ব্রেকিং:
পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি বাংলাদেশে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে রয়েছে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী হুজুর সেজে ধর্ষককে ধরলেন পুলিশ কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা জরুরি বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩ ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের রমণীদের পছন্দ বাংলাদেশি ছেলে রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় মিয়ানমারের তদন্ত দল টাইগারদের হেড কোচ হলেন রাসেল ডমিঙ্গো ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’ ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কুমিল্লায় র‌্যাবের অভিযানসাড়ে ৫০০ ইয়াবাসহমাদক ব্যবসায়ী আটক স্মার্টকার্ড পাবে ছয় বছরের শিশুও! ডেঙ্গু আক্রান্তদের ৮৪ শতাংশ সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ল্যান্ড ফোনের মাসিক লাইন রেন্ট বাতিল প্রসব বেদনা নিয়েই ছয় কিলোমিটার হাঁটলেন কাশ্মীরি মা যুদ্ধ শুরু! ভারতের ৫ পাকিস্তানের ৩ সেনা নিহত ঈদের আগে ৯ দিনে সর্বোচ্চ রেমিটেন্সের রেকর্ড সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিচ্ছে মিয়ানমার

সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

কুমিল্লার ধ্বনি
১১৩৩

শহীদ বুদ্ধিজীবী আব্দুল ওয়াহাবের সমাধি দেশে আনার দাবি

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০১৯  

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব তালুকদারের সমাধি ভারত থেকে বাংলাদেশের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

বুধবার কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর জয়মনিরহাটে তার ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাদের পক্ষে দাবি তুলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আলমীর মন্ডল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৬ নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এম,কে বাশার। তার অধীনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বামনহাট যুব শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ হিসেবে ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার।  মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭ আগস্ট ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত বগনী নদীর রেল ব্রিজে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধ হয়। পাক বাহিনীর ব্রাশ ফায়ারে প্রথমে তিনি আহত হলেও বেয়নট চার্জে শহীদ হন। পরে তাকে ভারতের কালমাটি মসজিদ চত্বরে সমাহিত করা হয়।

তিনি বলেন, ১৯৪৩ সালের ৩ জানুয়ারিতে অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারের কালমাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার। তার বাবার নাম ছামান আলী তালুকদার। তবে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর পরিবারের সঙ্গে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর জয়মনিরহাট ইউপির শিংঝাড় গ্রামে স্থায়ীভাবে বাস করতে শুরু করেন। তার পরিবার এখনো জয়হাটের স্থায়ী বাসিন্দা।

সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বলেন, ১৯৭১ সালের ১ মে থেকে শাহাদাতের আগ পর্যন্ত ৬ নং সেক্টরের অধীনে বামনহাট যুব শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন তিনি। যুবকদের মহান মুক্তিযুদ্ধে উৎসাহিত ও সংগঠিত করেন এ শহীদ বু্দ্ধিজীবী।

সেই সঙ্গে যুবক ও অন্যান্যদের যুব শিবিরে ভর্তি শেষে উচ্চতর প্রশিক্ষণে ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠান তিনি। যুব শিবিরে নবীন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ, খাবার, বাসস্থানসহ বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক হিসেবে কাজ করেন।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী, ক্রীড়ামনার অধিকারী শহীদ আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে অধ্যাপক ছিলেন। তিনি শহীদ হওয়ার সময় মা, স্ত্রী, তিন ছেলে সন্তান, ভাইবোনসহ আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।

শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এখন শহীদ বুদ্ধিজীবী আব্দুল ওয়াহাব তালুকদারের সমাধি নদী গর্ভে বিলীনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী এ মহান ব্যক্তির সমাধি ভারত থেকে বাংলাদেশে এনে পুনরায় সমাহিত করতে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাসহ পরিবার দাবি করেছে।

আলমীর মন্ডল বলেন, শহীদ আব্দুল ওয়াহাব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের এক আলোর দিশারী। যতদিন বাঙালি জাতি থাকবে, ততদিন শহীদ আব্দুল ওয়াহাব তালুকদারকে কেউ ভুলবে না।  তার সমাধি ভারত থেকে বাংলাদেশের মাটিতে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর