ব্রেকিং:
আবারও রাখাইন ছেড়েছে ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা আরাকান আর্মির গুলিতে বাংলাদেশি নিহত তারেক জিয়াকে কি দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে? দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ নির্দেশনা মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল ও এয়ারপোর্ট উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি তারেককে ফেরাতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী বেনজীর আহমেদ কি গ্রেপ্তার হতে পারেন? বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল: রাজধানীতে উর্ধ্বমুখী কাঁচা বাজার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না: সৌদি স্ত্রীর নামে প্রতিদিন গড়ে ১৫.১৬ শতাংশ জমি কিনেছে বেনজীর তারেককে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করব: প্রধানমন্ত্রী ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়: প্রধানমন্ত্রী কেন সাধারণ বমরা বর্জন করেছে কেএনএফকে? কলাপাড়ায় প্রস্তুত ১৫৫ আশ্রয়কেন্দ্র ও ২০ মুজিব কিল্লা ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নজরুলের লেখনীতে ফুটে ওঠে আর্ত-পীড়িত মানব মনের কথা বন্ধুরাষ্ট্রের কাছে কথিত এমপিরাও নিরাপদ নয়: ফখরুল বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি বানাতে দিচ্ছি না বলেই কিছু সমস্যা হচ্ছে
  • বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩১

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

সাজেদা চৌধুরী দুর্দিনে আ.লীগের হাল ধরে রেখেছিলেন

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

বেগম সাজেদা চৌধুরী দুর্দিনে আওয়ামী লীগের হাল ধরে রেখেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, বেগম সাজেদা চৌধুরী দুর্দিনে আওয়ামী লীগের হাল ধরে রেখেছিলেন। দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দল যখন অনেক প্রশ্নের মুখে ছিল, সেই সময় দল ও জাতির জন্য একটা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন।

dhakapost

 

আব্দুর রহমান বলেন, ’৭৫ এর ১৫ই আগস্টের প্রতিরোধে যে আন্দোলন-সংগ্রাম আমরা শুরু করি মূলত সাজেদা চৌধুরী সেই সময় অনুপ্রেরণা, সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রেখেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্য তিনি এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন।

তিনি বলেন, ১/১১ সময় যখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে একটা বড় দুঃসময় আসে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যখন কারাগারে ছিলেন সেই সময়ও ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এক সভায় কঠোর মনোভাব নিয়ে তিনি বলেছিলেন, আজ শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে যদি কোনো নির্বাচন করার পাঁয়তারা হয়, ষড়যন্ত্র হয়, বাংলার মানুষ কখনো মেনে নেবে না। তারই এই কথার মধ্য দিয়ে সেদিনও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুনরায় উজ্জীবিত হয়েছিল। শেখ হাসিনা মুক্তির সংগ্রামকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে মুক্ত করেন। আমাদের সংগ্রামী জীবনকালে তাকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, তিনি যে আদর্শ, উদ্দেশ্য নিয়ে দলের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন, আমরা যেন সেই আদর্শ-উদ্দেশ্যকে বুকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে পারি, সেটাই হবে আজকের দিনের প্রত্যয়।