ব্রেকিং:
দেবিদ্বারে উ. জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদকের আঙ্গুল কর্তন কমলাপুর চাইল্ড হেভেন স্কুলে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পান বোঝাই পিক-আপ থেকে ৫৪ হাজার পিস ইয়াবা লালমাই পাহাড়ের কাঁঠালের ম–ম ঘ্রাণ তিতাশে মাটির পাতিল থেকে বের হচ্ছিল কান্নার আওয়াজ প্রধানমন্ত্রী দিল্লি যাচ্ছেন ২১ জুন নৌকায় লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিহত ১০, জীবিত ৩০ বাংলাদেশি মাস্কের টুইটে উত্তাল ভারতের রাজনীতি চার মাসে বিদেশে চাকরি কমেছে ২০ শতাংশ রাজধানীর বড় বড় হাসপাতাল যেন ‘বাতির নিচে অন্ধকার’ ঈদের দিন যেসব উন্নত খাবার পেলেন কারাবন্দিরা আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি হাসিল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বাজারে লঙ্কাকাণ্ড টিনের বেড়ায় বিদ্যুতের তার চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন স্বস্তিতে ঘরমুখো মানুষ যেভাবে গড়ে ওঠে শতবর্ষী কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ বেশি ভাড়া রাখায় উপকূল পরিবহনকে জরিমানা মিয়ানমার সীমান্তের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ রাখাইনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা, বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ
  • বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৫ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

সবজি হিসেবে কুমিল্লায় জনপ্রিয়তা বাড়ছে কচু ফুলের

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

দেখতে সুন্দর ও খেতে সুস্বাদু হওয়ায় কুমিল্লায় দিন দিন বাড়ছে কচু ফুলের চাহিদা। ইতোমধ্যেই সবজি হিসেবে এই ফুলের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ছে চর্তুদিকে। জেলার বরুড়া উপজেলায় এ ফুলের চাষ সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। জেলাব্যাপী কচু ফুলের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন এখনো সেভাবে হচ্ছে না বলে জানিয়েছে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়- কচুর পাতা, ডাটা, লতি, শিকড় সবই সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। তবে কচুর ফুল আমাদের দেশে এখনো সেভাবে কেউ খায়নি। ধিরে ধিরে মানুষের মধ্যে এই ফুল সবজি হিসেবে খাওয়ার চাহিদা বাড়ছে।

বরুড়া উপজেলার আগানগর গ্রামের কৃষক আবদুল লতিফ জানান, কচুর ফুল রান্না করাটা কঠিন নয় বরং অনেক সহজ। এই ফুল খেতেও অনেক মজা। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি কচুর ফুল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। কচুর ক্ষেত থেকে এখন শত শত কেজি কচুর ফুল সংগ্রহ করতে পারছেন কৃষকেরা। বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকদের আয় বাড়ছে।

একই গ্রামের অপর কৃষক আলী মিয়া জানান, কচু চাষে কৃষকরা খুবই ভালোভাবে লাভবান হচ্ছেন। কৃষকরা কচু চাষ করে প্রথমে লতি বিক্রি করছেন, দ্বিতীয় ধাপে তারা কচুর ফুল বিক্রি করছেন। তৃতীয় ধাপে কচু বিক্রি করছেন। মোটকথা এক কচু থেকে তিনবার আয় পাচ্ছেন চাষিরা। বর্তমানে কচুর ফুল মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাজারে এর দামও অনেক ভালো।

বরুড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, কচুর ফুল খেতে অনেক মজা। কচুর ফুলে রয়েছে অনেক পুষ্টিকর গুণাগুণ।

তিনি আরও জানান, বরুড়ায় ব্যাপক হারে কচুর চাষ হয়। বিশেষ কচুর লতি। বরুড়ার কচুর লতি দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে রপ্তানি হয়। সম্প্রতি কচুর ফুলও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আশা করছি এটিও খুব দ্রুত দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আইউব মাহমুদের কাছে কচুর ফুল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি একটি আয়রন সমৃদ্ধ সবজি। এটি রক্ত শূণ্যতা দূর করে। এই ফুল এখন সবজি হিসেবে খাবার তালিকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কুমিল্লার বরুড়া ও চান্দিনা ছাড়া সেভাবে কচুর ফুল বানিজ্যিকভাবে এখনো চাষ হতে দেখা যাচ্ছে না। তবে এই ফুলের চাহিদা বাড়ছে। কুমিল্লায় কয়েক টন কচুর ফুল উৎপাদন হচ্ছে বলেও জানান তিনি।