ব্রেকিং:
মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হলে ৬ মাসের জেল, ১ লাখ টাকা জরিমানা করোনা প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ ২০৭ কোটি টাকা এসএসসির সব সূচকেই ভাল ফল দেশে আজও দুই হাজারের অধিক আক্রান্ত, মৃত্যু ২২ করোনা আক্রান্তদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন সেবা নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথা তুলে ধরলেন রাবাব ফাতিমা করোনা শনাক্ত করতে রাজধানীতে আরো দুটি ল্যাব চালু ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ বাড়ছে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা মানব পাচারকারীদের গ্রেফতারে তদন্তে নেমেছে সিআইডি সিএএমএসের মাধ্যমে হচ্ছে গরিবদের ডাটাবেস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনই খোলা হবে না : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের ২০০০ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দুই মাস পর পুরোনো রূপে চাঁদপুর, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে লঞ্চ বৃদ্ধকে প্লাজমা দিলেন করোনাজয়ী চিকিৎসক বরুড়ার সেই চা বিক্রেতার স্কুলে শতভাগ পাশ চাঁদপুরে আরো ১১ জনের করোনা শনাক্ত ছেলের মরদেহ নিয়ে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সড়কে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবা-মা কুমিল্লায় চিকিৎসকসহ নতুন আক্রান্ত ১০৩ করোনার অবনতি হলে এবার কঠোর লকডাউন: প্রধানমন্ত্রী এস.এস.সি-২০২০ এর ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অভাবনীয় সাফল্য
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

১৬০

রোজার ইতিহাস

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০১৯  

রোজা শুধু ইসলামেরই ফরজ বিধান নয়। ইসলামেরও আগে অনেক নবী (আ.) এর উম্মতদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছিল। ইসলামপূর্ব সময়ে রোজার ধরন ছিল বিভিন্ন প্রকৃতির।

রোজা রাখার পদ্ধতির ভিন্নতা ছাড়াও ফরজ রোজার সংখ্যাও বিভিন্ন রকম ছিল। প্রাথমিক অবস্হায় উম্মদে মুহাম্মাদীর ওপরও কেবলমাত্র আশুরার রোজা ফরজ ছিল। রমজানের রোজার ফরজ বিধান আসার পর আশুরার রোজা ফরজ হওয়ার হুকুম রহিত হয়ে যায়। (মাআরিফুস সুনান ৫/৩২৩)

উল্লেখ্য, রোজা ফরজ হয় হিজরতের দেড় বৎসর পর, ১০ শাবানে। রোজা ফরজ হওয়ার পর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯টি রমজান মাস পেয়েছিলেন। রোজার বিধান পালনে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। স্রষ্টা ও ক্ষুদ্র সৃষ্টি এবং মহা মুনিব ও সাধারণ মানুষের সম্পর্ক। এ সম্পর্কের সুস্পষ্ট  হলো,  সর্বময়ক্ষমতার অধিকারী বিশ্ব প্রতিপালক স্রষ্টার যে কোনো নির্দেশ পালন করতে মানুষ সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। ওই নির্দেশের হেকমত (তাৎপর্য) তার বুঝে আসুক আর নাই আসুক। 

সুতরাং মহান আল্লাহ তায়ালা যত প্রকার ইবাদতের নির্দেশ দেবেন সেগুলোর কোনো কারণ বা তাৎপর্যের পেছনে না পড়ে তৎক্ষণাৎ নতশিরে তা মেনে নেয়াই হচ্ছে বান্দার দায়িত্ব। বলাবাহুল্য শরীয়ত নির্দেশিত কোনো ইবাদতই তাৎপর্যহীন বা যুক্তিবিরোধী নয়। তবে সব কিছুর যুক্তি বা হেকমতই যে বান্দার জানা থাকবে বা বান্দার জ্ঞান-বুদ্ধি তাকে স্পর্শ করতে পারবে এমনটি ভাবা ঠিক নয়। কারণ আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে অতি সামান্য জ্ঞানই দান করেছেন।

ইরশাদ হয়েছে- ‘তোমাদেরকে অতি সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে।’ (সূরা আলে ইমরান ৮৫)

তবে বাহ্যিকভাবে ও কোরআন হাদীসের ভাষ্যমতে ‘আল্লাহ তায়ালা মানুষের স্বভাবে যে ফেরেশতা সুলভ বৈশিষ্ট্য চরিত্র গচ্ছিত রেখেছেন, তার উন্নতি ও উৎকর্ষসাধন এবং নফস ও প্রবৃত্তির দমন ও নিবৃত্তির অন্যতম মাধ্যম হলো রোজা। কানা’আত, আত্মশুদ্ধি, সবর ও শোকর, তাকওয়ার মতো বৈশিষ্ট্যের উন্নতি ও বিকাশে রোজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উপরন্তু রোজার মাধ্যমে মানুষ উদার ও প্রবৃত্তির জৈবিক তাড়না হতে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে ঊর্ধ্ব জগৎ তথা আপন স্রষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগসূত্র স্হাপনে সক্ষম হয়।

তাছাড়া নিরেট চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বছরের কিছু দিন অবশ্যই পানাহার বর্জন করা উচিত। এটি স্বাস্হ্যের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই হিন্দু-খ্রষ্টান সকল ধর্মেই রোজার মতো উপবাস করার প্রচলন রয়েছে। (যদিও ইসলামের রোজার সঙ্গে সেসব উপবাসের পদ্ধতিগত বহু পার্থ্যে রয়েছে)। (আরকানে আরবাআ : ২৬৪)

কুমিল্লার ধ্বনি
ধর্ম বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর