ব্রেকিং:
কুমিল্লা সমাবেশে রুমিনের মোবাইল ছিনতাই করল যুবদল কর্মী হাইমচরে নৌকার পক্ষে প্রচারণায় মাঠে ডা:টিপু ও মেয়র জুয়েল চাঁদপুর শহরের গ্রীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আজ বিশেষ মুনাজাতের মধ্যে শেষ হচ্ছে চাঁদপুর জেলা ইজতেমা মতলব উত্তর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রামপুরে বিষ প্রয়োগে অসহার কৃষকের মাছ নিধন ‘গুসি শান্তি পুরস্কার’ পেলেন শিক্ষামন্ত্রী মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরিপানা জটে নৌ চলাচল বন্ধ মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরিপানা জটে নৌ চলাচল বন্ধ ৩৫ বছরে শৈশবের স্বাদ, হতে চান উচ্চশিক্ষিত লক্ষ্মীপুরে ছাত্রদলের ১৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ২ তরুণের মুরাদনগরের সিদল যাচ্ছে বিদেশে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীসহ ২ জনের মৃত্যু যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত বঙ্গবন্ধু টানেলে গাড়ি চলবে জানুয়ারিতে বিদেশিদের মন্তব্যে বিরক্ত সরকার আমনের বাম্পার ফলন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু
  • রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

লালমাইয়ে গরুর খুরা রোগে দিশেহারা কৃষক

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২২  

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় হঠাৎ করে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ। এই রোগে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের খামারে ও কৃষকের কয়েকশত গরু আক্রান্ত হয়েছে।
মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে বাছুর ও গর্ভবতী গাভী। এ পর্যন্ত দুটি গরু মারা গেছে বলে স্হানীয় সূত্রে জানা গেছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সংক্রামক ভাইরাস ক্ষুরা রোগ থেকে প্রতিকার পেতে প্রতি ছয় মাস পর পর টিকা দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। আক্রান্ত হলে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সুস্থ করার নির্দেশনা দেয়া হয় বলেও জানায় ।
কৃষক ও খামারীরা জানান, আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন তারা।
ক্ষুরা রোগ অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় কোনো এলাকায় এ রোগ দেখা দিলে একশত ভাগ পশুই তাতে আক্রান্ত হয়। বাতাসের সাহায্যে এ ভাইরাস ৬০-৭০ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।
গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় আক্রান্ত পশুকে দূর-দূরান্তের হাটবাজারে বিক্রির জন্য নেয়া হয়। তখন ভাইরাস বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায়। আক্রান্ত পশুর পরিচর্যাকারীর জামা-কাপড়, জুতা ইত্যাদির সাহায্যেও ভাইরাস বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।
গরুর তড়কা, বাদলা, গলাফুলা ও ক্ষুরা রোগ সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে একপশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আমরা কৃষক ও খামারিদের সর্বাত্মক পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছি।
উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের খামারের মালিক মীর হোসেন বলেন আমার ৬ টা গরু সহ আমাদের গ্রামে ৪০ টা গরু আক্রান্ত। উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ উপজেলার এমন জায়গায় যেখান থেকে আমরা কোন পরামর্শ বা সহযোগিতা পাচ্ছি না। এছাড়া জগতপুর,উৎসবপদুয়া, হাফানিয়া সিলোনিয়া, জামমুড়ায় অনেক গরু আক্রান্ত।
লালমাই উপজেলা ভেটেরেনারি সার্জন ডা. মো. ফাহমিদা আফরোজ বলেন, আবহাওয়া জনিত কারণে এই রোগ শুরু হয়েছে। আমরা আক্রান্ত পশুগুলোর চিকিৎসায় পরামর্শ সহায়তা দিচ্ছি। যেহেতু ক্ষুরা রোগ ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। তাই এর তাৎক্ষণিক সুস্থ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। আমরা গরু রাখার স্হান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিচ্ছি। তিনি আরও জানান, ক্ষুরা রোগ অতি তীব্র প্রকৃতির সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত পশুর মুখ ও পায়ে ঘা হবার ফলে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে না এবং খুঁড়িয়ে হাটে। বিভিন্ন খামারিরা সেবা পাচ্ছে না বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। যে-সব খামারি বা কৃষক এখনো সেবার আওতায় আসেনি খুব শীঘ্রই তারা সেবার আওতায় আসবে বলে জানান।।