ব্রেকিং:
রাজনীতির সীমানা পেরিয়ে শেখ হাসিনা কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক: কাদের ভুল নীতিতে ডুবছে পাকিস্তান, সঠিক নীতিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ চলমান ‘লকডাউন’ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর নামে সড়ক, শেখ হাসিনার নামে বাড়ি ফিলিস্তিনে পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন, বাংলাদেশিদের রবিবার থেকে এনওসি দেওয়া হবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের চার দশক পূর্তিতে তথ্যচিত্র ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘টাউকটে’ তিন ওয়ানডে খেলতে ঢাকায় শ্রীলংকা ক্রিকেট দল ইসরায়েলকে সমর্থন জানিয়ে বাইডেনের ফোন ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৯ ফের বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঈদ উপলক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার আরো সাতদিন বাড়ছে লকডাউন, রোববার প্রজ্ঞাপন করোনায় ভাই হারালেন মমতা ব্যাংক-বিমা ও শেয়ারবাজার খুলছে কাল গাজায় ৪০ মিনিটে ৪৫০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইসরায়েল স্বাস্থ্যবিধি পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান কাদেরের দেশেই টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী উপকূলের ঘরে ঘরে ডিজিটাল ব্যাংক ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরার ব্যবস্থা ঈদের পর
  • রোববার   ১৬ মে ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৮

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

লাশের চাপ সইতে না পেরে দিল্লিতে চিকিৎসকের আত্মহত্যা

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২ মে ২০২১  

ভারতজুড়ে চলা করোনাভাইরাসের প্রাণঘাতী দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রবল চাপের মধ্যে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিবেক রায় নামের একজন আবাসিক চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) সাবেক প্রধান ডা. রবি ওয়ানখেদকর এক টুইটে এ খবর জানিয়েছেন।


এক টুইটবার্তায় ডা. রবি ওয়ানখেদকর বলেন, ডা. বিবেক রাই নামের ওই চিকিৎসক ছিলেন খুবই মেধাবী। উত্তরপ্রদেশের গোরখাপুরে তার বাড়ি। মহামারিকালে শত শত মানুষকে প্রাণ বাঁচাতে তিনি সহায়তা করেছেন।
শনিবার (১ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, এক মাস ধরে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তিনি রোগীর সেবা করে কাটিয়েছেন। প্রতিদিন সাত থেকে আটজন আশঙ্কাজনক রোগীকে দেখতে হতো তাকে।


ডা. রবি ওয়ানখেদকর জানান, মানুষের মৃত্যু দেখতে দেখতে ওই চিকিৎসক মানসিক বিষণ্নতায় ভোগেন। এরপর হতাশা থেকেই একসময় তিনি আত্মহত্যার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিবেক রাইয়ের স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছেন তিনি। এ তরুণ চিকিৎসকের মৃত্যুর জন্য অপবিজ্ঞান, অপরাজনীতি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে না পারা খারাপ প্রশাসনকে দায়ী করেছেন আইএমএর এই সাবেক প্রধান।


তিনি জানান, করোনা রোগী সামলাতে ব্যাপক মানসিক চাপে পড়তে হয়। এ মৃত্যু সে বিষয়টিই সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি ‘সিস্টেমের’ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলা যায়। কারণ মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির কারণে এই চিকিৎসকের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছিল।