ব্রেকিং:
স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানছে না কেউই নবীনগরে মোবাইল রিচার্জের তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষে আহত ৮ সন্ত্রাসী হামলা, তিন বাড়িসহ ১১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর বাড়ির পাশে ঘাস কাটতে গিয়ে ফিরে আসেনি মেয়েটি এখনো বিপদসীমার উপরে তিতাসের পানি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই ভাইসহ ৩ শিশুর মৃত্যু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশ আত্মনির্ভরশীল হবে সীমার মাঝে অসীম তুমি অস্ট্রিয়ায় `বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০` উদ্বোধন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার আধুনিক রূপ হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ: পলক জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার ॥ প্রধানমন্ত্রী মানুষ যেন উন্নত জীবন পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী অসহায়দের মুখে খাবার তুলে দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে দেশে হিন্দু বৌদ্ধ মুসলমান খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই: তথ্যমন্ত্রী ঈদে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চেক সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিলেন মাশরাফি মতলবিরা সফলতার দুর্গে ফাটল ধরানোর অপচেষ্টা করছে: কাদের খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ২০২ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক নাটোরে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ভাত-মাংস পাঠালেন পলক অসহায় ও দুস্থদের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পশু কোরবানী
  • মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৪৬২

রেড জোনে চাঁদপুরের ছয় পৌরসভা-এক ইউপি!

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২০  

চাঁদপুর জেলার ছয় পৌরসভা ও এক ইউপির নাম রেড জোনের আওতায় আনতে প্রস্তাব করা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এ প্রস্তাবনা এরইমধ্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে।

চাঁদপুরের সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র আরো জানায়, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও নির্দেশনার আলোকে প্রস্তাবিত ছয়টি পৌরসভা ও একটি ইউপিতে একযোগে অথবা পর্যায়ক্রমে রেড জোন তথা কঠোর লকডাউন কার্যকর হতে পারে। 

রেড জোনের জন্য প্রস্তাবিত পৌরসভাগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা, হাজীগঞ্জ পৌরসভা, মতলব পৌরসভা, শাহরাস্তি পৌরসভা ও কচুয়া পৌরসভা। প্রস্তাবিত একমাত্র ইউপিটি হলো হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউপি।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ জানান, চাঁদপুর জেলার মধ্যে চাঁদপুর শহর ও হাজীগঞ্জ শহরে করোনার সংক্রমণ এখন সর্বাধিক। এছাড়া মতলব উত্তর বাদে অন্যান্য উপজেলা সদরে করোনার সংক্রমণ রেড জোনে পড়ার মতো অবস্থানে গিয়ে পৌঁছেছে।

তিনি আরো বলেন,  আমরা জোন ভাগ করতে গিয়ে দেখলাম, শহরে ওয়ার্ড ভিত্তিক জোন করলে একটা বড় সমস্যা হচ্ছে একাধিক ওয়ার্ডে যাতায়াতের একাধিক রাস্তা পড়ে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে একটি ওয়ার্ডের জন্য রাস্তা বন্ধ করলে অন্য ওয়ার্ডের যাতায়াতও বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়া শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। তাই আমরা পুরো পৌর এলাকাকে রেড জোন ও লকডাউনের আওতায় আনার প্রস্তাব করেছি। আমরা আমাদের প্রস্তাবনা এরইমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছি। এখন মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সেভাবেই আমরা তা বাস্তবায়ন করব।

কুমিল্লার ধ্বনি
সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর