ব্রেকিং:
একশ’ কোটি টাকা নিয়ে ভারতে পালালেন ব্যবসায়ী মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকার সড়কের নামফলক অপসারণ কুমিল্লা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের কমিটি অনুমোদন ২০ লাখ টাকার দাবিতে বন্ধুকে অপহরণ, সাতদিন পর উদ্ধার গোসল করাকে কেন্দ্র করে সৌদিতে বাংলাদেশি যুবক খুন ‘দুর্নীতি দমনে সরকার আশাবাদী’ প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি পৌঁছেছেন ব্রাহ্মণপাড়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠিদের মাঝে অনুদান বিতরণ কুবিতে সাংবাদিক হয়রানি ও লাঞ্ছনার বিচার চেয়ে মানববন্ধন কুমিল্লায় এ্যাম্বুল্যান্সের অবৈধ পার্কিংএ সৃষ্টি হচ্ছে যানজট লাকসাম রেলওয়ে জংশনের ষ্টেশন মাস্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তিতাসে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা চান্দিনায় বেতন স্কেল বৃদ্ধির দাবীতে শিক্ষকদের মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে ৭ দফার দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন দেবিদ্বারে পুলিশের অভিযানে দুই গাঁজা ব্যবসায়ী আটক হোমনায় এনজিও কর্মীকে পিটিয়ে টাকা পয়সা ছিনতাই কুমিল্লায় নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক মুরাদনগরে নিজের ড্রেজারের নৌকায় বালু ব্যবসায়ীর লাশ নাঙ্গলকোটে সরকারি খাল পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বরুড়ায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ

রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২২ মুহররম ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
৪৭৯

হাঁসে হাসি-খুশির সংসার

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০১৯  

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার উত্তর কলেজপাড়ার আশরাফ হোসেন। যার সংসারে অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী। হঠাৎ একদিন টিভির পর্দায় এক বেকার যুবকের সফলতা দেখে তিনি হাঁস পালন শুরু করেন। এ হাঁস পালনেই এখন তার অভাব দূর হয়েছে।
আশরাফ আলী বলেন, সাইদুর ও রাকিব নামে দুই ছেলে রয়েছে। তারা মাধ্যমিকে লেখাপড়া করে। আর মেয়ে সোনিয়ার বিয়ে দিয়েছি। প্রায় ৩০ বছর ধরে মালামালের বস্তা গাড়িতে ওঠা-নামার কাজ করে সংসার চালিয়েছি। কিন্তু বয়স বেড়ে যাওয়ায় বোঝা বহনের কাজ করতে খুব কষ্ট হতো। তাই সব সময় পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবতাম। টেলিভিশনে একদিন এক হাঁস খামারির সফলতার গল্প শুনে উৎসাহিত হই। পরে নিজেই হাঁসের খামার করি। প্রতিদিন যে ডিম পাচ্ছি তা বিক্রি করে সংসার চালাই।

তিনি আরো বলেন, আমার বসতবাড়ির পাশেই রয়েছে নিচু জমির ঝিল। সেখানে কোনো ফসলই ভালো হয় না। তবে হাঁস ঘুরে বেড়ানোর মত উপযুক্ত স্থান। এটা মাথায় রেখেই জমির মালিকদের সঙ্গে কথা বলি। তাদের প্রতি বছর বিঘা প্রতি সাত হাজার টাকার চুক্তিতে পাঁচ বছরের জন্য ৮ বিঘা জমি বর্গা নেই। এরপর  প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করে ২০১৬ সালের নভেম্বরে বাসা বাড়ির সামনে বাঁশের মাচা এবং গোলপাতার ছাউনির দুটি লম্বা ঘর নির্মাণ করি। ২০১৭ সালের প্রথম দিকে ১০০ টাকা দরে ৩শ বেলজিয়াম জাতের হাঁসের বাচ্চা কিনি।

তিনি বলেন, এর আড়াই মাস পর পাবনার চাটমোহল হ্যাচারি থেকে ৩০ টাকা দরে আরো ৪শ খাকি ক্যাম্বেল জাতের হাঁসের বাচ্চা কিনি। বিভিন্ন সময়ে রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় শতাধিক হাঁস মারা গেছে। বর্তমানে হাঁসগুলো ডিম দিচ্ছে। প্রতিদিন সাড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ ডিম পাচ্ছি।

আশরাফ আরো বলেন, এখন আমার ছোট-বড় মিলে প্রায় ৯শ’ হাঁস রয়েছে। প্রতিদিন খাবার বাবদ ১ হাজার আর ওষুধ বাবদ ২শ’ টাকা খরচ হচ্ছে। ডিম পাচ্ছি সাড়ে তিনশ বা চারশ। বাজারে প্রতি ডিম ১০ টাকায় বিক্রি করি। এ পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ডিম বিক্রি করেছি কমপক্ষে ১২ লাখ টাকার।

আশরাফের স্ত্রী নারগিছ বেগম বলেন, হাঁস বর্ষা মৌসুমে একটু বেশি জায়গা নোংরা করে। আর রোগে যখন মারা যায় তখন মন কাঁদে। তাছাড়া হাঁস পালন করা কঠিন কোনো কাজ নয়। মনের একটা সখও পূরণ করা যায়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতিকুজ্জামান বলেন, আশরাফের হাঁসের খামার পরিদর্শন করেছি। তিনি খুব পরিশ্রমী ও আশাবাদী। আশরাফ যখন আমার কাছে আসেন সাধ্যমতো তার সমস্যা সমধানের চেষ্টা করি।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর