ব্রেকিং:
দাউদকান্দি শিশু ধর্ষণের অভিযোগ অপ্রতিরোধ্য বসুন্ধরা কুমিল্লায় নির্বিচারে শিশুশ্রম কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অচেতন করে ব্যাংক লুট বাঞ্ছারামপুর থানা থেকে লোক ছাড়াতে নেতা নিলেন দেড় লাখ টাকা! পদুয়ার বাজারে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান বিডিআর বিদ্রোহ:অভিযুক্তদের পক্ষে কেন আইনি লড়াই করে বিএনপি? বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রের ফসল বিডিআর বিদ্রোহ একদিনে আরো পাঁচজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪১০ জাতীয় বিশ্ববিদ্যায়ের স্থগিত পরীক্ষাসমূহের নতুন সূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত বাংলাদেশিদের বৈধ করার আহ্বান মোমেনের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৪০০ কোটি ছাড়াল মেট্রো রেল প্রকল্পে গড় অগ্রগতি ৫৬.৯৪% দেশে হচ্ছে আরও সাত নভোথিয়েটার আসছে তাৎক্ষণিকভাবে ভোটার হওয়ার সুযোগ শঙ্কা কেটে পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপণ করেছে শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর দুর্নীতিবিরোধী ভাষণ দূরদর্শিতার প্রমাণ
  • শুক্রবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭

  • || ১৩ রজব ১৪৪২

সরকারি গাছে দোকান ঘর নির্মাণের প্রস্তুতি

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি ২০২১  

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সড়কের পাশে থাকা গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালীরা। ওই ঘটনায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করার এক মাসেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের চাটুলী গ্রামের সফিকুল ইসলাম লিখিত অভিযোগে জানান- ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম ও তার মেয়ের জামাতা মকবুল হোসেন সাহারপাড়- চুলাশ সড়কের চাটুলি সরকার বাড়ির মোড়ে থেকে ৫টি বড় গাছ কেটে নিয়ে যায়। সরকারি জায়গা দখল করে সরকারি ওই গাছ দিয়ে দোকান-ঘর নির্মাণ করার পায়তারা করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ করেছি।

রাজামেহার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার রুহুল আমিন জানান- ঘটনার সময় আমি এই ইউনিয়নের দায়িত্বে ছিলাম না। আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি রিপোর্ট দিয়ে গেছেন।

পূর্বে দায়িত্বে থাকা তহসিলদার বর্তমানে মুরাদনগরে কর্মরত মহিউদ্দিন আহমেদ জানান- আমার তদন্তে ওই গাছগুলো আমাদের সরকারি জায়গাতে পেয়েছি। কিন্তু মালিক পক্ষ তাদের মালিকানা জায়গা দাবি করায় আমি সার্ভেয়ার চেয়ে উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলাম।

বিষয়টি স্বীকার করে নজরুল ইসলাম ও মকবুল হোসেন জানান- বিএস নকশায় ওই স্থানটি সরকারি খাস খতিয়ানে উঠেছে ঠিকই প্রকৃতপক্ষে জায়গা আমাদের নিজস্ব সম্পত্তি। সড়ক ঘেঁষে খাল আর সড়কের পাশে আপনাদের জমার জায়গা কিভাবে ? এমন প্রশ্নে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি তারা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. গিয়াস উদ্দিন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি এ দপ্তরে কিছুদিন পূর্বে যোগদান করেছি। এরই মধ্যে আবাসন প্রকল্প ও সুবিধাভোগীদের বাড়ি নির্মাণসহ নানা কাজের চাপে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সার্ভেয়ার দিয়ে মেপে সত্যতা নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি। আগামী শুক্রবারের মধ্যে বনবিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। রিপোর্টে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিব হাসান বলেন, ওই অভিযোগের অগ্রগতির ফলোআপ কি পর্যায়ে আছে তা না জেনে বলতে পারবনা, জেনে জানাব।

কুমিল্লার ধ্বনি