ব্রেকিং:
মুক্ত দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা গোমতির চরে মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান ‘ডায়াবেটিস’ তাই ভাত ছেড়ে রুটি? বিপদ আরো বাড়ছে মিথিলা-ফাহমির ছবি ইন্টারনেট থেকে সরানোর নির্দেশ গবাদি পশুর প্রজননের খবর জানাবে বাংলাদেশি ছাত্রের তৈরি যন্ত্র অ্যাপিকটা বিজয়ীদের সংবর্ধনা দিল বেসিস ইসলামে সড়ক ও পরিবহন নীতিমালা জমকালো আয়োজনে শেষ হলো বিপিএলের উদ্বোধন শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে: কাদের পঙ্গু-বয়স্কদের জন্য ইউএনওর ‘কলিং বেল’ সেবা বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী তিনি পাখি রক্ষায় গোপালগঞ্জের ডিসির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পিঁয়াজের কারণে কফি হাউসে বন্ধ হল জনপ্রিয় খাবার বিয়ের পাঁচদিন পরই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে তালাক পাঁচ নারী পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক ৩৯তম বিসিএসে আরো ১৬৮ জন চিকিৎসক নিয়োগ দুই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনে মেয়েদের একা ভ্রমণে পুলিশের পরামর্শ শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস তিন মাসে ২৯ হাজার বিচারপ্রার্থীকে সরকারি খরচায় আইনি সেবা

সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
১১৭৮

শহীদ বুদ্ধিজীবী আব্দুল ওয়াহাবের সমাধি দেশে আনার দাবি

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০১৯  

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব তালুকদারের সমাধি ভারত থেকে বাংলাদেশের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

বুধবার কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর জয়মনিরহাটে তার ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাদের পক্ষে দাবি তুলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আলমীর মন্ডল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৬ নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এম,কে বাশার। তার অধীনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বামনহাট যুব শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ হিসেবে ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার।  মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭ আগস্ট ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত বগনী নদীর রেল ব্রিজে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধ হয়। পাক বাহিনীর ব্রাশ ফায়ারে প্রথমে তিনি আহত হলেও বেয়নট চার্জে শহীদ হন। পরে তাকে ভারতের কালমাটি মসজিদ চত্বরে সমাহিত করা হয়।

তিনি বলেন, ১৯৪৩ সালের ৩ জানুয়ারিতে অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারের কালমাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার। তার বাবার নাম ছামান আলী তালুকদার। তবে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর পরিবারের সঙ্গে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর জয়মনিরহাট ইউপির শিংঝাড় গ্রামে স্থায়ীভাবে বাস করতে শুরু করেন। তার পরিবার এখনো জয়হাটের স্থায়ী বাসিন্দা।

সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বলেন, ১৯৭১ সালের ১ মে থেকে শাহাদাতের আগ পর্যন্ত ৬ নং সেক্টরের অধীনে বামনহাট যুব শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন তিনি। যুবকদের মহান মুক্তিযুদ্ধে উৎসাহিত ও সংগঠিত করেন এ শহীদ বু্দ্ধিজীবী।

সেই সঙ্গে যুবক ও অন্যান্যদের যুব শিবিরে ভর্তি শেষে উচ্চতর প্রশিক্ষণে ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠান তিনি। যুব শিবিরে নবীন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ, খাবার, বাসস্থানসহ বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক হিসেবে কাজ করেন।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী, ক্রীড়ামনার অধিকারী শহীদ আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে অধ্যাপক ছিলেন। তিনি শহীদ হওয়ার সময় মা, স্ত্রী, তিন ছেলে সন্তান, ভাইবোনসহ আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।

শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এখন শহীদ বুদ্ধিজীবী আব্দুল ওয়াহাব তালুকদারের সমাধি নদী গর্ভে বিলীনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী এ মহান ব্যক্তির সমাধি ভারত থেকে বাংলাদেশে এনে পুনরায় সমাহিত করতে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাসহ পরিবার দাবি করেছে।

আলমীর মন্ডল বলেন, শহীদ আব্দুল ওয়াহাব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের এক আলোর দিশারী। যতদিন বাঙালি জাতি থাকবে, ততদিন শহীদ আব্দুল ওয়াহাব তালুকদারকে কেউ ভুলবে না।  তার সমাধি ভারত থেকে বাংলাদেশের মাটিতে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর