার কোনো অভিযোগ মামলাতে উল্লেখ নেই। 

বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান ডা. মো. আবু সাঈদ। বেলা ১১টায় এ বিষয়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন আহবান করেছেন।

ডা. আবু সাঈদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কোনো ধরনের তদন্ত না করেই আমার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হয়েছে। আমার পিসিআর ল্যাব থেকে সেখানকার ৫০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের পজিটিভ ও ৩৯ জনের নেগেটিভ আসে। এর বাইরে আর কোনো ফলাফল আমাদের ল্যাব থেকে দেওয়া হয়নি। আর কোনো ফলাফলেই আমার সাক্ষর নেই।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘৬ জুলাই ৫০টি নমুনার ফলাফল দেওয়া হয়। এরপর যখন জানলাম ওই প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়নি তখন তাদের কাছ থেকে নমুনা নেওয়া বন্ধ করে দেই। নমুনা পরীক্ষার সকল কাগজপত্র আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।’

এখানে উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণমিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে চাকরি করতে আসা শ্রমিক-কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করে দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় পাকশীর ‘মেডিকেয়ার’ নামে অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার নমুনা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যালে পাঠায়।

এ ঘটনায় ৮ জুলাই ‘মেডিকেয়ার’ এর মালিক আব্দুল ওহাব রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিনই ঈশ্বরদী থানার এস আই মো. ফিরোজ হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, অনুমতি না থাকা সত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে নমুনা সংগ্রহ করে ‘মেডিকেয়ার’ নামে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রতিষ্ঠানটি নমুনা সংগ্রহের কাগজপত্র দেখা পারেননি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও ‘মেডিকেয়ার’ যোগসাজশে প্রতারণামূলকভাবে অধিক লাভের আশায় এ কাজটি করেছে। 

কুমিল্লার ধ্বনি
সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর